কার্বোহাইড্রেট এর অভাবে কি হয়

সুপ্রিয় পাঠকগণ কার্বোহাইড্রেট এর অভাবে কি হয় বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শুরু করলাম। শারীরিক স্বাস্থ্য উন্নতির জন্য কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এইজন্য নিয়মতান্ত্রিকভাবে নিয়মিত কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন। কার্বোহাইড্রেট খাবার সম্পর্কে জানতে আজকের আর্টিকেল ভিজিট করুন।

ভূমিকা

আজকের আর্টিকেল কার্বোহাইড্রেট এর অভাবে কি হয়। কার্বোহাইড্রেট হলো এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ যার প্রতিটি অণুতে কার্বন এর সাথে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন এর অনুপাত ২ঃ১ হয়। কার্বোহাইড্রেটের জাতীয় খাদ্য আমাদের দেহে খুব তাড়াতাড়ি শক্তি বৃদ্ধি করে।
আমাদের মূল খাদ্য ভাত ও রুটি কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারের উৎস। এছাড়া আমাদের খাদ্যের তালিকায় বেশিরভাগ কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার থাকে। তবে বেশি কার্বোহাইড্রেট খাবার খেলে শারীরিক বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। যার কারণে নিয়ম তান্ত্রিক কার্বোহাইড্রেট খাওয়া প্রয়োজন।

কার্বোহাইড্রেট এর অভাবে কি হয়

কার্বোহাইড্রেট একটি মৌলিক পুষ্টি উপাদান যা শরীরকে কাজ করার জন্য শক্তি যোগায়। আমাদের জন্য কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাওয়া অত্যান্ত প্রয়োজন। পর্যাপ্ত কার্বাইড না থাকলে চর্বি গুলো ভেঙ্গে যায়। এছাড়া কার্বোহাইড্রেট এর অভাবে শরীর অপুষ্টিতে ভোগে। আসুন জেনে নেই কার্বোহাইড্রেট এর অভাবে কি হয়।

ওজন কমবেঃ কম আর কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করলে শরীরের ওজন কমে যায়। কার্বোহাইড্রেট এর অভাবে শরীরে গ্লাইকোজেন কমে যায়। গ্লাইকোজেন শরীরে পানি ধরে রাখতে সহায়তা করে। যার কারণে কম কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করলে শরীরের ওজন কমা শুরু হয়। সাধারণত কার্বোহাইড্রেট এর অভাবে চর্বি ভাঙতে দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় লাগে।

শরীরের দুর্বলতা তৈরি হয়ঃ কম কার্বোহাইড এর ফলে শরীরের দুর্বলতা ক্লান্তি মাথা ঘোরা মাথা ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও আরও বিভিন্ন রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে যেমন পেট ব্যথা বহু নিয়ম অথবা ভূমি হতে পারে। মনে করেন ফল মটরশুঁটির শাকসবজি ও গোটা শস্য থেকে পর্যাপ্ত পুষ্টি না পাওয়ার কারণে এই সমস্যাগুলো হয়।

মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলতে পারেঃ শরীর রক্তে স্বাভাবিক শর্করা মাত্রা বজায় রাখার চেষ্টা করতে হবে। শর্করার পরিমাণ কমে গেলে মস্তিষ্কে প্রভাব পড়ে। যার ফলে ঘুমাতে কষ্ট হয় এবং খুব ক্লান্ত বোধ তৈরি করে। আস্তে আস্তে মস্তিষ্ককে অস্পষ্ট করে তুলতে পারে। এছাড়া কার্বোহাইড্রেট এর অভাবে বিভিন্ন রকম স্নায়ুবিক সমস্যা তৈরী হয়।

 অ্যাসিডিটি ও কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারেঃ কম কার্বোহাইড্রেট এর ফলে শরীরে ফাইবার কমে যায়। যার কারণে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্যতা দেখা দেয়। পেট সব সময় ভরা অবস্থা অথবা পেট ব্যথা হতে পারে। এছাড়া শরীরে কার্বোহাইড্রেট এর অভাব থাকলে শরীরে ইলেকট্রোলাইট কমে যায়। কার্বোহাইড্রেট এর অভাবে পাকস্থলিতে সংক্রমনের সমস্যা হয়।

নিশ্বাসের গন্ধ হতে পারেঃ শরীর যখন কার্বোহাইডের পরিবর্তে ফ্যাটি এসিডের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে তখন নিঃশ্বাসের মাধ্যমে এসিটোন হিসেবে নির্গত হয়। এসিটোন নির্গত হওয়ার কারণে মুখে ও নিঃশ্বাসে এক ধরনের গন্ধ তৈরি হয়। এছাড়াও মুখ শুষ্ক থাকে ও নিঃশ্বাসে গন্ধ হয়। কার্বোহাইড্রেট এর অভাবের পেটে গ্যাস হওয়ার কারনে নিশ্বাসে গন্ধ হয়।

রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়ঃ কার্বোহাইড্রেট এর অভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়। তবে ডায়াবেটিস থাকলে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যাওয়া ভালো তবে কিটোসিসে হাইপো গ্লাইসেমিয়া ঝুঁকি থাকে। এছাড়া আর রক্তের শর্করা খুব বেশি কমে গেলে শারীরিক বিভিন্ন জটিলতায় আক্রান্ত হতে পারে।

হৃদযন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলতে পারেঃ কার্বোহাইড্রেট এর অভাবে শরীরের চর্বি পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। শরীরে ফ্যাট গ্রহণ পাচ থেকে ছয় শতাংশের বেশি হওয়া ঠিক নয়। শরীরে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কম হলে অ্যাভোকাটা, জলপাই, এবং বাদামের মতো স্বাস্থ্যকর ফ্যাট গ্রহণ করতে হবে। 

আচরণের উপর প্রভাব পড়েঃ কার্বোহাইড্রেট এর অভাব হলে মানসিক অবস্থা অনেক খারাপ হয়ে যায়। সব সময় বিরক্তিভাব তৈরি হয়। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যারা কম কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করেন তাদের মস্তিষ্কে কম চর্বিযুক্ত খাবারের তুলনায় কম সেরেটোনিন থাকে। সেরোটোনিন মানসিক উৎকণ্ঠা ও বিষণ্নতা দূর করে।

লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেঃ কার্বোহাইড্রেট এর অভাব হলে অনেক সময় চর্বির পরিমাণ বেড়ে যায়। চর্বির পরিমাণ বেড়ে গেলে লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। লিভারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য পরিমান মত শর্করা গ্রহনের প্রয়োজন।

কিডনির সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারেঃ কার্বোহাইড্রেটের অভাব হলে শরীরে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেড়ে যায় যা কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। গবেষণাগারে দেখা গেছে লাল মাংস বেশি গ্রহণ করলে এবং শস্য দানা কম খেলে কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনার 97 ভাগ বেশি হয়।

কার্বোহাইড্রেট বিহীন খাবার তালিকা

আজকের আর্টিকেল কার্বোহাইড্রেট এর অভাবে কি হয়। যদি খাবারের তালিকায় কার্বোহাইড্রেট কম রাখার চেষ্টা করা হয় তাহলে কার্বোহাইড্রেট বিহীন খাদ্য গুলো বাছাই করে নেওয়া যেতে পারে। স্বাস্থ্য ও শারীরিক সমাজ সমস্যা দূর করতে নিম্নলিখিত কার্বোহাইড্রেট বিহীন খাবারগুলো তালিকায় রাখা যেতে পারে।
পালং শাকঃ পালং শাকের কার্বোহাইডের পরিমাণ কম থাকে। পালং শাক অত্যন্ত উপাদেয় খাবার যাতে ভিটামিন সি এর পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। যার কারণে খাবারের তালিকায় নিয়মিত পালং শাক রাখা যেতে পারে। এছাড়া পালং শাকে পর্যাপ্ত পরিমান প্রটিন ও বিভিন্ন খনিজ পদার্থ বিদ্যমান।

ব্রকলিঃ ব্রকলিতে কার্বোহাইড্রেট এর পরিমাণ অনেক কম থাকে। তবে ইহা ভিটামিন খনিজ ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার। এছাড়া ব্রকলিতে ভিটামিন সি রয়েছে যা রোগ প্রতিরোধ. ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এইজন্য নিয়মিত ব্রকলি খাওয়া যেতে পারে।

ফুলকপিঃ ফুলকপি কার্বোহাইড্রেট বিহীন খাবার। ফুলকপিতে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি রয়েছে। শারীরিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য নিয়মিত ফুলকপি খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া ফুলকপি খাওয়ার মাধ্যমে শরীর থেকে ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

ক্যাপসিকামঃ সব ধরনের ক্যাপসিকামে কার্বোহাইড্রেট এর পরিমাণ কম থাকে। ক্যাপসিকাম ভিটামিন সি সহ বিভিন্ন খনিজ পদার্থ ও ফাইবারে ভরপুর। শারীরিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত ক্যাপসিকাম খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া ক্যাপসিকাম খাওয়ার মাধ্যমে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়।

শসাঃ শসা কম কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার। এছাড়া শসাতে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি, খনিজ উপাদান ও ফাইবার বিদ্যমান। যারা স্থূলতায় ভুগেন তাদের নিয়মিত শসা খাওয়ার মাধ্যমে শারীরিক ওজন অনেক কমে যায়। শারীরিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত শসা খাওয়া যেতে পারে।

মিষ্টি কুমড়াঃ মিষ্টি কুমড়া কম কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার। মিষ্টি কুমড়ায় পর্যন্ত ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি রয়েছে। যার কারনে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত মিষ্টি কুমড়া খাওয়া যেতে পারে।

অ্যাসপারাগাসঃ অ্যাসপারাগাস কম কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার। অ্যাসপারাগাস পর্যাপ্ত ফোলেট ও ভিটামিন কে এর মত পুষ্টিতে ভরপুর। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অ্যাসপারাগাস জাতীয় খাদ্য খাওয়া যেতে পারে।

সেলারিঃ স্যালারি কম কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার। স্যালারি সাধারণত ক্যালোরি ও স্ন্যকিং এর জন্য ভালো।

লেটুসঃ লেটুস কম কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার। পর্যাপ্ত ভিটামিন সি বিভিন্ন খনিজ উপাদান ও ফাইবার বিদ্যমান। স্বাস্থ্য উপকারিতায় নিয়মিত লেটুস খাওয়া যেতে পারে।

মুরগির মাংসঃ মুরগির মাংস কম কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার। তবে ইহা প্রোটিনের ভালো উৎস। যার কারণে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত মুরগির মাংস খাওয়া যেতে পারে।

স্যালমনঃ স্যালমনে কার্বোহাইড্রেট এর পরিমাণ অনেক কম। তবে স্যালমন ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ওমেগা ৩ জাতীয় খাবার স্যালমন নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে।

ডিমঃ ডিম একটি কার্বোহাইডেট বিহীন খাবার। তবে ডিম প্রোটিনের ভালো উৎস। এছাড়া ডিমে পর্যাপ্ত ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে। আমরা হাতের নাগালে সাশ্রয়ী দামে ডিম পেতে পাই। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত ডিম খাওয়া যেতে পারে। ডিমকে সুপার ফুড বলা হয় যা গুড ফ্যাটের একমাত্র ভাল উৎস্য।

পনিরঃ পনির কম কার্বাইড এর যুক্ত খাবার। তবে পনির খাওয়া আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমরা নিয়মিত পনির খেতে পারি।

অ্যাভোকাডোঃ অ্যাভোকাডো কম কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার। এছাড়াও এবং করাতে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান রয়েছে। অ্যাভোকাডো একটি পুষ্টি সমৃদ্ধ ফল। যার কারণে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত অ্যাভোকাডো খাওয়া যেতে পারে।

নারিকেলের তেলঃ নারিকেলের তেল কার্বোহাইড্রেট বিহীন খাবার। স্বাস্থ্য রক্ষা সুরক্ষায় সকল ধরনের সবজি রান্নার ক্ষেত্রে নারিকেলের তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া চুল ও ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষায় নারিকেলের তেল অত্যন্ত কার্যকর। নারকেলের তেল রান্নাবান্নায় ব্যবহার করায় রান্না অত্যন্ত পুষ্টি সমৃদ্ধ হয়। 

কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারের উপকারিতা

কার্বোহাইড্রেট আমাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের উপকার করে। এছাড়া আমাদের খাদ্য তালিকায় শর্করা পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। আমাদের প্রধান খাদ্য ভাত ও রুটির শর্করা জাতীয় খাদ্য। যার কারণে শর্করার উপকারিতা গুলো আলোচনা করা হলো।
*কার্বোহাইড্রেট শরীরের শক্তির উৎস। যার কারণে দেহের শক্তি বৃদ্ধি করতে নিয়মিত কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন।
*কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাওয়ার মাধ্যমে।দেহে প্রয়োজনীয় শক্তি জমা রাখে।
*আমাদের পেশির পরিমাণ ঠিক রাখতে এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কার্বাইড জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন।
*কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারে ডায়েটারি ফাইবার রয়েছে। ব্যাটারি ফাইবারের কারণে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
*গ্লুকোজ খুব তাড়াতাড়ি শরীরে মিশে দ্রুত শক্তি বৃদ্ধি করে।
*আমাদের মস্তিষ্ক গ্লুকোজ থেকে শক্তি গ্রহণ করে সচল থাকে।

কার্বোহাইড্রেট বেশি খেলে কি হয়

আজকের আর্টিকেল কার্বোহাইড্রেট এর অভাবে কি হয়। কার্বোহাইড্রেট এর পরিমাণ শরীরে বেশি হলে নানারকম সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে বেশি কার্বোহাইড্রেট খেলে শারীরিক ওজন বৃদ্ধি হতে পারে। বেশি কার্বোহাইড্রেট খেলে যে সমস্যা হতে পারে তা আলোচনা করা হলো।

*বেশি কার্বোহাইড্র বাহারের খেলে শরীরের ওজন বৃদ্ধি পায়।
*বেশি কার্বোহাইড্রেট খেলে অর্থই কিসের অর্থাই ঝুঁকি বেড়ে যায় যার কারণে হাত পা ও জয়েন্টে ব্যথা হয়।
*বেশি কার্বোহাইড্রেট খেলে শরীরে অত্যাধিক চর্বি জমা শুরু হয়।
*বেশি কার্বোহাইড্রেট খেলে টাইপ 2 ডায়াবেটিস এর ঝুঁকি বেড়ে যায়।
*বেশি শর্করা জাতীয় খাদ্য খেলে হৃদরোগের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
*ক্যান্সার ও টিউমারের কোষ গুলো বৃদ্ধি হওয়ার জন্য বেশি কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার দায়ী থাকে।
*মহিলাদের ব্যাকটেরিয়াল ভেজাইনোসিস সমস্যা অনেকটাই শর্করা বেশি খেলে হয়।
*শরীরে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেড়ে গেলে শরীরের একটা ইন্সুলিন তৈরি করতে থাকে। যার কারনে ইনসুলিন রেসিস্টেন্স সমস্যা হতে পারে।

লেখকের মন্তব্য

প্রিয় পাঠক বন্ধুগণ কার্বোহাইড্রেট এর অভাবে কি হয় এ বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শেষ হল। আমাদের দেহে যে কয়টি অত্যাবশ্রিয় খাদ্য তার মধ্যে কার্বোহাইড্রেট এর অন্যতম। তবে বেশি পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট খেলে শারীরিক অনেক ঝুঁকি বেড়ে যায়।যার কারণে নিয়ম তান্ত্রিক কার্বোহাইড্রেট খাওয়া ভালো।

কার্বোহাইড্রেট সম্পর্কে আজকের আধুনিকের লেখা হইছে। এজন্য আজকের আর্টিকেল আপনারা ভিজিট করুন। আশা করি আজকের আর্টিকেল আপনাদের ভালো লাগবে এবং উপকৃত হবেন। কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url