মাশরুমের ১৫টি ঔষধী গুণ জানুন

সুপ্রিয় পাঠকগণ মাশরুমের ১৫টি ঔষধী গুণ জানুন বিষয়ে আজকের আর্টিকেলটি লিখতে বসলাম। আরো আলোচনা করা হবে মাশরুমে কি এলার্জি আছে। মাশরুম এর অপকারিতা। মাশরুম খাওয়ার নিয়ম। গ্যানোডার্মা মাশরুমের উপকারিতা। মাশরুমের পুষ্টিগুণ।
মাশরুম অত্যন্ত উপকারী ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাদ্য। মাশরুমে পর্যাপ্ত পরিমাণ স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। মাশরুম সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

ভূমিকা

মাশরুম ছত্রাক জাতীয় খাবার। পৃথিবীতে এ পর্যন্ত ১৪ হাজার প্রজাতির মাশরুম পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কিছু মাশরুম খাওয়া যায় ও কিছু মাশরুম ক্ষতিকর। এই জন্য মাশরুম খেতে চাইলে চাষ করে খাওয়া ভালো। চাষকৃত জনপ্রিয় মাশরুমগুলো হল বাটান মাশরুম, ওয়েস্টার মাশরুম পোর্টেবেলো মাশরুম ইত্যাদি।
সাধারণত গ্রামে মাশরুম কে ব্যাঙের ছাতা বলে। বন জঙ্গলে অনেক মাশরুম পাওয়া যায় যা বিষাক্ত। মাশরুমে প্রচুর প্রোটিন, অ্যামাইনো এসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এন্টি বায়োটিক, জিংক, মিনারেল, সেলেনিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ডি ও ভিটামিন বি বিদ্যমান। আজকের বিষয় মাশরুমের ১৫টি ঔষধী গুণ জানুন।

মাশরুমে কি এলার্জি আছে

সুপ্রিয় পাঠকগণ আমাদের শরীরে বিভিন্ন রকম রোগ জীবাণু আক্রান্ত করে। এই আক্রান্ত রোগ জীবাণুগুলো এন্টিজেন। শরীরে এগুলো রোগ প্রতিরোধ করার মত কিছু ক্ষমতা সম্পন্ন শক্তি থাকে। যাদেরকে বলা হয় অ্যান্টিবডি। সাধারণত শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকলে এন্টিজেন গুলো শরীরে আক্রান্ত করতে পারেনা।

তবে অ্যান্টিবডি দুর্বল হলে এন্টিবডি ও এন্টিজেন মিলে অ্যালার্জি হয়। আমাদের প্রাত্তা হিক খাবার ও পোষাকাদির কারণে এলার্জি কম বেশি হতে পারে। তবে একক জনের একক খাবারে এলার্জি হয়। এলার্জির কারণে ত্বক চাকা হয়ে ফুলে যায়, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, নাকদিয়ে পানি পড়া, ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। 

সাধারণত যে ব্যক্তির যেগুলো খাবারে এলার্জি হয় সেগুলো খাবার বর্জন করা প্রয়োজন। মাশরুমকে এলার্জি রোগের মহাঔষধ হিসেবে বিবেচিত করা হয়। মাশরুমে এন্টিএলার্জি কার্যকারিতা যা টাইপ ১,২,৩,৪, এলার্জি সেনসিটিভিটির উপর কার্যকরী। 

ঋষি মাশরুম ও ওয়েস্টার মাশরুম এলার্জি প্রতিরোধে পরীক্ষিত ও কার্যকরী পণ্য। অতএব আমরা এক কথায় বলতে পারি দুই একটি মাসরুম হয়তো অনেকের এলার্জি হতে পারে। তবে এলার্জির চিকিৎসা মাশরুম এর মাধ্যমে করা সম্ভব।

মাশরুমের ১৫টি ঔষধী গুণ জানুন

মাশরুম ক্লোরোফিল বিহীন ছত্রাক জাতীয় উদ্ভিদ। মাশরুম অনেক পুষ্টিকর খাবার। মাশরুমে ২৫ থেকে ৩০ ভাগ প্রোটিন রয়েছে যা গরু ও মুরগির মাংসের চাইতে বেশি। মাশরুম পুষ্টির পাশাপাশি অনেক রোগের প্রতিষেধক অথবা প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে। মাশরুমের ১৫টি ঔষধী গুণ জানুন বিষয়ে আলোচনা করা হলো।
গর্ভবতী মা ও শিশুর রোগ প্রতিরোধেঃ মাশরুমে প্রোটিন শর্করার চর্বি ভিটামিন ও মিনারেল সমন্বয়ে গঠিত। মাশরুমে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে যা গর্ভবতী মা ও শিশুদের রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও গর্ভবতী মা ও শিশুদের স্কার্ভি ও পেলেগ্রা রোগ দূর করে।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধেঃ মাশরুমে ফ্যাট ও শর্করার পরিমাণ অনেক কম অপরপক্ষে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার বেশি। যার কারণে ডায়াবেটিস রোগীরা মাশরুম খেতে পারবেন। এছাড়াও নিয়মিত মাশরুম খেলে রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ থাকে।

ত্বক ভালো রাখেঃ মাশরুম খেলে ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। মাশরুমে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে যা ত্বকের গভীরে পৌঁছে ত্বকের মৃত কোষগুলো অপসারণ করে নতুন কোষ তৈরি করে। যার কারণে ত্বক উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর হয়।

ত্বক থেকে কালো দাগ সহ বিভিন্ন চর্মরোগ দূর হয়ে যায়। এছাড়াও মাশরুমের নির্যাস থেকে খুকসি প্রতিরোধী ওষুধ তৈরি করা হয়। এছাড়া ভিটামিন সি থাকার জন্য ব্রণ ত্বক থেকে দূর হয়ে যায়।

উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ রোগ প্রতিরোধ করেঃ মাশরুম খাওয়ার মাধ্যমে রক্তচাপ ও হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। মাশরুমে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম আছে। পটাশিয়াম শরীরের রক্তনালিকাগুলোকে প্রশস্ত করে রক্ত সঞ্চালনা বৃদ্ধি করে। যার কারণে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ থাকে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ থাকার কারণে হৃদরোগের সম্ভাবনা থাকে না।

দাত হাড় ও পেশি গঠনেঃ মাশরুম খাওয়ার কারণে দাত হাড়ও পেশির স্বাস্থ্য ভালো থাকে। মাশরুমে পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের কারণে হাড়, দাঁত ও পেশি শক্তিশালী ও মজবুত হয়। জয়েন্টের ব্যথা দূর হয়। এছাড়াও মাশরুমে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি রয়েছে যা শিশুদের দাঁত ও হাড় গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধীঃ মাশরুমে বেটা ডি, ল্যামপট্রোল, টারপিনয়েড, বেনজোপাইরিন উপাদান রয়েছে যাহা ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধ করে। ফ্রান্সের অধিবাসীগণ পর্যাপ্ত মাশরুম খান।  

যাহার কারণে ফ্রান্সবাসী দাবি করেন মাশরুম খাওয়ার কারণে তাদের ক্যান্সার ও টিউমার কমে গেছে। এছাড়াও সম্প্রীতি জাপানের জাতীয় ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে মাশরুম ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিহত করে।

এইডস প্রতিরোধকঃ মাশরুমের ট্রাইটারপিন রয়েছে। এই কারণে বিশ্বে মাশরুম কে এইডস প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

আমাশয় রোগ নিরাময়েঃ মাশরুমে ইলুডিন এম ও এস আছে। এজন্য মাশরুম আমাশয়ের জন্য উপকারী।

হাইপারটেনশন এর জন্য উপকারীঃ মাশরুমে স্ফিংগলিপিড ও ভিটামিন বি ১২ ৩ বেশি পরিমাণ থাকায় স্নায়ুতন্ত্র ও স্পাইনাল কর্ড স্বাস্থ্যবান থাকে। যাহার কারণে নিয়মিত মাশরুম খেলে হাইপারটেনশন দূর হয় ও মেরুদন্ড সোজা ও শক্তিশালী থাকে।

প্রোটিনের উৎসঃ মাশরুমে পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন রয়েছে। মাশরুমে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ ভাগ প্রোটিন। এছাড়াও মাশরুম সুস্বাদু মুখরোচ ক ও সহজে হজম হয়। এছাড়াও মাশরুমে পর্যাপ্ত ট্রিপসিন নামক এনজাইম রয়েছে যাহা খাদ্য পরিপাক ও হজমে সাহায্য করে।

কিডনি রোগ প্রতিরোধেঃ মাশরুমে পর্যাপ্ত পরিমাণ নিউক্লিক অ্যাসিড রয়েছে ও আন্টি অ্যালার্জেন রয়েছে কিন্তু সোডিয়াম এর পরিমাণ কম থাকে। এই জন্য মাশরুম কিডনি রোগ ও এলার্জি রোগের প্রতিরোধক।

চুল পড়া ও পাকা প্রতিরোধ করেঃ মাশরুমে প্রচুর পরিমাণ সালফার সরবরাহকারী অ্যামাইনো এসিড রয়েছে। যাহার কারণে নিয়মিত মাশরুম খেলে চুল পড়া ও পাকা প্রতিরোধ করে।

হেপাটাইটিস বি ও জন্ডিস প্রতিরোধ করেঃ নিয়মিত মাশরুম খেলে হেপাটাইটিস বি ও জন্ডিসের মত সমস্যা দূর হয়। মাশরুমে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফলিক অ্যাসিড, আয়রন, জিংক ও লিংকজাই-৮ নামক অ্যামাইনো এসিড রয়েছে। যাহার কারণে মাশরুম হেপাটাইটিস বি ও জন্ডিস প্রতিরোধ করে।

রক্তস্বল্পতা দূর করেঃ মাশরুমে পরিত্যক্ত পরিমাণ আয়রন রয়েছে। যাহার রক্তের লোহিত রক্তকণিকাকে বৃদ্ধি করে রক্তস্বল্পতা দূর করে। এনিমিয়া রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করেঃ মাশরুমে বিভিন্ন প্রকার খনিজ লবণ রয়েছে। যাহার কারণে নিয়মিত মাশরুম খেলে দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি হয়।

মাশরুম এর অপকারিতা 

মাশরুম অনেক উপকারী খাদ্য হলেও মাশরুমের কিছু অপকারিতা রয়েছে। পৃথিবীতে প্রায় ১৪ হাজার প্রজাতির মাশরুম রয়েছে যার ২৫ ভাগ খাওয়ার উপযোগী মাশরুম। মাশরুমের অপকারিতা দিকগুলো বর্ণনা করা হলো।

*কাঁচা বা অল্প সেদ্ধ করে মাশরুম খাওয়া যাবেনা। তাতে বিষক্রিয়া হতে পারে।
*মাশরুম খেলে যাদের অ্যালার্জি হয় তাদের জন্য মাশরুম না খাওয়া ভালো।
*যাদের বদহজম অথবা হজমের সমস্যা আছে তাদের মাশরুম না খাওয়া ভালো।
*মাশরুম খাওয়ার সময় উক্ত মাশরুম বিষাক্ত কিনা ভালোভাবে জেনে নিতে হবে।
*যাদের কিডনি রোগের সমস্যা আছে তাহারাম মাশরুম খাবেন না। মাশরুম যেহেতু ছত্রাক জনিত প্রোটিন তাই কিডনি রোগীদের খাওয়া ঠিক না।
*যাদের ঘন ঘন ডায়রিয়া হয় তাদের মাশরুম খাওয়া যাবে না।
*মাশরুম বাঁশ কাঠ ও খড়ে জন্মে এদের ক্ষতি করে।

প্রাকৃতিক ভাবে জন্মায় মাশরুম যাকে আমরা ব্যাঙের ছাতা বলি এগুলো অধিকাংশই ক্ষতি কর। এদের প্রচুর বিষক্রিয়া আছে। এই ক্ষতিকর মাশরুম গুলো খেলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

মাশরুম খাওয়ার নিয়ম

মাশরুম বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। মাংসের ঝোল এ মাশরুম ব্যবহার করে খাওয়া যায়। বিভিন্ন রকম সবজির সঙ্গে মাশরুম খাওয়া যায়। মাশরুম ফ্রাই করে খাওয়া যায়। আসো মাশরুমের ফ্রাই মচমচে এবং খুব সুস্বাদু। মাশরুমের চপ তৈরি করে খাওয়া যায়। মাশরুমের সব খেতে অনেক সুস্বাদু। 
মাশরুম খেতে অনেক সুস্বাদু ও পুষ্টিকুণ সম্পন্ন দায়ী তরকারিতে মাশরুম ব্যবহার এর মাধ্যমে তরকারির পুষ্টিগুণ বাড়ানো যায়। মাশরুমের পাউডার করে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করা যায়। বাজারে মাশরুমের পাউডার পাওয়া যায়। 

মাশরুম নুডুলস এর সঙ্গে ছোট ছোট করে কেটে খাওয়া যায়। মাশরুম পাউডার চা অথবা কফিতে খাওয়া যায়। দুধ খাওয়ার সময় দুধের মাশরুম পাউডার ব্যবহার করে খাওয়া যায়। আজকের বিষয় মাশরুমের ১৫টি ঔষধী গুণ জানুন

গ্যানোডার্মা মাশরুমের উপকারিতা

গ্যানোডার্মা মাশরুম কে ঋষি মাশরুম বা লাল মাশরুমও বলা হয়। গ্যানোডার্মা মাশরুমের উপকারিতার কথা বলে শেষ করা মুশকিল। গ্যানোডার্মা মাশরুম গুলো অনেক উপকারী যাহা নিচে আলোচনা করা হলো।

*গ্যানোডার্মা মাশরুমে পর্যাপ্ত পরিমাণ পটাশিয়াম রয়েছে যার কারণে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি হয় ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ থাকে হৃদরোগের ঝুকি কমে।
*গ্যানোডার্মা মাশরুম ক্যান্সার রোগ প্রতিরোধ করে। নিয়মিত এই মাশরুম খেলে ক্যান্সার রোগের ৪৫ ভাগ পর্যন্ত ঝুঁকি কমায়।
*গ্যানোডার্মা মাশরুম টিউমারের সমস্যা দূর করে।
*গ্যানোডার্মা মাশরুম কিডনি ভালো রাখে এবং কিডনির সমস্যা হলে তা দূর করে।
*গ্যানোডার্মা মাশরুম আমাশয় রোগ ভাল করতে সহায়তা করে।
*গ্যানোডার্মা মাশরুম জন্ডিস ও হেপাটাইটিস বি প্রতিরোধ করে।
*গ্যানোডার্মা মাশরুম শরীরের বিভিন্ন রকম পুষ্টির চাহিদা মিটিয়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
*গ্যানোডার্মা মাশরুমের মোট ৪০০ টিরও বেশি গুনাগুন রয়েছে এবং ইহা পাডার আকারে পাওয়া যায়।

তাই আসুন যেহেতু গ্যানোডার্মা মাশরুম আমাদের জন্য অনেক উপকারী। এই মাশরুম খাওয়ার ফলে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ প্রস্রাবের মধ্য দিয়ে অথবা ঘামের মাধ্যমে বাহির হয়ে যায়। যার ফলে শরীরে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ হতে রক্ষা করে। আজকের আর্টিকেলের বিষয় মাশরুমের ১৫টি ঔষধী গুণ জানুন।

মাশরুমের পুষ্টিগুন

মাশরুম অনেক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ছত্রাক জাতীয় উদ্ভিদ। মাশরুমকে সুপার ফুড বলা হয়। এছাড়াও মাশরুমের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। ১০০ গ্রাম মাশরুমের পুষ্টি উপাদান গুলো ছকের সাহায্যে আলোচনা করা হলো।                          

                          পুষ্টি উপাদান

                            পরিমান

          খাদ্য শক্তি

          =২৭ কিলো ক্যালরী

          শর্করা

          =৪.১ গ্রাম

          স্নেহ পদার্থ

          =০.১ গ্রাম

          প্রোটিন

          =২৫ গ্রাম

          বি১ (থায়ামিন)

          =০.১ মিলিগ্রাম

          বি২ (রিবোফ্লাভিন)

          =০.৫ মিলিগ্রাম

          বি৩ (নায়াসিন)

          =৩.৮ মিলিগ্রাম

          বি৫ (প্যানটোথেনিক অ্যাসিড)

          =১.৫ মিলিগ্রাম

          ভিটামিন সি

          =০ মিলিগ্রাম

          ক্যালসিয়াম

          =১৮ মিলিগ্রাম

          কপার

          =০.৫ মিলিগ্রাম

          ফসফরাস

          =১২০ মিলিগ্রাম

          পটাসিয়াম

          =৪৪৮ মিলিগ্রাম

          সোডিয়াম

          =৬ মিলিগ্রাম

          জিংক

          =১.১ মিলিগ্রাম

          অ্যামাইনো অ্যাসিড

          =৯ টি 

লেখকের মন্তব্য

সুপ্রিয় পাঠকগণ মাশরুমের ১৫টি ঔষধী গুণ জানুন বিষয়ে আজকের আর্টিকেলটি লেখা হয়েছে। মাশরুম অনেক উপকারী ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ছত্রাক জাতীয় উদ্ভিদ। যা খাওয়ার মাধ্যমে আমাদের বহু স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। ১৯৬৬ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রতিটি ক্যান্সার গবেষণায় দেখা গেছে।

কোন ব্যক্তি নিয়মিত ১৮ গ্রাম করে মাশরুম খান তাহলে ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় ৪৫ ভাগ কমে যাবে। এছাড়াও মাশরুম খাওয়ার মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ রোগের ঝুঁকি কমে। তাই আসুন মাসরুম সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে আমাদের এই আর্টিকেলটি ভিজিট করুন। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url