বাচ্চাদের গুড়া কৃমি দূর করার উপায়

সুপ্রিয় বন্ধুগণ বাচ্চাদের গুড়া কৃমি দূর করার উপায় বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শুরু করলাম। বাচ্চাদের কৃমির সমস্যা সব সময় লেগেই থাকে। কৃমি সাধারণত বাচ্চাদের শারীরিক বৃদ্ধি ও বিকাশে বাধাগ্রস্ত করে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাবে শিশুদের কৃমি সংক্রমণ অত্যন্ত বেশি হয়।
এছাড়াও কৃমির সমস্যা হলে অতি দ্রুত চিকিৎসার মাধ্যমে প্রতিরোধ করতে হবে। বাচ্চাদের কৃমি সম্পর্কে জানতে আমাদের এই আর্টিকেলের সঙ্গে থাকুন।

ভূমিকা

আজকের আর্টিকেল বাচ্চাদের গুড়া কৃমি দূর করার উপায়। কৃমি হচ্ছে বিভিন্ন দূরত্ব সম্পর্কিত দিপাক্ষিক প্রাণী যা সাধারণত লম্বা নলাকার হয়। কৃমির অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং চোখ থাকে না। কৃমি এক ধরনের পরজীবী যা বিভিন্ন প্রাণী ও মানুষের দেহে বসবাস করে পোষক থেকে খাদ্য সংগ্রহ করে। কৃমি হল অমেরুদন্ডী প্রাণী।
কৃমি এক ধরনের পরজীবী যা মানুষের শরীরের শুধুমাত্র ক্ষতি করে। সাধারণত খাদ্যনালির নিচে অথবা কখনো কখনো লিভারে কৃমির সংক্রমণ হতে পারে। কিছু কিছু কৃুিম অন্ত্রে বসবাস করে এবং সেখান থেকে রক্ত চুষে খায়। যার কারণে কৃমির সংক্রমণ হলে মানুষের রক্তশূন্যতার বৃদ্ধি পায়। কৃমি সম্পর্কে জানতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

বাচ্চাদের গুড়া কৃমি দূর করার উপায়

আমাদের দেশে সাধারণত ১০ বছরের নিচে শিশুদের কৃমির সংক্রমণ অত্যন্ত বেশি হয়। বিশেষ করে বাচ্চাদের অপরিষ্কার জায়গায় বসবাসের মাধ্যমে কৃমির সংক্রমণ হয়। যার কারণে বাচ্চাদেরকে সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জায়গায় রাখা প্রয়োজন। বাচ্চাদের গুড়া কৃমি দূর করার উপায় আলোচনা করা হলো।

কুমড়া বীজের মাধ্যমেঃ কিউকারবিটাসিন নামক অ্যামাইনো এসিড সমৃদ্ধ কুমড়া বীজ। যার কারণে কুমড়া বিজ খাওয়ার মাধ্যমে পরিপাকতন্ত্রে কৃমিকে প্যারালাইজড করে। যার কারনে কৃমি মলের সঙ্গে বাহির হয়ে যায়। এই জন্য নিয়মিত কুমড়া বিজ খাওয়া যেতে পারে।

পেঁপে বিজের মাধ্যমেঃ পেঁপে বিজ মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ যাতে শক্তিশালী অ্যানথেলমিন্টিক এবং অ্যান্টিঅ্যামিবিক প্রপার্টিজ রয়েছে যা অন্ত্রের ভিতরের কৃমি গুলো মেরে ফেলে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে পেঁপে বীজের গুঁড়ো গরম পানিতে মধুর সাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে শিশুকে খাওয়ালে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

রসুন খাওয়ার মাধ্যমেঃ অ্যান্টিসেপটিক এবং এন্টি প্যারাসাইট বৈশিষ্ট্যের জন্য রসুন অত্যন্ত কার্যকরী। রসুন খাওয়ার মাধ্যমে অন্ত্রের কৃমি ও কৃমির ডিম ধ্বংস করে। যার কারণে দুই বছরের নিচে শিশুর জন্য মা খাবারে বা সালাতে নিয়মিত রসুন খেতে পারেন।

এ ছাড়া রসুনে এলিসিন নামক যৌগ রয়েছে যা পরিপাকতন্ত্রে বিভিন্ন সংক্রমণ হতে রক্ষা করে। যার কারণে পরিপাকতন্ত্রে গুড়া কৃমি হতে পারেনা।

কাঁচা হলুদ খাওয়ার মাধ্যমেঃ হলুদে কারকিউমিন নামক এন্ট্রি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা অন্ত্রের যাবতীয় পরজীবী ধ্বংস করে। এছাড়াও কাঁচা হলুদ অ্যান্টিবায়োটিক গুণসম্পন্ন। এক্ষেত্রে নিয়ম হলো দুধের সাথে আধা চা চামচ হলুদ মিশিয়ে শিশুকে খাওয়ালে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। এই জন্য কাঁচা হলুদ খাওয়ার মাধ্যমে গুড়া কৃমি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়

গাজর খাওয়াঃ ভিটামিন এ সমৃদ্ধ গাজরে বিটা ক্যারোটিনের ভালো উৎস। বিটা ক্যারোটিন বাচ্চার অন্ত্রের কৃমি ও কৃমির ডিম ধ্বংস করে এবং পেটের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে। তবে বাচ্চাদের গাজর খাওয়ানোর সময় গাজর অত্যন্ত ভালো করে ধুয়ে খাওয়াতে হবে। এছাড়া বড়দের ক্ষেত্রে নিয়মিত গাজর খেলে পরিপাকতন্ত্রে গুড়া কৃমি হতে পারেনা

তুলসী খাওয়ার মাধ্যমেঃ তুলসী এন্ট্রিব্যাকটেরিয়াল এন্টিভাইরাল এবং এন্টিফাঙ্গাল গুণসমৃদ্ধ। তুলসীতে ভিটামিন সি ও জিঙ্ক রয়েছে যার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এই ক্ষেত্রে মধুর সঙ্গে তুলসী পাতার রস মিশিয়ে বাচ্চাদের খাওয়ালে কৃমি সংক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়া যায়। নিয়মিত মধুর সংঘের তুলসী পাতার রস খাওয়ার মাধ্যমে পরিপাকতন্ত্রে গুড়া কৃমি হতে পারেনা।

করলা খাওয়ার মাধ্যমেঃ করলা খাওয়ার মাধ্যমে পেটের কৃমি মরে যায়। এই ক্ষেত্রে নিয়ম হল করলা পেস্ট করে মধু দিয়ে মিশিয়ে শিশুদেরকে খাওয়ালে কৃমি সংক্রমণ সমস্যা দূর হয়। বড়দের ক্ষেত্রেও নিয়মিত করলার রস খেলে পাকস্থলীতে কৃমি হতে পারেনা।

ঘন ঘন কৃমি হওয়ার কারন

আজকের আর্টিকেল বাচ্চাদের গুড়া কৃমি দূর করার উপায়। ডাক্তার নিশাত জাহান বলেন কৃমি এক ধরনের পরজীবী যাহা মানব শরীরের কোন প্রয়োজন নাই। কৃমি সাধারণত মানব শরীরের খাদ্যনালির নিচে অথবা লিভারে অবস্থান করে বংশবৃদ্ধি করে। আমাদের দেশে ১০ বছরের নিচে শিশুরা কৃমিতে বেশি আক্রান্ত হয়। কৃমি হওয়ার কারণ আলোচনা করা হলো।
*খালি পায়ে চলাফেরা করলে কৃমিতে আক্রান্ত বেশি হয়। গ্রামের শিশুরা বেশিরভাগ খালি পায়ে চলাফেরা করার কারণে গ্রামের শিশুদের বেশি কৃমিতে আক্রান্ত হয়।
*ব্যক্তিগত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ব্যাপারে অবহেলা করলে।
*অনেক সময় শিশুরা ধুলাবালি ও ময়লাতে খেলাধুলা করে এবং এই অবস্থায় হাত মুখে দেয় যার কারণে কৃমি সংক্রমণ বেড়ে যায়।
*প্রস্রাব পায়খানা করার পরে ভালো করে হাত না ধুয়ার কারণে।
*খাবার খাওয়ার আগে হাত ভালো করে সাবান দিয়ে না ধোয়ার কারণে।
*বাহিরের অপরিষ্কার খাবার ও পানি খাওয়ার মাধ্যমে।
*খাবার সঠিক নিয়মে রান্না না করার কারণে।
*কাঁচা ফলমূল অথবা বিভিন্ন খাবার বস্তু ভালো করে না ধুয়ে খাওয়ার মাধ্যমে।

বাচ্চাদের কৃমি হওয়ার লক্ষণ

সাধারণত আমাদের দেশে প্রতি পাঁচ জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মধ্যে একজন কৃমিতে আক্রান্ত হয়। বাচ্চাদের মধ্যে এই আক্রান্তের হার আরও বেশি। ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সুতা কৃমি, ফিতা কৃমি, গোল কৃমি, আক্রান্তের পরিমাণ বেশি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কৃমির সংক্রমনের লক্ষণ প্রকাশিত হয় না। তবে কৃমিতে বেশি আক্রান্ত হলে কিছু লক্ষণ প্রকাশিত হয় যা আলোচনা করা হলো।

*ওজন কমে যাওয়া এবং দেখতে রোগা রোগা মনে হওয়া।
*পেটে হালকা ব্যথা হয় এছাড়াও বমি বমি ভাব হয়। মাঝে মাঝে বমি হতে পারে।
*খিটখিটে মেজাজ হয় এবং আচরণগত সমস্যা হয়।
*মাঝে মাঝে কাশি হয় এবং সঙ্গে বমি হতে পারে।
*মলদ্বারে পর্যাপ্ত চুলকায় এবং চুলকানোর পরে ঘা হয়ে যায়।
*মলদ্বারে চুলকানোর কারণে রাতে পর্যাপ্ত ঘুম হয় না।
*পাতলা পায়খানা হতে পারে এছাড়াও পায়খানার সঙ্গে রক্ত যেতে পারে।
*মেয়ে বাচ্চাদের প্রস্রাবে ইনফেকশন হয় ও প্রস্রাবের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং প্রস্রাবের সময় ব্যথা হয়।
*অন্ত্রে ক্ষত সৃষ্টি করে রক্তপাত করে এবং রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
*খাবারের রুচি থাকে না এবং খাওয়ার পরিমাণ অত্যন্ত কমে যায়।
*খাবার ভালো হজম হয় না যার কারণে গ্যাস্ট্রিক অথবা বদহজম হয়।
*শিশুদের মাটি এবং বিভিন্ন খারাপ জিনিস খাওয়ার আগ্রহ তৈরি হয়।
*অন্ত্রে কৃমির পরিমাণ বেড়ে জমাট বাধার কারণে পায়খানার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়।
*কৃমি পিত্তথলিতে বা লিভারে গেলে ইনফেকশন হয়।
*কৃমির কারণে খিঁচনি ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে।

কৃমির সংক্রামণ প্রতিরোধের ব্যবস্থা কিকি

সাধারণত এক বছরের কম বয়সী বাচ্চাদেরকে কৃমির ওষুধ ওষুধ দেওয়া যায় না। বাচ্চার বয়স এক বছর হলে প্রতি ছয় মাস পর পর কৃমির ডোজ গ্রহণ করতে হবে। প্রথমবারে কৃমির ওষুধ খাওয়ানোর তিন থেকে সাত দিন পরে পুনরায় কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে। কৃমির সংক্রমণ প্রতিরোধের ব্যবস্থা আলোচনা করা হলো।
*বাচ্চাদের হাতের নখ বড় করা যাবে না যার মাধ্যমে কৃমি পাকস্থলীতে প্রবেশ করে।
*বাসার গৃহ পরিচারিকার পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা থাকার ব্যাপারে নিশ্চিত করতে হবে।
*দুই থেকে তিন দিন পর পর জীবানুনাসক দিয়ে বাসার ফ্লোর পরিষ্কার করতে হবে।
*শিশুদের চলাফেরার ক্ষেত্রে সব সময় খালি পায়ে যেন বাহির হতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
*শিশুদের খেলাধুলার জন্য ময়লা এবং আবর্জনাযুক্ত জায়গায় যাতে না যায় তা নিশ্চিত করতে হবে।
*খালি মাটিতে খেলাধুলার পরিবর্তে বাসায় খেলাধুলার ব্যবস্থা করতে হবে।
*খাবারের আগে এবং টয়লেট ছাড়ার পরে হাত সাবান দিয়ে তিনবার ভালো করে ধুতে হবে।
*খাবারের পানির ব্যাপারে সবসময় বিশুদ্ধ রাখার চেষ্টা করতে হবে। এই ক্ষেত্রে ফোটানো পানি বা ফিল্টার করা পানি খেতে হবে।
*বিভিন্ন ফলমূল অথবা কাঁচা সবজি খাওয়ার ক্ষেত্রে ভালো করে ধুয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
*সর্বোপরি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার ফলে কৃমির সংক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়া যায়।

গর্ভাবস্থায় কৃমি দূর করার ঘরোয়া উপায়

আজকের আর্টিকেল বাচ্চাদের গুড়া কৃমি দূর করার উপায়।গর্ভাবস্থায় পেটে কৃমি সংক্রমণ হলে সাধারণত ঘরোয়া উপায়ে তা দূর করা যায়। গর্ভবতী মায়েদের কৃমির জন্য ওষুধ ব্যবহার না করাই ভালো। গর্ভাবস্থায় কৃমি দূর করার ঘরোয়া উপায় গুলো আলোচনা করা হলো।

প্রতিদিন এক কাপ দই খেতে হবেঃ গর্ভবতী মায়েদের কৃমির দূর করতে দইয়ের ব্যবহারে অনেক উপকার রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে দইয়ে রয়েছে ল্যাকটোব্যাসিলাস প্রবায়োটিক যা শরীরে ব্যাকটেরিয়া ভাইরাস ও বিভিন্ন ধরনের পরজীবীকে ধ্বংস করে। যার কারণে গর্ভবতী মায়েদের কৃমি দূর করতে দই খাওয়া যেতে পারে।

লেবুর রস খাওয়াঃ গর্ভবতী মায়েদের পেটে কৃমি দূর করতে লেবু কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। গবেষণায় দেখা গেছে পরজীবী থেকে রক্ষা করতে লেবু অনেক ভালো কাজ করে। লেবু থেকে তৈরি করা পানীয় খাওয়ার ফলে ম্যালেরিয়া পরজীবী ও কৃমি জাতীয় পরজীবী দূর হয়।

আমলকি খাওয়াঃ আমলকির রস গর্ভবতী মায়েদের কৃমির দূর করতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে আমলকির রস খাওয়ার মাধ্যমে শরীরে বিভিন্ন প্রকার পরজীবী এমন কি কৃমি দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

গর্ভবতী মায়েদের কৃমি প্রতিরোধের উপায়

গর্ভাবস্থায় মহিলাদের বিশেষভাবে যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। এছাড়াও গর্ভবতী মহিলাদের সব সময় কৃমি থেকে দূরে থাকার প্রতিরোধের ব্যবস্থা করার প্রয়োজন। সাধারণত গর্ভবতী মায়েরা নিম্নলিখিত টিপস পালন করলে কৃমির সমস্যা থাকে না। গর্ভবতী মায়েদের কৃমি প্রতিরোধের উপায় আলোচনা করা হলো।

*টয়লেট ব্যবহারের পর সাবান ও গরম পানি দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে।
*গর্ভবতী মায়েরা গোসলের সময় ঝরনা ব্যবহার করুন। ঝরনায় গোসল করার ফলে কৃমির পানিতে ছড়াতে বাধা দেয়।
*গর্ভবতী মায়েদের কৃমি থেকে দূরে রাখতে প্রতিদিন গোসলের ব্যবস্থা করুন।
*নিয়মিত হাতের নখ কাটুন যাতে নখ বড় না হয়।
*মলদ্বারের চারপাশে ঘামাচি এড়িয়ে চলুন।
*বিছানার চাদর সহ বিছানা সব সময় গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
*গর্ভবতী মায়েদের ঘর সবসময় পরিষ্কার করুন এবং ২-৩ দিন পর পর জীবাণুননাসক দিয়ে ফ্লোর পরিষ্কার করুন।
*কোন কিছু খাওয়ার সময় হাত তিনবার সাবান দিয়ে ধুয়ে খাওয়া শুরু করুন।
*খাওয়ার পর সবসময় তুথ ব্রাশ ব্যবহার করুন।
*গর্ভবতী মহিলাদের জন্য পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করা নিরাপদ নয়।

লেখকের মন্তব্য

প্রিয় পাঠক বন্ধুগণ বাচ্চাদের গুড়া কৃমি দূর করার উপায় বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা হল। বিশেষ করে দশ বছরের কম বাচ্চাদের কৃমির সমস্যা অনেক বেশি হয়। যার কারণে বাচ্চাদেরকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে রাখতে হবে। অপরিষ্কার জায়গায় বাচ্চাদের রাখলে কৃমির সংক্রমণ বেড়ে যায়। বাচ্চাদের কৃমি হওয়ার কারণে বাচ্চারা অপুষ্টিতে ভোগে।

এছাড়াও বাচ্চাদেরকে কৃমি থেকে দূর করতে অত্যন্ত যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন। বাচ্চাদের কৃমি সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে আজকের আর্টিকেল ভিজিট করুন। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে এবং উপকৃত হবেন। কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url