গ্যাসে বমি বমি ভাব দূর করার উপায়

সুপ্রিয় পাঠক বন্ধুগণ গ্যাসে বমি বমি ভাব দূর করার উপায় বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শুরু করলাম। আরো লেখা হয়েছে বাসে উঠলে বমি হয় কেন। গ্যাসে বমি বমি ভাব হওয়ার কারণ।
এগুলো বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এগুলো বিষয় সম্পর্কে জানতে আজকের আর্টিকেলের সঙ্গে থাকুন।

ভূমিকা

আজকের আর্টিকেল গ্যাসে বমি বমি ভাব দূর করার উপায়। পাকস্থলীর মধ্য থেকে পরিপাককৃত খাদ্য সমূহ অনিচ্ছা শর্তেও স্বজরে মুখ ও নাক দিয়ে বাহিরে বের হয়ে আসা কে বমণ বলে। তবে বাচ্চাদের খাবার পছন্দ না হলে গলা থেকে বাহির করে দিয়ে দেয় সেটা বমি নয় তাকে বলা হয় উগরে দেওয়া। এছাড়া কোন গ্যাসীয় পদার্থ পাকস্থলী থেকে মুখ দিয়ে বাহির হলে ঢেকুর বলে।
বমির ফলে মস্তিষ্কে নানা রকম প্রভাব পড়ে। এছাড়া বমির পূর্বে বমি বমি ভাব হতে পারে। বমির পূর্বে মুখ দিয়ে এক ধরনের লালা বাহির হতে পারে। এই লালার পরিমাণ আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পেয়ে বমন হয়। বিভিন্ন রকম ঔষধ ব্যবহার করে বমন দূর করা যায়। এছাড়াও ঘরোয়াভাবে বমন দূর করার জন্য বিভিন্ন রকম পদ্ধতি অবলম্বন করা যায়।

গ্যাসে বমি বমি ভাব দূর করার উপায়

আজকের আর্টিকেল গ্যাসে বমি বমি ভাব দূর করার উপায়। সাধারণত গ্যাসের কারণে বমি বমি ভাব হতে পারে। এসব বিভিন্ন রকম সমস্যার কারণে বমি বমি ভাব হতে পারে। হঠাৎ করে বমি বমি ভাব হলে অত্যন্ত অসস্থি তৈরি হয়। বিশেষ করে খাবার রুচি থাকে না এবং শরীর দুর্বল হয়ে যায়। কোন কাজে মন বসে না। গ্যাসে বমি বমি ভাব দূর করার উপায় গুলো আলোচনা করা হলো।

লেবু খাওয়ার মাধ্যমেঃ লেবুতে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি রয়েছে যার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও শারীরিক অস্বস্তি দূর করে। বমি বমি ভাব দূর করতে লেবু অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। যদি গ্যাসের কারণে বমি বমি ভাব হয় তাহলে এক গ্লাস কুসুম কুসুম গরম পানিতে লেবু মিশ্রিত করে সঙ্গে একটু লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন। 

আদা খাওয়ার মাধ্যমেঃ গ্যাসের কারণে বমি বমি ভাব হলে অথবা পেটের কোন সমস্যা হলে আগা খাওয়ার মাধ্যমে সমস্যা নিরাময় হয়। আদা আদা এন্টি ইনফ্লামেটরি বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন যার কারণে পাকস্থলীর বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। যদি বমির উদ্বেগ হয় তাহলে আদা কুচি করে বা আদার রস খাওয়ার মাধ্যমে বমি ভাব দূর হয়। ১ টুকরা আদা মুখে রাখলে বমি হওয়ার উদ্রেক দূর হয়।

পুদিনা পাতার তেল ব্যবহারঃ বমি বমি ভাব দূর করতে পুদিনা পাতার তেল ব্যবহারের নিরাময় করা যায়। বিভিন্ন গবেষণা মাধ্যমে জানা গেছে গ্যাসের কারণে বমি ভাব দূর করতে পুদিনা পাতা অত্যন্ত কার্যকর। বমি বমি ভাব হলে হাতের তালুতে পুদিনা পাতার তেল নিয়ে সুগন্ধি গ্রহণের মাধ্যমে নিরাময় করা যায়।

সাদা এলাচ ব্যবহারের মাধ্যমেঃ গ্যাসের কারণে বমি বমি ভাব দূর করতে সাদা এলাচ অত্যন্ত কার্যকর। বমি বমি ভাব হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুখে একটি এলাচ রেখে দিন। দেখা যাবে আস্তে আস্তে বমি হওয়ার সমস্যা কমে যাবে। পুষ্টি বিশেষজ্ঞগণেরা মনে করেন সাদা এলাচ বমি ভাব দূর করতে সহায়ক।

বিভিন্ন ধরনের মসলা ব্যবহারঃ বমি বমি ভাব দূর করতে কিছু মসলা অত্যন্ত কার্যকর। মৌরি, দারুচিনি, ও ভাজা জিরা, খাওয়ার মাধ্যমে বমি বমি ভাব দূর করা যায়। এছাড়া এগুলো মসলা দিয়ে চা তৈরি করে এক খেলেও বমি বমি ভাব দূর হয়। এগুলো মসলা ভেজে কাছে রাখতে পারেন যখন বমি ভাব হবে খেয়ে নিবেন তাহলে সমস্যা দূর হবে।

পেপারমিন্ট ব্যবহারের মাধ্যমেঃ বমি বমি ভাব হলে চায়ের মধ্যে পিপারমেন্ট ব্যবহার করলে বমি বমি ভাব দূর হয়। এছাড়া সামান্য পিপারমেন্ট মুখে দিয়ে রাখলে বমির উদ্রেগ দূর হবে। পিপারমেন্ট পেটের গ্যাস কমিয়ে পাকস্থলী স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

বাসে উঠলে বমি হয় কেন

আজকের আর্টিকেল গ্যাসে বমি বমি ভাব দূর করার উপায়। সাধারণত বাসে উঠলে বা মাইক্রো বাসে উঠলে যাতায়াতের সময় পর্যাপ্ত বামন হয়। সাধারণত যাত্রী যখন বাস অথবা মাইক্রোবাসে ওঠে তখন তার অন্তরকর্ণ মনে করে যে সে স্থির আছে। অথচ দ্রুতগতিতে যাওয়ার সময় চোখ দেখে বাহন চলাচল করতেছে। 

সাধারণত যানবহনে ওঠার পরে অন্তরকর্ণ ও চোখ এর মধ্যে সমন্বয়হীনতা তৈরি হয় যার কারণে বমি বমি ভাব হয় এবং পর্যাপ্ত বমণ হয়। এছাড়াও যানবাহনে উঠলে বাহন হঠাৎ করে দাঁড়ানো ও চলাচলের কারণে এসিডিটি তৈরি হয় এবং বিভিন্ন রকম গন্ধ পাওয়ার কারণে বমণ হতে পারে। 

সাধারণত যানবাহনে ওঠার পরে বমন হওয়ার ক্ষেত্রে বয়স লিঙ্গ বা কোন গোষ্ঠী চিহ্নিত করা যায় না। সবারই এই সমস্যা হতে পারে। তবে যাদের বয়স কম যানবাহনে ওঠার পরে তাদের বেশি পরিমাণ বমণ হয়। এছাড়াও যানবাহনে ওঠার পরে যাদের গ্যাস খুব তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি হয় তাদের বমনের পরিমাণ বেশি হয়।

গ্যাসে বমি বমি ভাব হওয়ার কারন

আজকের আর্টিকেল গ্যাসে বমি বমি ভাব দূর করার উপায়। বিভিন্ন কারণে বমি বমি ভাব হতে পারে। বিশেষ করে পাকস্থলীর বিভিন্ন রকম সমস্যা যেমন অ্যাসিডিটি বদহজম ও অন্য কোন কারণে বমি বমি ভাব হতে পারে। চলাফেরার ক্ষেত্রে যদি কোন গন্ধ অথবা গন্ধ জাতীয় পরিবেশে অবস্থান করা হয় তাহলে বমি বমি ভাব হতে পারে। বমি বমি ভাব হওয়ার কারণ আলোচনা করা হলো।
সংক্রমনের কারণেঃ সাধারণত পাকস্থলীতে কোন সংক্রমণ হলে তার কারণে বমি ভাব হতে পারে। বিশেষ করে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণে বমি বমি ভাব হতে পারে। এগুলো সংক্রমণের কারণে বদহজম এসিডিটি ডায়রিয়া অথবা পেট ব্যথা হতে পারে।

ফুড পয়জনিং এর কারণেঃ সাধারণত সংক্রমণ জাতীয় খাবার ও মদ বিভিন্ন নিষাদ্রব্য ইত্যাদি খাওয়ার মাধ্যমে বমি বমি ভাব হতে পারে। এছাড়া এগুলো খাওয়ার কারণে পেরিয়ে জ্বালা যন্ত্রণা হতে পারে। শরীরে থেকে বিভিন্ন ধরনের বিষ বাহির করার পরে বমি বমি ভাব হতে পারে।

মোশন সিকনেসঃ সাধারণত যানবাহনে চলাফেরার সময় অন্তর কর্ণ ও চোখের মধ্যে একটি পার্থক্য তৈরি হয়। বিশেষ করে যানবাহনে চলাচলের ক্ষেত্রে অন্ত কর্ণ মনে করে যাত্রীরা স্থির হয়ে আছে অথচ চোখ দিয়ে দেখা যায় যানবাহন চলাচল করতেছে। এই অবস্থায় অন্তর কর্ণ ও চোখের মধ্যে সামঞ্জস্য না থাকার কারণে বমি বমি ভাব হতে পারে।

গর্ভাবস্থাঃ গর্ভাবস্থায় গর্ভবতী বয়স তিন মাস হলে বমি বমি ভাব হতে পারে। সাধারণত দুই থেকে তিন মাসের পেটে বাচ্চা থাকলে হরমোনের বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন হওয়ার কারণে বমি বমি ভাব হতে পারে।

ওষুধ ব্যবহারের ফলেঃ বিশেষ করে কেমোথেরাপির ওষুধ ও বিভিন্ন এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে বমি বমি ভাব হতে পারে। এছাড়াও আরো অন্যান্য ওষুধ খাওয়ার ফলে বমি বমি ভাব হতে পারে।

গ্যাস্ট্রিক সমস্যার কারণেঃ গ্যাস্ট্রিক ও বদহজমজনিত সমস্যার কারণে বমি বমি ভাব হতে পারে। সাধারণত পাকস্থলীতে খাদ্য খাওয়ার পরে বিরূপ প্রভাবে অরশি ভাব ও বমি বমি ভাব হতে পারে।

অন্ত্রের বিভিন্ন রকম সমস্যার কারণেঃ অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতার কারণে পেট ব্যথা হতে পারে। এছাড়াও পরিপাকতন্ত্রে সংক্রমনের কারণে পেট ব্যথা ও বমি বমি ভাব হতে পারে।

স্ট্রেস ও মানসিক উদ্বেগঃ মানসিক বিভিন্ন যন্ত্রণা ও উদ্বেগের কারণে শরীরের বিভিন্ন রকম হরমোনের পরিবর্তন হয় যার কারণে বমি বমি ভাব হয়। এছাড়াও মানসিক যন্ত্রণা অনিদ্রা তৈরি করে। অনিদ্রার কারণে খাবারে অরুচি ও বমি বমি ভাব হয়।

মাইগ্রেনের কারণেঃ মাইগ্রেনের বিভিন্ন উপসর্গ হিসাবে বমি বমি ভাব হতে পারে। মাইগ্রেনের সমস্যার কারণে মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন রকম প্রভাব পড়ে সেই প্রভাবের কারণে বমি বমি ভাব হয়।  

বমি বমি ভাব হওয়ার লক্ষণ 

আজকের আর্টিকেল গ্যাসে বমি বমি ভাব দূর করার উপায়। বমি বমি ভাব হওয়ার জন্য বিভিন্ন রকম লক্ষণ দেখা দিতে পারে। বমি বমি ভাব হওয়ার কারণে পেটে অশ্লীলতা এবং মানসিক উত্তেজনা তৈরি হতে পারে। বমি বমি ভাব হওয়ার সাধারণ লক্ষণগুলো আলোচনা করা হলো।
অস্থিরতা তৈরি হওয়াঃ বমি বমি ভাব হওয়ার কারণে পেটে নানা ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়। এক্ষেত্রে পেট ব্যথা পেটে অস্থিরতা এবং সংবেদনশীল বিভিন্ন সমস্

গ্যাগিন তৈরি হওয়াঃ সাধারণত পেট থেকে কিছু বাহির না হয়ে ভ্রমণ করার চেষ্টা করা হয়। আর এভাবে পেট থেকে কিছু বাহির না করার চেষ্টা করার জন্য বিভিন্ন রকম কষ্ট হয়।

বর্ধিত লালাঃ গমন হওয়ার পূর্বে মুখে এক ধরনের লালা তৈরি হয়। মুখের এই লালা যদি বেশি উৎপন্ন হয় তাহলে সেখান থেকে বমি হওয়ার সম্ভাবনা হয়।

পর্যাপ্ত শরীর ঘেমে যাওয়াঃ শরীরের ঠান্ডা ঘাম হলে বুঝতে হবে বমি বমি ভাব হতে পারে। শরীর পর্যাপ্ত ঘেমে যাওয়ার পরে ভ্রমণ হতে পারে।

মাথা ঘোরাঃ অনেক সময় মাথা ঘোরা ও অজ্ঞান অনুভূতির কারণে বমি হতে পারে। বিশেষ করে যানবাহনে যাতায়াতের সময় প্রথমে মাথা ঘোরা লক্ষণ প্রকাশ পায় পরে বমি বমি ভাব হয় এবং বমণ হয়।

পেট ব্যথা হওয়াঃ অনেক সময় পেটে অস্বস্তি এবং পেট ব্যাথা হয়। সাধারণত গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার কারণে পেট ব্যাথা হয় এবং বমি বমি ভাব হয়।

মাথা ব্যথাঃ অনেকের পর্যাপ্ত মাথাব্যথা হয় এবং মাথা ব্যাথার সাথে সাথে বমন হয়। সাধারণত মাইগ্রেনের সমস্যা ও টেনশনের কারণে মাথাব্যথার মত সমস্যা তৈরি হয় ও পরে বমি বমি ভাব হয়।

বাচ্চাদের বমি হওয়ার কারণ

আজকের আর্টিকেল গ্যাসে বমি বমি ভাব দূর করার উপায়। সাধারণত খাদ্যনালীতে জন্মগত ত্রুটি থাকলে বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই বমি করতে থাকে। যার কারণে বাচ্চার খাদ্যনাদের কোন ত্রুটি আছে কিনা সেটি পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে হবে। বাচ্চা যদি জন্মের দুই থেকে তিন সপ্তাহ পরে বমি করে তাহলে দেখতে হবে পেটের কোন সমস্যা হয়েছে কিনা। 

এক্ষেত্রে বমির আগে দেখতে হবে পেটে চাকা চাকা হয়েছে কিনা। বমির রং যদি সবুজ না হয় এবং বমির পর পরে বাচ্চা ক্ষুধার্ত হয় তাহলে বুঝতে হবে খাদ্য নালিতে জন্মগত ত্রুটি রয়েছে। এছাড়া বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর পর পর যদি বমি করে তাহলে বুঝতে হবে দুধ খাওয়ানোর প্রক্রিয়া ভুল হয়েছে। 

বাচ্চার বয়স তিন মাস থেকে এক বছর হলে প্রথমে বমন ও পরে পাতলা পায়খানা হলে ধরে নিতে হবে রোটা ভাইরাল ডায়রিয়া হয়েছে। এছাড়া কাশির সঙ্গে বমি হলে ধরে ধরে শ্বাসনালীর সংক্রমণ হতে পারে। এছাড়া পেট ফাঁপা ও গ্যাস্ট্রিকের কারণে বমি বমি ভাব হতে পারে। বড় বাচ্চার ক্ষেত্রে প্রস্রাবের বিভিন্ন রকম ইনফেকশনের কারণে বমি বমি ভাব হতে পারে। 

এছাড়াও গলায় ইনফেকশন ঠান্ডা লাগার জন্য কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা হলে বমি বমি ভাব অথবা বমন হতে পারে। এছাড়া মাইগ্রেন সাইনাসের ব্যথা ব্রেনে ইনফেকশন ইত্যাদির সমস্যার কারণে বমি বমি ভাব হতে পারে। পেটে কৃমি জন্ডিস বদহজম ও এলার্জির কারণে বমি বমি ভাব হতে পারে।

লেখকের মন্তব্য

সুপ্রিয় পাঠক বৃন্দ গ্যাসে বমি বমি ভাব দূর করার উপায় বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শেষ হলো। আজকের আর্টিকেলে যানবাহনে উঠলে বমি বমি ভাব ও বমন হয় সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। মাঝে মাঝে আমাদের সবারই বমি বমি ভাব হয় যার কারণে শারীরিকভাবে অনেক কষ্ট হয়। বিভিন্ন টোটকা ব্যবহার করার মাধ্যমে এই বমি বমি ভাব দূর করা সম্ভব।

বমি বমি ভাব দূর করার ব্যাপারে ভালোভাবে জানতে আজকের আর্টিকেল ভিজিট করুন। আজকের আর্টিকেলে গুগল সহ বিভিন্ন সাময়িকী থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আজকের আর্টিকেল লেখা হয়েছে। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে এবং উপকৃত হবেন। কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্টে জানাবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে লাইক, কমেন্ট, ও শেয়ার, করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url