ফুসফুস ক্যান্সার হলে কতদিন বাঁচে

প্রিয় পাঠকগণ ফুসফুস ক্যান্সার হলে কতদিন বাঁচে এ বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শুরু করলাম। আজকের আর্টিকেলে ফুসফুস ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায় ও চিকিৎসা পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে।
ফুসফুস ক্যান্সার ব্যাপারে আমাদের জানা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে জানতে আজকের আর্টিকেলের সঙ্গে থাকুন।

ভূমিকা

আজকের আর্টিকেল ফুসফুস ক্যান্সার হলে কতদিন বাঁচে। ফুসফুস ক্যান্সার এমন একটি রোগ যাতে ফুসফুসের টিসুম কি অনিয়ন্ত্রিত কোষ বৃদ্ধি ঘটে। প্রাথমিকভাবে এ রোগের চিকিৎসা না করতে পারলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগী মৃত্যুকে পতিত হয়। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসার মাধ্যমে ফুসফুস ক্যান্সার থেকে সুস্থ হওয়া যায়।
ফুসফুস ক্যান্সারের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর ১৩ লক্ষ লোক মারা যান। ফুসফুস ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা রক্তসহ কাশি ও ওজন হ্রাস পাওয়া। ফুসফুস ক্যান্সারের আশি থেকে ৮৫ ভাগ কারণ ধূমপানে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত হওয়া। ফুসফুস ক্যান্সার থেকে বাঁচতে ধূমপান ছেড়ে দেওয়া প্রয়োজন।

ফুসফুস ক্যান্সার হলে কতদিন বাঁচে

সুপ্রিয় পাঠক আপনারা হতো জানতে চান ফুসফুস ক্যান্সার হলে কতদিন বাঁচে। তাহলে আসুন জেনে নিন ফুসফুস ক্যান্সারে হলে বাঁচার হার নির্ভর করে ক্যান্সারের ধরন এর উপর। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন ফুসফুস ক্যান্সারের প্রাথমিক অবস্থা তাই ধরা পড়লে রোগীকে বাঁচানো সম্ভব। তবে ফুসফুস ক্যান্সারের চূড়ান্ত পর্যায়ে ধরা পড়লে উক্ত ব্যক্তি পাঁচ বছরের বেশি বাঁচে না। 

বর্তমানে কিছু উন্নত চিকিৎসা যেমন নতুন কেমথেরাপি রিসিভ ফর বেইজ কেমোথেরাপি দিয়ে রোগীকে চিকিৎসা করার ফলে পাঁচ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। বাংলাদেশ লান্ড ফাউন্ডেশন এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে মরণঘাতী এইডস এর পরেই ক্যান্সার রোগের অবস্থান। ফুসফুস ক্যান্সার এক মারাত্মক রোগ।

দিন দিন এ রোগের প্রকোপ বেড়ে যাচ্ছে। বহু চিকিৎসা পদ্ধতি উন্নতি হওয়ার পরেও এ রোগ থেকে সুস্থতা লাভ করার কোন চিকিৎসা পদ্ধতি আজও আবিষ্কার হয়নি। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসার মাধ্যমে তা সুস্থ করে তোলা যায়। এই জন্য এই রোগ থেকে বাঁচার জন্য সবার মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। 

ধুমপান ও কালো দুয়ার দ্বারা সবচাইতে বেশি ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। যদি প্রাথমিক অবস্থায় ফুসফুস ক্যান্সারের চিকিৎসা করা না যায় তাহলে ১০০ ভাগ রোগীর মৃত্যু হয়। সাধারণত ফুসফুস ক্যান্সার রোগ প্রাথমিকভাবে কোন লক্ষণও প্রকাশ পায় না। যার কারণে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা করা অত্যন্ত কষ্টকর। 

এই জন্য আসুন শ্বাসকষ্ট অথবা দম বন্ধ হয়ে যাওয়া শ্বাস-প্রশ্বাসে উসিলের মত শব্দ ইত্যাদি প্রাথমিক বৈশিষ্ট্য সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ফুসফুস ক্যান্সারের ব্যাপারে জানা প্রয়োজন। প্রাথমিক অবস্থায় ফুসফুস ক্যান্সারের ধরা পড়লে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ থাকার চেষ্টা করি।

ফুসফুস ক্যান্সার কেন হয়

ফুসফুস ক্যান্সার হওয়ার নানা কারণ রয়েছে। আজকের আর্টিকেল ফুসফুস ক্যান্সার হলে কতদিন বাঁচে। সাধারণত শরীরের অযত্ন অবহেলায় এবং এবং খারাপ পরিবেশে থাকার জন্য ফুসফুস ক্যান্সারের সমস্যা হতে পারে। ফুসফুস ক্যান্সার হওয়া কেন হয় তা আলোচনা করা হলো।
ধূমপান এর কারণেঃ বিড়ি সিগারেট ইত্যাদি ধূম পানের কারণে ফুসফুস ক্যান্সার এর সমস্যা বেশি হয়। বিশেষ করে ফুসফুস ক্যান্সারের ৮০ ভাগই ধূমপান এর কারণে। তামাকের ধোয়াতে প্রায় 7000 এর বেশি রাসায়নিক মিশ্রণ থাকে। এইজন্য বলা হয়ে থাকে ফুসফুস ক্যান্সার এর মূল কারণ ধূমপান।

বিভিন্ন রকম ধোয়ার কারণেঃ অনেকের সবার মধ্যে সিগারেট খাওয়ার জন্য অধম পাইরা সেই গন্ধ অথবা ধোয়া আক্রান্ত হয়। এছাড়াও কলকারখানা থেকে তৈরি করতে দোয়া ফুসফুস ক্যান্সারের জন্য দায়ী। ইটভাটা বা বিভিন্ন আবর্জনা পোড়ানোর দোয়া থেকেও ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।

পারিবারিক ইতিহাসঃ পারিবারিক ইতিহাসের কারণেও অনেকের ফুসফুস ক্যান্সারের আক্রান্তের হার বেড়ে যায়। বিশেষ করে পিতা-মাতা বা পূর্বপুরুষের ফুসফুস ক্যান্সার থাকলে উক্ত পরিবারের লোকজনের কেন ফুসফুস ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এইজন্য পারিবারিকভাবে ফুসফুস ক্যান্সার এর ইতিহাস থাকলে তাদের উত্তর পুরুষদের সচেতনতা অর্জন করা প্রয়োজন।

ফুসফুস ক্যান্সার রোগীর মৃত্যুর লক্ষণ

আজকের আর্টিকেল ফুসফুস ক্যান্সার হলে কতদিন বাঁচে। ফুসফুস ক্যান্সার যদি আক্রান্তের সেজদাতে পৌঁছে যায় তাহলে তাদের মৃত্যু হয়। তো ফুসফুস ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা করলে সেক্ষেত্রে বাঁচার হার বেশি। আসুন জেনে নিই।

*ফুসফুস ক্যান্সার রোগীর মৃত্যুর লক্ষণ।
*আলো বাড়া বা কমার কারণে চোখের পিউপিল এর কোন প্রতিক্রিয়া না হলে।
*দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এছাড়াও সব কিছু ঝাপসা দেখা যায়।
*রোগী প্রায় ই চোখের পাতা বন্ধ করতে পারেনা।
*কথা বলার সময়ই মুখ ও জীবার প্রতিক্রিয়া কমে যায়।
*নাক থেকে ঠোঁটের দুই কোনা পর্যন্ত বলিরেখার দাগ পরে। এছাড়াও তোকে ব্যাপক ভাঁজ পড়ে।
*মাথা ও মুখমন্ডল সামনের দিকে নুয়ে আসে।
*কণ্ঠনালী থেকে সবসময় গড়গড় আওয়াজ আসে।

সাধারণত খাবারের উপাদান ও পুষ্টি শুষে নেয়। সাধারণত গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিয়াল এর ওপরের অংশে পর্যাপ্ত রক্তক্ষরণ হয়। এগুলো লক্ষণও প্রকাশ পেলে উক্ত রুগী তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে মারা যায়।

ফুসফুস ক্যান্সার রোগীর খাবার তালিকা

ফুসফুস ক্যান্সার রোগীকে ক্যান্সার প্রতিরোক্ষকৃত খাবার খাওয়ানো প্রয়োজন। ক্যান্সার প্রতিরোধ খাবার খাওয়ার মাধ্যমে অনেকটাই ক্যান্সার জীবাণু ধ্বংস করার চেষ্টা করে। ফুসফুস ক্যান্সার রোগীদের খাবারের তালিকা আলোচনা করা হলো।

আপেল খাওয়াঃ আপেল ফল ক্যান্সার প্রতিরোধী খাবার। আপেল ফ্ল্যাভোনয়েড উপাদান রয়েছে যা ফুসফুস ক্যান্সারের জীবাণুর ধ্বংস করতে সক্ষম। এইজন্য ফুসফুস ক্যান্সার রোগীদের নিয়মিত আপেল খাওয়া প্রয়োজন।

রসুন খাওয়াঃ রসুন এন্টি ব্যাকটেরিয়াল ও এন্টি সেপটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এছাড়া রসুনে এলিসিন নামক একটি জৈব যৌগ রয়েছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে। রসুন ফুসফুস ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এক্ষেত্রে রান্না করার ওষুধ বা কাঁচা রসুন নিয়মিত খেতে পারেন।

ব্রকলি খাওয়াঃ ব্রকলি একটি উৎকৃষ্ট মানের সবজি। ব্রকলি তে সালফ্রোফেন উপাদান থাকে যা ফুসফুস ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করে। ব্রকলি থেকে পর্যাপ্ত এনজাইম পাওয়া যায় যা ফুসফুস ক্যান্সার প্রতিষেধক। এজন্য নিয়মিত ব্রকলি খাওয়া প্রয়োজন।

লাল ক্যাপসিকাম খাওয়াঃ লাল ক্যাপসিকাম এর ফটোকেমিক্যাল উপাদান থাকে যা ফুসফুসের ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়া ক্যাপসিকামে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি রয়েছে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এইজন্য ফুসফুস ক্যান্সার রোগীদেরকে নিয়মিত লাল ক্যাপসিকাম খাওয়ানো প্রয়োজন।

পালং শাক খাওয়াঃ পালং শাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফোলেট ভিটামিন ও লুটেইন থাকে। এইজন্য পালং শাক ফুসফুস ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এছাড়া পালং শাক খাওয়ার ফলে শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি ও অন্যান্য উপাদান জমা হয়। এইজন্য ফুসফুস ক্যান্সার প্রতিরোধের নিয়মিত পালং শাক খাওয়া যায়।

হলুদ খাওয়াঃ ফুসফুসের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করার জন্য নিয়মিত হলুদ খাওয়া যেতে পারে। হলুদের কারকিউমিন উপাদান রয়েছে যা ফুসফুস পরিষ্কার করে। এছাড়াও হল ুদ এন্টিবায়োটিক গুণ সম্পন্ন। এজন্য কাঁচা হলুদ অথবা হলুদের গুড়া দুধ অথবা পানির সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন খাওয়া যেতে পারে।

গ্রিন টিঃ শ্বাসযন্ত্র সুস্থ রাখার জন্য নিয়মিত গ্রিন টি খাওয়া যেতে পারে। গ্রিন টি পলিফ্যানন যুক্ত যা ফুসফুসের প্রদাহ কমায়। কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত দিনে দুইবার গ্রিন টি খাওয়া যেতে পারে। নিয়মিত গ্রিন টি হওয়ার ফলে শরীর থেকে বিভিন্ন দূষিত পদার্থ অর্থাৎ টক্সিন দেহ থেকে বাহির হয়ে যায়। যার কারনে ফুসফুস ক্যান্সার প্রতিরোধে নিয়মিত গ্রিন টি খাওয়া যেতে পারে।

আদা খাওয়াঃ আদাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ এন্টিঅক্সিডেন্ট ও এন্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে। ফুসফুসের কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত আদা খাওয়া যেতে পারে। আদায় পটাশিয়াম ম্যাগনেসিয়াম ও জিংক রয়েছে। এগুলো উপাদান ফুসফুস ক্যান্সার নিরাময়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ফুসফুস ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায়

আজকের আর্টিকেল ফুসফুস ক্যান্সার হলে কতদিন বাঁচে। কোন রোগ প্রতিকারের চাইতে প্রতিরোধ করা উত্তম। ফুসফুস ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে আগে থেকে প্রতিরোধ করলে ক্যান্সারের প্রকোপ থেকে বাঁচা যায়। এছাড়াও ফুসফুস ক্যান্সারের জন্য মৃত্যু থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ফুসফুস ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায় আলোচনা করা হলোঃ
*ধূমপান পুরোপুরি ভাবে বাদ দিতে হবে। বোদা ধূমপান করে এমন ব্যক্তিকে এড়িয়ে চলতে হবে। ফুসফুস ক্যান্সার এর ৮০ভাগের ধূমপান থেকে হয়। ধূমপান বাদ দেওয়ার মাধ্যমে ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানো যায়।
*ক্যান্সার প্রতিরোধী খাবার খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। নিয়মিত সবুজ তাজা শাক সবজি ও ফলমূল খাওয়া যেতে পারে।
*শিল্পকল কারখানা ও গাড়ির ধোঁয়া থেকে দূরে থাকতে হবে। এছাড়াও বিভিন্ন আবাসনা পোড়ানো ইট ভাটা ধোঁয়া থেকে দূরে থাকতে হবে।
*ক্রোমিয়াম ইসবেস্টোন ক্যাডমিয়াম ইত্যাদি রাজধানী পদার্থ থেকে দূরে থাকতে হবে। ছাড়াও এগুলো রাইসানিক উপাদান দ্বারা তৈরি কৃত কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।
*যক্ষা ব্রক কার্টিজ নিউমোনিয়া অ্যাজমা ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হলে খুব তাড়াতাড়ি চিকিৎসা করা প্রয়োজন। এগুলো রোগে আক্রান্তের ফলে ফুসফুসে প্রদাহ হয় যেখান থেকে ফুসফুস ক্যান্সার তৈরি হয়।
*পেট্রোলিয়াম কেমিক্যাল বার রাবার কারখানায় কাজ করতে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। টেস্ট করে মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে।
*পারিবারিকভাবে এ রোগে আক্রান্ত হলে উত্তরসূরিদের অত্যন্ত সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে।

ফুসফুসের ক্যান্সারের চিকিৎসা কীভাবে করা হয়

ফুসফুস ক্যান্সার এর প্রাথমিক পর্যায়ে হলে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়া সম্ভব। তবে ফুসফুসের ক্যান্সার জটিল আক্রান্তের দিকে যায় তাহলে চিকিৎসার মাধ্যমে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হয় না। উপরেও ভালো চিকিৎসার ফলে চার থেকে পাঁচ বছর বেঁচে থাকতে পারে। ফুসফুসের ক্যান্সারের চিকিৎসা আলোচনা করা হলো।

সার্জারি করাঃ ফুসফুস ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান চিকিৎসা সার্জারি করা। ক্যান্সারের ক্যান্সার টিউমারের ধরন আকৃতি অবস্থান ও শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে সার্জারি। ক্যান্সারে এর প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলে সার্জারির মাধ্যমে আংশিক সম্পূর্ণ টিউমার অপসারণ করা যায়।

অনেক সময় ক্যান্সার ফুসফুসে ক্যান্সারের মাঝামাঝি পর্যায়ে সার্জারি করা যায় অথবা সম্পূর্ণ ফুসফুস কি অপসারণের মাধ্যমে চিকিৎসা করা যায়।

টার্গেট থেরাপিঃ আরেকটি উন্নত চিকিৎসা হলো টার্গেট থেরাপি যা ওষুধ বা অন্যান্য পদার্থ ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ক্যান্সারের কোড গুলোকে সনাক্ত করতে পারে। যার ফলে ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি বিভাজন ও ছড়িয়ে পড়া থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। টার্গেট থেরাপির মাধ্যমে ফুসফুস ক্যান্সারের জীবাণুগুলোকে ধ্বংস করা যায়।

লেখক এর মন্তব্য

প্রিয় পাঠক বৃন্দ ফুসফুস ক্যান্সার হলে কতদিন বাঁচে এ বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা হলো। মরণ ব্যাধি এইড এরপরেই মারাত্মক রোগ ফুসফুস ক্যান্সার। প্রাথমিকভাবে সঠিক চিকিৎসা না করতে পারলে এ রোগের জন্য মৃত্যু অবধারিত। তার কারণে ফুসফুস ক্যান্সারের ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।

আজকের আর্টিকেলে ফুসফুস ক্যান্সারের ব্যাপারে যাবতীয় তথ্য আলোচনা করা হয়েছে। ফুসফুস ক্যান্সার ব্যাপারে জানতে আজকের আর্টিকেল ভিজিট করুন। আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে এবং উপকৃত হবেন। কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্টে জানাবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url