কোমর ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যায়াম

সুপ্রিয় পাঠকগণ আজকের বিষয় কোমর ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যায়াম। কোমরের ব্যথা অত্যাধিক মারাত্মক। অধিকাংশ লোক এই কোমরের ব্যথায় ভোগে। আলোচনা করা হবে কোমরের সামনের ব্যথা পিছনের ব্যথা।কোমরে দুই পাশে ব্যথা এর কারণ কি।
কোমরের ব্যথা থেকে কিভাবে প্রতিকার পাওয়া যাবে। এগুলো বিষয়ে গুগল সহ অন্যান্য মাধ্যম বিশ্লেষণ করে আলোচনা করা হবে। এগুলো বিষয় জানার জন্য আমাদের সঙ্গে থাকুন।

ভূমিকা

প্রিয় পাঠকগন আজকের আর্টিকেল কোমর ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যায়াম। আপনারা হয়তো জানতে চাচ্ছেন কোমরের ব্যথা থেকে কি ভাবে বাঁচা যাবে। কোমরের ব্যথা অত্যন্ত মারাত্মক। সাধারণত কোন কাজ করতে কোমরে লাগলে ব্যথা হয়। এছাড়া বয়স ৪০ বছর এর উর্ধ্বে হলে যে কোন কারণে কোমরে ব্যথা হতে পারে।
কিডনি জনিত কোন সমস্যা থাকলেও কোমরের ব্যথা হয়। এছাড়া হঠাৎ করে কোথাও পড়ে গেলে সেখান থেকে কোমরে ব্যথা হতে পারে। সাধারণত ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে কোমরে ব্যথা হতে পারে। যার কারণে খাবারের তালিকায় ক্যালসিয়াম ভিটামিন ডি ও ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় খাবার রাখা যেতে পারে।

যেভাবেই কোমরের ব্যথা হোক না কেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। আমাদের চলাফেরা সহ যাবতীয় কাজকর্মে কোমরের ব্যথা হলে বাঁধা পড়ে। আজকের বিষয় কোমর ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যায়াম।

কোমর ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যায়াম

কোমরের ব্যথা অতি সাধারন একটি সমস্যা। সাধারণত হাঁটা চলাফেরা অথবা প্রাত্তাহিক কাজকর্মে কোন সমস্যা হলে কোমর ব্যথা হয়। হাঁটা চলাফেরা ও অন্যান্য কাজকর্মে একটু সাবধানতা অবলম্বন করলে কোমর ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

কিছু ব্যায়াম আছে যেগুলো ব্যায়াম করার মাধ্যমে কোমর ব্যথা ভালো হয়। এই ব্যায়ামগুলো প্রতিদিন সকাল ও রাত্রিতে ঘরে শুয়ে করতে পারেন।

সমতল হালকা নরম বিছানায় চিত হয়ে শুতে হবে। শোয়ার সময় দু হাত দু সাইডে বিছিয়ে দিতে হবে আর পা সোজা করে দিয়ে শুতে হবে।

প্রথমের ডান পা ভাজ না করে হালকা করে জাগানো শুরু করুন এভাবে ১০ সেকেন্ড পা তুলে রাখুন। পরবর্তীতে বাম পা আবার সোজা করে জাগান এবং ১০ সেকেন্ড পা তুলে রাখুন।

দ্বিতীয়বারে দুই পা ভাজ না করে তুলুন এবং ১০ সেকেন্ড অবস্থান করুন। ১০ সেকেন্ড পরে পা নামিয়ে ফেলুন।

তৃতীয়বারে একটি হাঁটু দুই হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরুন এবং বুকে লাগানোর চেষ্টা করুন। ১০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। ১০ সেকেন্ড পরে আবার হাঁটুর বুকের সঙ্গে লাগানোর চেষ্টা করুন।

চতুর্থ ধাপ দুই হাঁটু হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরুন। অতঃপর মুখের সাথে লাগানোর চেষ্টা করুন এবং ১০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন।

পঞ্চম ধাপটি হলো দু'পা সোজা করে পায়ের পাতার দিকে তাকান এবং ১০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। প্রতিবারের দশ সেকেন্ড অথবা ১ থেকে ১০ পর্যন্ত গণনার সময় অপেক্ষা করতে হবে।

এই ব্যায়ামটি সকালে এবং রাতে দুইবার করতে হবে। এই ব্যায়াম করার মাধ্যমে কোমরের মাংসপেশির প্রদাহ কমায় এবং মাংসপেশী শক্তিশালী করে। আস্তে আস্তে কোমরে ব্যথাও ভালো হয়ে যায়।

কোমরের পিছনে ব্যাথার কারণ

আজকে আমাদের বিষয় কোমর ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যায়াম। পুরুষের তুলনায় নারীরা বেশি কমরের পিছনের ব্যথায় ভোগেন। শতকরা ৯০ ভাগ মানুষ কোন না কোন সময় কোমরের পিছনে অথবা পিঠের ব্যথায় ভোগেন। কোমরের পিছনের অংশ ও পিঠের ব্যথা ভোগার নির্দিষ্ট কিছু কারণ আছে যা আলোচনা করা হলো।
*দীর্ঘক্ষণ ধরে চেয়ারে বসে কোন কাজ করলে কোমর ও পিঠের ব্যথা হয়। এই ক্ষেত্রে কিছুক্ষণ কাজ করে একটু হাঁটাহাঁটি পরে আবার কাজ করতে পারেন।
*সাধারণত গর্ভবতী মেয়েরা গর্ভাবস্থায় কোমরের পিছনে ও পিঠের ব্যথায় ভোগেন। গর্ভকালীন সময় শরীরের ওজন বেশি হয়ে যায়। যার কারণে পেশি ও সন্ধি দুর্বল হয়ে যায়। যার কারণে কোমরের পিছনে ও পিঠে ব্যথা হবে।
*অস্টিওপরোসিস রোগের কারণে পিঠ ও কোমরের ব্যথা হতে পারে।
*অতিরিক্ত শরীরের ওজন হলে কমরের ও পিঠের ব্যথা হয়। এই ক্ষেত্রে শরীর থেকে অতিরিক্ত ওজন ঝরিয়ে ফেলতে হবে।
*প্রযুক্তি নির্ভরতা কারণের জন্য অতিরিক্ত সময় কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যবহার করার জন্য চেয়ারে বসে থাকার কারণে পিঠ ও কোমরের ব্যথা হয়। সেই ক্ষেত্রে কিছুক্ষণ কাজ করার পরে আবার উঠে ঘুরে আবার কাজ করাটাই ভালো।
*এছাড়াও কাজকর্ম করিবার কারণে ও অতিরিক্ত ভারী জিনিস গ্রহণের কারণে পিঠ ও কোমরে ব্যথা হতে পারে
*এইজন্য ভারী কোন জিনিস বহনের সময় সতর্কতার সাথে করতে হবে। তবে যেভাবেই ব্যথা হোক না কেন ব্যথাগুলোর সারিয়ে তোলার প্রয়োজন।
*এছাড়াও ব্যথা দূর করার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করলে মাংসপেশী ও সন্ধিগুলো অনেক শক্তিশালী হয় যার কারণে ব্যথার পরিমাণ কম হয়।

মহিলাদের কোমর ব্যথার কারণ

সুপ্রিয় পাঠকগণ আসুন আজকে আমাদের বিষয় কোমর ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যায়াম। আরো জেনে নিই মহিলাদের কোমরের ব্যথার কারণ।

মহিলাদের কোমরের ব্যথা খুব বেশি হয়। পুরুষের চাইতে মহিলাদের কোমরের ব্যথা অত্যন্ত মারাত্মক। মহিলাদের কোমরের ব্যথার কারণ গুলো আলোচনা করা হলোঃ

মাসিকঃ মহিলাদের মাসিকের সময় জরায়ু সংকুচিত হয়। জরায়ুর সংকুচিত হওয়ার ফলে মহিলাদের কোমরের ব্যথা হয়।

গর্ভকালীন সময়ঃ মহিলাদের গর্ভকালীন সময়ে শরীরের ওজন অনেক বেড়ে যায়। এছাড়াও গর্ভকালীন সময়ে হরমোনের বিভিন্ন পরিবর্তন হয়। যার কারনে গর্ভকালীন সময় মহিলাদের কোমরের ব্যথা হয়।

পেশি টান পড়লেঃ অনেক সময় ভারী জিনিস তুলতে অথবা বিভিন্নভাবে বসতে অথবা শুয়ে থাকার মধ্যে পা বাঁকা করলে। এছাড়া ব্যায়াম করার সময় পেশিতে টান লাগতে পারে। পেশিতে টান লাগলে কোমরের ব্যথা হয়।

মেরুদন্ডের সমস্যার কারণেঃ স্পন্ডিলাইটিস,অস্টিওআরথারাইটিসের মতো মেরুদন্ডের সমস্যার কারণে কোমরে ব্যথা হতে পারে।

মানসিক উদ্যোগঃ পুরুষদের মত মেয়েদেরও মানসিক চাপ থাকতে পারে। মানসিক চাপ বৃদ্ধির কারণে অনেক সময় কোমরে ব্যথা হয়।

অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনঃ পুরুষদের মত মেয়েরাও বিভিন্ন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকতে পারে। যেমন অ্যালকোহল গ্রহণ ধূমপান পান ও ব্যয়াম বিহীন চলাফেরা করার কারণে কোমরে ব্যথা হতে পারে।

কিডনির সমস্যা কারণেঃ মহিলাদের কিডনির ইনফেকশন অথবা কিডনিতে পাথর ইত্যাদি সমস্যার কারণে মহিলাদের কোমরের ব্যথা হতে পারে। এছাড়াও বিভিন্ন ভারী কাজ অথবা পড়ে মাজায় লাগলে কোমরের ব্যথা হয়।

কোমরের ব্যথা কেন হয়

অধিকাংশ মানুষের কোমরের ব্যথা জনিত সমস্যা বিদ্যমান। শতকরা ৯০ ভাগ মানুষেরা জীবনে কোন না কোন সময় কমরের ব্যথায় ভোগেন। কোমরের ব্যথার জন্য বিভিন্ন কারণ আছে। কারণগুলো বর্ণনা করা হলো।
লাম্বার স্পনডোলাইসিস সমস্যাঃ মানুষের মাজায় পাঁচটি হাড় আছে। হারগুলি যদি বয়সের কারণে ক্ষয় হয়ে যায় অথবা বংশীয় কারনে ক্ষয় হয়ে যায় তাহলে এই প্রক্রিয়াকে লাম্বার স্পনডোলাইসিস বলে। এই সমস্যার কারণে কোমরের ব্যথা হয়।

হাড়ের ফাঁকা জায়গার ডিক্স বাহির হলেঃ সাধারণত মানুষের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছর হলে হাড়ের ভিতর শ্বাসের মতো ডিস্ক বা চাকরি থাকে। বয়সের কারণে অথবা স্নায়রুজ্জুতে চাপ পড়ার কারণে এই ডিক্স বাহির হইতে পারে। যার কারনে কোমরে ব্যথা হতে পারে।

আঘাত লাগলেঃ কোমরে কোন আঘাত লাগলে অথবা বুকে ব্যথা হলে অথবা যক্ষা হলে কোমরের ব্যথা হতে পারে।

ক্যান্সারের কারণেঃ শরীরে ক্যান্সার অথবা অস্টিওপোরোসিস অথবা এইডস হলে মাজার ব্যাথা হতে পারে। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে স্টেরয়েড ওষুধ সেবন এর কারণে মাজার ব্যাথা হতে পারে।

শরীর ব্যথার কারণেঃ শরীরে ব্যথা হলে অথবা জ্বর কাশি হলে ওজন হ্রাস, অরুচি, অতিরিক্ত ঘাম, শরীরের অন্যান্য জায়গায় ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা থাকলে উক্ত সমস্যার কারণে কোমর ব্যথা হতে পারে।

প্রস্রাব পায়খানার সমস্যাঃ প্রস্রাব পায়খানার সমস্যা হলে অথবা পাইলস সমস্যা হলে কোমরে ব্যথা হতে পারে।

বাথরুমে বসার কারণেঃ যাদের কমোড ব্যবহার করার অভ্যাস আছে সে সকল ব্যক্তিগণ যদি সিম্পল পায়খানায় বসে পায়খানা করেন তাহলে কোমরের ব্যাথা হতে পারে।

ভারত্তোলনঃ অনেক ভারী জিনিস উঠানো নামানো অথবা ভারী জিনিস নিয়ে চলাফেরা করার কারণে কোমরে আঘাত লাগতে পারে। যার কারনে কোমরে ব্যথা হতে পারে।

এছাড়াও আরো অনেক কারণে কোমরে ব্যথা হতে পারে যে কারণেই কোমরে ব্যথা হোক না কেন তাড়াতাড়ি চিকিৎসা করার প্রয়োজন।

মহিলাদের কোমর ব্যথার প্রতিকার

প্রিয় পাঠক আজকে আমাদের বিষয় কোমর ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যায়াম। মহিলাদের কোমরের ব্যথা বেশি হয়। তবে কোমরের ব্যথা হলে খুব তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। মহিলাদের কোমরের ব্যথার প্রতিকারের ঘরোয়া বিষয়ে আলোচনা করা হলোঃ

শেক দেওয়াঃ কোমরের যেকোনো জায়গায় ব্যথা হলে গরম শেক দিলে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যায়। এই ক্ষেত্রে ব্যথার জায়গায় একটি কাপড় গরম করে আস্তে আস্তে শেক দিবেন। কয়েকদিন শেক দিলেই ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

আদা খাওয়ার মাধ্যমেঃ আদাতের প্রচুর পটাশিয়াম আছে। পটাশিয়াম নার্ভের সমস্যা দূর করে। এইজন্য প্রতিদিন নিয়ম মেনে আদা খেলে কোমরের ব্যথা দূর হয়।

হলুদ ও দুধ খাওয়াঃ হলুদে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি ও অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান রয়েছে। যার কারণে হলুদের মাধ্যমে মহিলাদের কোমরের ব্যথা নিরাময় হয়। কয়েকদিন দুধের সঙ্গে হলুদ মিশ্রিত করে খেলে কোমরে ব্যথা নিরাময় হয়।

মেথি ব্যবহারঃ প্রথমে মেথি গুড়া করে নিতে হবে। অতঃপর মেথির গুড়া গুঁড়ো দুধ অথবা ঘি এর সঙ্গে মিশিয়ে কোমরের ব্যথার জায়গায় মালিশ করলে কোমরে ব্যথা নিরাময় হয়। এছাড়া আর নিয়মিত মেথি মিশ্রিত পানি খেলে কোমরে ব্যথা নিরাময় হয়।

লেবুর শরবতঃ লেবু ভিটামিন সি এর উৎস। ভিটামিন সি বিভিন্ন জায়গার ব্যথা কমায়। এজন্য কয়েকদিন লেবু দিয়ে পানি সরবত বানিয়ে খাওয়ার মাধ্যমে কোমরে ব্যথা নিরাময় হয়।

অ্যালোভেরা খাওয়াঃ অ্যালোভেরা বিভিন্ন ওষুধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কয়েকদিন নিয়ম মেনে অ্যালোভেরার শরবত খেলে কোমরের ব্যথা ভাল হয়।

ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় খাবারঃ ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম এর অভাবে কোমরের ব্যথা হতে পারে। এছাড়া ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম গ্রহণের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যার কারণে নিয়মিত ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন ডি জাতীয় খাবার খাবারের তালিকায় রাখা প্রয়োজন। প্রতিদিন ফল দুধ শাকসবজি বাদাম কাঠবাদাম চিনা বাদাম ইত্যাদি খাওয়ার মাধ্যমে কোমরের ব্যথা নিরাময় হয়।

ব্যায়াম এর মাধ্যমেঃ নিয়মিত ব্যায়াম করলে কোমরে ব্যথা নিরাময় হয়। নিয়মিত ব্যায়াম করার ফলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি হয়। এছাড়া ব্যায়াম এর মাধ্যমে শরীরের হাড় ও পেশি শক্তিশালী হয়। যার কারণে কোমরের ব্যথা নিরাময়ে নিয়মিত ব্যায়াম করা যেতে পারে।

বিশ্রামঃ কয়েকদিন নিয়মিত বিশ্রাম গ্রহণের ফলে মহিলাদের কোমরে ব্যথা নিরাময় হয়।

ওজন নিয়ন্ত্রণঃ যাদের ওজন বেশি তাদের কোমরে ব্যথা বেশি হয়। যার কারণে ওজন কমিয়ে ফেলতে হবে। তাহলে মাজার ব্যাথা নিরাময় হবে। এরপরেও সাধারণত মহিলাদের ওঠা বসার ক্ষেত্রে নিয়ম পালন করতে হবে।

ভারী কোন জিনিসপত্র সাবধানে উঠাতে হবে। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় খাবার বেশি খেতে হবে। তাহলে আশা করা যায় কোমর ব্যাথা হতে মুক্তি পাওয়া যাবে।

লেখকের মন্তব্য

সুপ্রিয় পাঠকগণ আজকে আমাদের বিষয় কোমর ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা ব্যায়াম। এছাড়াও আজকে আলোচনা করা হয়েছে কোমরের ব্যথার সমস্যা। ব্যথা কেন হয়। মহিলাদের কোমরের ব্যথা কেন হয়।মহিলাদের কোমরে ব্যথা নিরাময়ের ঘরোয়া পদ্ধতি।

আরো বহু কিছু আলোচনা করা হয়েছে। আজকের বিষয়গুলো জানার জন্য এই কনটেন্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়বেন।আশা করি আপনারা অনেক কিছু জানতে পারবেন। ভালো কিছু জানার থাকলে বন্ধুদের মাঝে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url