মিষ্টি আলু খাওয়ার ১৫টি উপকারিতা

সুপ্রিয় পাঠকগণ মিষ্টি আলু খাওয়ার ১৫টি উপকারিতা বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শুরু করলাম। মিষ্টি আলুতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন এ ভিটামিন বি ভিটামিন সি পটাশিয়াম ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন কে ক্যালসিয়াম জাতীয় ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ বিদ্যমান।
এইজন্য মিষ্টি আলু আমাদের জন্য অনেক উপকারী খাদ্য। মিষ্টি আলু সম্পর্কে জানতে আজকের আর্টিকেল ভিজিট করুন।

ভূমিকা

আজকের আর্টিকেল মিষ্টি আলু খাওয়ার ১৫টি উপকারিতা। মিষ্টি আলু বাংলাদেশ-ভারত নেপাল ভুটান পাকিস্তান আমেরিকা আফ্রিকা সহ নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে ভালো উৎপন্ন হয়। ২০১৭ সালের সারা বিশ্বে ১১৩০ লক্ষ টন মিষ্টি আলু উৎপাদন হয়েছে। মিষ্টি আলু পর্যাপ্ত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার।আমরা মিষ্টি আলু সিদ্ধ অথবা পুড়িয়ে খেতে পারি।
এছাড়াও মিষ্টি আলু সবজি হিসাবে ব্যবহার করা যায়। মিষ্টি আলু দিয়ে বিভিন্ন রকম সুস্বাদু খাবার তৈরি করা যায়। মিষ্টি আলুর গোলাপজাম খেতে সবাই অত্যন্ত পছন্দ করে। এছাড়াও মিষ্টি আলু খাওয়ার ফলে আমাদের দেহে পর্যাপ্ত পুষ্টি উপাদান বৃদ্ধি হয়। মিষ্টি আলু সম্পর্কে জানতে আজকের আর্টিকেল ভিজিট করুন।

মিষ্টি আলু খেলে কি মোটা হয়

আজকের আর্টিকেল মিষ্টি আলু খাওয়ার ১৫টি উপকারিতা। মিষ্টি আলু খেলে ওজন বাড়ে না। অনেক দেশে ওজন কমানোর জন্য মিষ্টি আলু খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। মিষ্টি আলুতে অত্যন্ত কম ক্যালরি থাকে এবং ফ্যাটের পরিমাণ অনেক কম। ১০০ গ্রাম মিষ্টি আলুতে মাত্র ৮৬ ক্যালোরি বিদ্যমান।

ডায়াটরি ফাইবার সমৃদ্ধ মিষ্টি আলু আমাদের খাওয়া প্রয়োজন। ডায়েটারি ফাইবার ওজন কমানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। ডায়েটরি ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খেলে উক্ত খাবার হজমের সময় চর্বি শোষণকে কমাতে পারে এবং চর্বি জমা হওয়া থেকে দূরে রাখে। একটি আলু খেলে এক ধরনের স্টার্চ হয় যা পরিপাকতন্ত্র দ্বারা ভেঙ্গে ফেলা যায় না।

সম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রতিরোধ স্টার্চ চর্বি অক্সিডেশন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং প্রচুর চর্বি পোড়াতে পারে। কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রতিরোধে স্টার্চ জাতীয় খাবার খাওয়ার মাধ্যমে প্রতিদিন ২০ ভাগ থেকে ২৫ ভাগ চর্বি পোড়ানো যায়।

এছাড়াও প্রতিরোধ স্টার্চ জাতীয় খাবার খাওয়ার মাধ্যমে দীর্ঘ সময় ধরে খুধার চাহিদা কমায়। এইজন্য ওজন কমাতে মিষ্টি আলু রান্না করে ঠান্ডা করে খাওয়া যায় যা প্রতিরোধ স্টার্চের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এইজন্য মিষ্টি আলু খেলে মোটা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

বরং মিষ্টি আলু খেলে ওজন কমে। অনেকে মনে করেন আলুর চাইতে মিষ্টি আলু ক্ষতিকর দিক অনেক বেশি। এ ধারণা ভুল কারন গোল আলুর চাইতে মিষ্টি আলুতে উপকার অনেক বেশি। হৃদরোগের ঝুঁকি ডায়াবেটিস স্বাস্থ্য সমস্যা মিষ্টি আলু খাওয়ার ফলে কমে যায়। মিষ্টি আলুতে ভিটামিন এ ভিটামিন ই পটাশিয়াম অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

যা শীতকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে ও দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। সম্প্রীতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে মিষ্টি আলু দৈনিক ৮০ভাগ প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করে। ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি৬ জাতীয় খাদ্য মিষ্টি আলু স্নায়ুতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

মিস্টি আলুতে পর্যাপ্ত পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে যার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের সহায়তা করে। এছাড়াও মিষ্টি আলু দিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফাইবার রয়েছে যা ওজন কমাতে সহায়তা করে। মিষ্টি আলু খাওয়ার ফলে শরীরকে শীতের হাত থেকে রক্ষা করে শরীর গরম করে এবং বিভিন্ন ভাইরাস থেকে রক্ষা করে। এই জন্য শীতকালে নিয়মিত মিষ্টি আলো খাওয়া প্রয়োজন। তর

মিষ্টি আলু খাওয়ার ১৫টি উপকারিতা

পুষ্টবিদ ও বিশেষজ্ঞগণেরা মিষ্টি আলুকে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টি সমৃদ্ধ সবজি হিসেবে গণ্য করেন। পুষ্টিবিদ রুজুতা দিবাকর বলেন মিষ্টি আলু সবার জন্য নিরাপদ। বিশেষ করে যাদের ওজন বেশি, পিসিওডি, ডায়াবেটিস এর সমস্যায় ভোগেন তারাও মিষ্টি আলু খেতে পারেন।

মিস্টি আলু দিয়ে বিভিন্ন রকম খাবার তৈরি করা যায়। মিষ্টি আলু খাওয়ার ১৫টি উপকারিতা বর্ণনা করা হলো।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ শীতের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে মিষ্টি আলু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মিষ্টি আলুতে ক্যারোটিনয়েড ও অ্যান্থোসায়ানিন নামক দুটি উপাদান রয়েছে যা শরীরের ফ্রি রেডিকেলের হাত থেকে বাঁচায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখেঃ মিষ্টি আলুতে গ্লাসিমিক ইনডেক্স কম থাকে এবং পর্যাপ্ত ফাইবার সমৃদ্ধ। যার কারণে ডায়াবেটিস রোগীরা মিষ্টি আলু খেতে পারেন। আমেরিকার ডায়াবেটিস সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী ডায়াবেটিসের জন্য মিষ্টি আলু এক ধরনের সুপার ফুড। এছাড়াও মিষ্টি আলু ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ।

দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করেঃ মিষ্টি আলুতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন এ রয়েছে। এছাড়াও মিষ্টি আলুতে পর্যাপ্ত বিটাক্যারোটিন বিদ্যমান। এগুলো উপাদানের জন্য আমাদের চোখকে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। এইজন্য দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করতে নিয়মিত মিষ্টি আলু খাওয়া যেতে পারে।

মিষ্টি আলু হজমের সহায়কঃ নিয়মিত মিষ্টি আলু খাওয়ার ফলে হজমের সমস্যা সমাধান হয়। পুষ্টিবিদ রুজুতা দিবাকর বলেন মিষ্টি আলুতে মিনারেল ও ভিটামিন বি আছে যা পেট ফাঁপা ও অ্যাসিডিটিও কোষ্ঠকাঠিন্যতা দূর করে। যে সকল লোক হজম সমস্যায় ভুগতেছেন তারা নিয়মিত মিষ্টি আলু খেতে পারেন।

ওজন নিয়ন্ত্রণের সহায়তা করেঃ যে সকল ব্যক্তি শরীরের ওজন কমাতে চান তাহারা নিয়মিত মিষ্টি আলু খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন। মিষ্টি আলুতে সামান্য ক্যালরি এবং প্রচুর ফাইবার রয়েছে। যার কারণে মিষ্টি আলু খেলে দীর্ঘক্ষন ধরে পেট ভরে থাকে। নাস্তার সময় মিষ্টি আলু নাস্তার তালিকায় রাখতে পারেন।

পাকস্থলীর স্বাস্থ্য ভালো রাখেঃ মিষ্টি আলুতে পর্যাপ্ত ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিদ্যমান। যার কারণে মিষ্টি আলু অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। পাকস্থলীতে উপকারে ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি থাকার জন্য পাকস্থলীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

হৃদরোগের ঝুকি কমায়ঃ মিষ্টি আলুতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পটাশিয়াম রয়েছে। মিষ্টি আলুতে উপস্থিত পটাশিয়াম হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। পাশাপাশি মিষ্টি আলুতে উপস্থিত পটাশিয়াম মাংসপেশি উন্নত করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত রাখেঃ মিষ্টি আলুতে কলার চাইতে বেশি পটাশিয়াম রয়েছে। মিষ্টি আলুর পটাশিয়াম রক্তনালিকাকে প্রশস্ত করে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। যার কারণে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। এছাড়াও উচ্চ রক্তচাপ রোগীরা নিয়মিত মিষ্টি আলু খেতে পারেন।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়ঃ মিষ্টি আলুতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যারোটিনয়েড এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। উক্ত উপাদানের জন্য পেট কিডনি ও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

অ্যাজমা রোগ নিরাময়ঃ শীতকালে অ্যাজমা রোগীদের বিভিন্ন রকম সমস্যা হয়। নিয়মিত মিষ্টি আলু খাওয়ার ফলে অ্যাজমা রোগীরা স্বস্তি পান। মিষ্টি আলুতে ভিটামিন সি থাকায় শীতের সময় সর্দি কাশি রোগ নিরাময় হয়।

দেহের প্রদাহ কমায়ঃ মিষ্টি আলুতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন এ রয়েছে। যার কারণে মিষ্টি আলু খেলে শরীরের প্রদাহ কমায়। এছাড়া মিষ্টি আলু খাওয়ার ফলে শরীর থেকে বিভিন্ন ধরনের টক্সিন অপসারিত হয়।

ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখেঃ মিষ্টি আলুতে পর্যাপ্ত ভিটামিন এ রয়েছে। ভিটামিন এ ত্বকের মৃত কোষগুলোকে অপসারণ করে নতুন কোষ তৈরিতে সহায়তা করে। যার কারণে মিষ্টি আলু খেলে শরীরের ত্বক নরম মোলায়েম এবং উজ্জ্বল হয়।

চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখেঃ মিষ্টি আলুতে পর্যাপ্ত ভিটামিন এ ও ভিটামিন ই রয়েছে। ভিটামিন ই চুলের বৃদ্ধি এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। এছাড়াও ভিটামিন সি মাথার ত্বক সুস্থ রাখে ও মাথার ত্বকের খুসকি দূর করে। এজন্য নিয়মিত মিষ্টি আলু খাওয়ার ফলে চুল লম্বা ও সিল্কি হয়।

বিভিন্ন রকমের মজা কর খাবার তৈরিঃ মিষ্টি আলু দ্বারা বিভিন্ন রকমের মজার খাবার তৈরি করা যায়। বিশেষ করে মিষ্টি আলুর পিঠা অনেক সুস্বাদু। মিষ্টি আলুর হালুয়া সহ সবজি ও কাঁচা আলু সিদ্ধ করে খাওয়া যায়।

কৃষকগণ লাভমান হনঃ মিষ্টি আলু চাষ করলে উৎপাদন অনেক বেশি হয়। এছাড়াও মিষ্টি আলু উৎপাদনে খরচ অনেক কম। যার কারণে মিষ্টি আলু উৎপাদনে কৃষকগণ অনেক লাভবান হন। মিষ্টি আলু চাষ করার ফলে কৃষকগণ নগদ টাকা হাতে পান।

শীতে মিষ্টি আলু খাওয়া যেকারণে জরুরি

আজকের আর্টিকেল মিষ্টি আলু খাওয়ার ১৫টি উপকারিতা। সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া প্রয়োজন। অনেকে ডায়েটে কার্বোহাইড্রেট এর পরিমাণ কমিয়ে দিয়ে প্রোটিনের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন। পুষ্টি বিশেষজ্ঞগণের মতে দীর্ঘদিন ধরে ডায়েটে কার্বোহাইড্রেট বাদ দিলে শরীরে মারাত্মক ক্ষতি করার প্রভাব পড়ে।

এইজন্য বয়স ও ওজন অনুযায়ী কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার রাখা প্রয়োজন। মিষ্টি আলু কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবারের ভালো উৎস। অনেকে মনে করেন গোল আলুর চাইতে মিষ্টি আলু ক্ষতিকর বেশি। কিন্তু এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। গোল আলুর চাইতে মিষ্টি আলু অনেক উপকারী এবং বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান বেশি রয়েছে।

মিষ্টি আলুতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন এ ভিটামিন সি পটাশিয়াম ম্যাগনেসিয়াম অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়াও মিষ্টি আলু ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে ও দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে। সম্প্রীতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে মিষ্টি আলু প্রতিদিন প্রোটিনের চাহিদা প্রায় ৮০ ভাগ পূরণ করে।

ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি৬ জাতীয় খাবার মিষ্টি আলু খেলে মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এছাড়াও মিষ্টি আলু পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের ভালো উৎস যার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখে হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। মিষ্টি আলুতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফায়বার রয়েছে যা ওজন কমাতে সাহায্য করে।

শীতকালে মিষ্টি আলু খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়াও মিষ্টি আলু খাওয়ার ফলে শীতের প্রবণতা থেকে রক্ষা করে। এজন্য নিয়মিত শীতকালে মিষ্টি আলু খাওয়া প্রয়োজন।

মিষ্টি আলু পাতার উপকারিতা

আজকের আর্টিকেল মিষ্টি আলু খাওয়ার ১৫টি উপকারিতা। লুইসিয়ানা স্টেট এগ্রিকালচারাল সেন্টার পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে মিষ্টি আলুর পাতায় ভিটামিন এ ভিটামিন সি থায়ামিন নিয়াসিন জিংক ফলিক অ্যাসিড ক্যালসিয়াম আয়রন ভিটামিন কে এর মত ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে। এগুলো উপাদানের জন্য মিষ্টি আলুর পাতা অনেক উপকারী যা আলোচনা করা হলো।
হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখেঃ মিষ্টি আলুর পাতায় ভিটামিন কে রয়েছে যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এছাড়াও মিষ্টি আলুর পাতায় পর্যাপ্ত ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম রয়েছে। যার হৃদ রোগ প্রতিরোধ করে।

দৃষ্টিশক্তি উন্নত করেঃ মিষ্টি আলুর পাতায় পর্যাপ্ত ভিটামিন এ রয়েছে। মিষ্টি আলুর পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায়। মিষ্টি আলুর পাতা খাওয়ার মাধ্যমে শরীরে ভিটামিন এ এর ঘাটতি পূরণ হয়। ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে এবং রাতকানা রোগ হতে রক্ষা করে।

হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করেঃ মিষ্টি আলুর পাতায় পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। মিষ্টি আলুর পাতা খাওয়ার মাধ্যমে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকায় হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে। এছাড়াও জয়েন্টের ব্যথা ও হাড় ভাঙ্গার ঝুঁকি কমায়।

লেখক এর মন্তব্য

সুপ্রিয় পাঠক বৃন্দ মিষ্টি আলু খাওয়ার ১৫টি উপকারিতা বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা হল। মিষ্টি আলু একটি পুষ্টি সমৃদ্ধ এবং সুস্বাদু খাবার। আমরা সবাই মিষ্টি আলু খেতে অনেক ভালোবাসি। এছাড়াও মিষ্টি আলু খাওয়ার মাধ্যমে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ থাকে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

মিষ্টি আলু সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জানতে আজকের আর্টিকেল ভিজিট করুন। আশা করি আজকের আর্টিকেল আপনাদের ভালো লাগবে এবং উপকৃত হবেন। কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্টে জানাবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url