বস্তায় আদা চাষের মাধ্যমে বেকারত্ব দুর করা সম্ভব

সুপ্রিয় পাঠক বন্ধুগণ বস্তায় আদা চাষের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা সম্ভব বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শুরু করলাম। আজকের আর্টিকেলে বস্তায় আদা চাষ সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য আলোকপাত করা হয়েছে। রাস্তায় আদা
চাষ করার মাধ্যমে বাড়ির চাহিদা পূরণ করে অতিরিক্ত আয় করা সম্ভব। বস্তায় আদা চাষ সম্পর্কে জানতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

ভূমিকা

আজকের আর্টিকেল বস্তায় আদা চাষের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা সম্ভব। আদা মসলার মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মসলা যা বিভিন্ন রকম ঔষধি কাজে ব্যবহার হয়। প্রাচীন গ্রীস এবং রোনানরা অত্যাধিক বেশি আদা ব্যবহার করতেন। আয়ুর্বেদী ওষুধ তৈরিতে আধার ব্যবহার অত্যাধিক। বর্তমানে পর্যাপ্ত আদা বাহির থেকে আমদানি করতে হয়।
আমরা যদি পর্যাপ্ত বস্তায় আদা চাষ করতে পারি তাহলে দেশের চাহিদা পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব। বস্তায় আদা চাষের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কৃষি ফসলের জমি প্রয়োজন হয় না। বাড়ির পাশে বিভিন্ন ছায়াযুক্ত স্থান যেখানে অন্য কোন ফসল হয় না সেই জায়গায় আদা উৎপন্ন করা যায়। যার কারণে আমাদের সবারই বাড়ির পাশে বস্তায় আদা চাষ করা প্রয়োজন।

বস্তায় আদা চাষের উপযুক্ত সময়

আজকের আর্টিকেল বস্তায় আদা চাষের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা সম্ভব। বস্তায় আদা চাষ বাংলাদেশের জনসাধারণের মাঝে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বস্তায় আগাছা অত্যন্ত লাভজনক এবং সবাই বস্তায় আদা চাষ করতে পারে। বস্তায় আদা চাষের ক্ষেত্রে সুষম উপাদান মাটি তৈরির মাধ্যমে বস্তায় আগা চাষ করা যায়। 

সঠিক সময় আদা চাষ করতে পারলে প্রতি বস্তায় ২ থেকে ৩ কেজি পর্যন্ত আদা উৎপন্ন হতে পারে।আমাদের দেশে এপ্রিল মাস থেকে মে মাস পর্যন্ত অর্থাৎ চৈত্র মাস থেকে বৈশাখ মাস পর্যন্ত বস্তায় আদা রোপন করা যায়। তবে এপ্রিল অর্থাৎ বৈশাখ মাসে আদা চাষ করলে আদার ফলন ভালো পাওয়া যায়। নির্দিষ্ট নিয়মে বস্তায় আদা চাষ করলে জানুয়ারী থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে আদা উঠানো যায়।

বস্তায় আদা চাষের মাধ্যমে বেকারত্ব দুর করা সম্ভব

বর্তমানে বস্তায় আদা চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠতেছে। এছাড়াও বস্তায় আদা চাষের মাধ্যমে কৃষকগণ নিজের চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ঘরে নিয়ে আসতে পারবেন। বিশেষ করে এক বস্তা আদা চাষে ৪০ থেকে ৫০ টাকা খরচ হয় অপরপক্ষে এক বস্তা আদা থেকে প্রায় দুই থেকে তিন কেজি আদার ফলন পাওয়া যায়।
যার কারণে বলা যায় বস্তায় আদা চাষের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা সম্ভব। চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর মাধ্যমে জানা যায় পুরো জেলায় আমবাগানের নিচে নটি প্রদর্শনীতে ৪৫০ বস্তা আদা চাষ করা হয়। এছাড়া প্রদর্শনীর বাহিরে আম বাগানে প্রায় ১৯২৫ বস্তা আদা চাষ করা হয়েছে।

এভাবে আগা চাষ করার মাধ্যমে পারিবারিক চাহিদা মিটিয়ে অর্থনীতিতে বিরাট সাফল্য অর্জন করতে পারবেন। নাজমুল হক নামে একজন আদা চাষী পরীক্ষাগুলো 222 বস্তা আদা চাষ করেন। তিনি বলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আমি ২০২২ বস্তা আদা চাষ করি। প্রতি বস্তা আদা চাষে খরচ হয়েছে ৫০ টাকা।

প্রতি বস্তায় দুই থেকে আড়াই কেজি আদা উৎপন্ন হয়েছে। সারা বছর বাড়ির চাহিদা মিটিয়ে খরচ বাদে প্রায় এক লক্ষ টাকার মতো লাভ হয়েছে। বস্তায় আদা চাষ করার জন্য মাঠে অতিরিক্ত জমির প্রয়োজন হয় না। বাড়ির পাশে বিভিন্ন বাগানে বস্তায় আদা চাষ করা যায়। কৃষিবিজ্ঞান বলেছেন বর্তমান জমির সংকটের কারণে মসলা জাতীয় ফসলের উৎপাদন কমে গেছে।

এছাড়াও প্রাকৃতিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে দেশে আদার উৎপাদন কমে গেছে। যার কারনে দেশের বাহির থেকে আদা আমদানি করতে হয়। বস্তায় আদা চাষ করার জন্য বাড়ির পাশে বিভিন্ন বাগানে আদা রোপন করা যায়। যার কারনে বাহিরে ক্ষেতের জমির প্রয়োজন হয় না।

বস্তায় আধা চাষ ব্যাপারে বাগমারা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন সরকার কৃষকদেরকে বস্তায় আগা চাষ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতেছেন। বর্তমান সরকার বস্তা আগা চাষ করার জন্য কৃষকদেরকে বিভিন্ন রকম প্রশিক্ষণ দেওয়াসহ বস্তায় আগা চাষের প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করেছেন। বাগমারা উপজেলার অনেক কৃষক বস্তায় আদা চাষ করার মাধ্যমে অনেক লাভবান হয়েছেন।

এছাড়া বস্তায় আদা চাষ করার মাধ্যমে আদার বিভিন্ন রোগ জীবাণুর আক্রমণ কম হচ্ছে এবং বস্তায় আদার ফলন বেশি হচ্ছে। যার কারণে কৃষ কৃষকদের বস্তায় আগাসাস করার আগ্রহ আগের চাইতে অনেক বেশি হচ্ছে।

জেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেছেন আমরা আস্তে আস্তে বস্তায় আদা চাষ এর প্রদর্শনী বৃদ্ধি করতেছি যার দ্বারা কৃষক গন লাভবান হয় এবং তাদের বেকারত্ব সমস্যার সমাধান হয়। যার কারণে অনুমেয় করা যায় যে বস্তায় আদা চাষ করার মাধ্যমে কৃষকেরা লাভবান হবেন এবং অনেকের বেকারত্ব সমস্যা সমাধান হবে।

বস্তায় আদা চাষ পদ্ধতি

আজকের আর্টিকেল বস্তায় আদা চাষের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা সম্ভব। অল্প খরচে বস্তায় আগাছা স আস্তে আস্তে জনপ্রিয়তা লাভ করতেছে। বস্তায় আদা চাষ করতে চাষযোগ্য জমির প্রয়োজন হয় না। বাড়ির পাশে ছায়াযুক্ত স্থানে বস্তায় আগা চাষ করা যায়। বস্তায় আদা চাষ করার মাধ্যমে বাড়ির চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ করা যায়।
আদায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মসলা যা আমাদের রান্না সহ বিভিন্ন ঔষধি কাজে ব্যবহার হয়। আমাদের দেশে ১৭ হাজার একটুর জমিতে প্রায় ২.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন আদা উৎপন্ন হয়। বর্তমান আমাদের দেশে আধার চাহিদা ৪.৮১ মেট্রিক টন। যার কারনে পর্যাপ্ত পরিমাণ আদাব বাহির থেকে আমদানি করতে হয়।

যদি আমাদের কৃষকগণ পর্যাপ্ত পরিমাণ বস্তায় আদা চাষ করতে পারেন তাহলে অতিরিক্ত আদা বাহির থেকে আমদানি করার প্রয়োজন হবে না।

আদার জাতঃ আমাদের দেশে সাধারণত দেশি আধার চাহিদা অনেক বেশি। আমাদের দেশের কৃষি বিজ্ঞানীগণ আঁধারে চাহিদার কথা মনে করে বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে বাড়ি আদাওয়ান বাড়ি আদা টু ও বাড়ি আজাদ থ্রি নামে তিনটি উচ্চ ফলনশীল আদার জাত উদ্ভাবন করেছেন। এগুলো আদার ফলন প্রতি হেক্টরে ৩০ থেকে ৪০ টন।

বস্তায় আদা চাষের সুবিধাঃ আমাদের দেশের কৃষকদের পর্যাপ্ত আবাদই জমিন না থাকায় আদা চাষ করা অনেক কষ্টকর। এছাড়া আদা চাষ করতে উঁচু জমি লাগে। জমিতে আদা চাষ করার ক্ষেত্রে কন্দ পচা রোগ সহ বিভিন্ন রোগে আক্রমণে আদার ফলন বাধাগ্রস্ত হয়।

অপরপক্ষে বস্তায় আদা চাষের মাধ্যমে রোগের আক্রমণ কম হয় ও ফলন বেশি হয়। এছাড়া বসতবাড়ির পাশে আগাসাস করা যায় বলে বস্তায় আদা চাষ অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এছাড়াও বস্তা আদা চাষ করার ক্ষেত্রে নিড়ানী সহ অন্যান্য যত্ন কম করতে হয়।

বস্তার মাটি তৈরি পদ্ধতিঃ সাধারণত সিমেন্টের বস্তা অথবা অন্যান্য বস্তার নেওয়া যেতে পারে। মাটি তৈরির জন্য একটি জায়গায় মাটির ডিবি করে রাখতে হবে। মাটি তৈরির সময় সাধারণ মাটি, গোবর, কম্পোস্ট, ছাই, বালিযুক্ত মাটি, একত্রিত করতে হবে। উক্ত মাটির সঙ্গে টিএসপি জিংক বোরন ইত্যাদি সার মিশ্রিত করতে হবে।

মাটি সহ এগুলো উপাদান একত্রিত করে কয়েকদিন রেখে দিতে হবে। এছাড়া ইউরিয়া সার আদাল লাগানোর ৫০ দিন পরে অর্ধেক দিতে হবে এবং বাকি ইউরিয়া সার ও টিএসপি যথাক্রমে ৮০ দিন ও ১১০ দিন পরে ব্যবহার করতে হবে।

আদা রোপনের সময়ঃ সাধারণত এপ্রিল থেকে মে মাস পর্যন্ত অর্থাৎ বাংলা চৈত্র মাস থেকে বৈশাখ মাস পর্যন্ত আদা লাগানোর উত্তম সময়। তবে এপ্রিল মাস অর্থাৎ চৈত্র মাসে আদালতে ফলন একটু ভালো হয়।

বস্তায় মিশ্রণ ভরাটঃ বস্তায় আদা লাগানোর পূর্বে মাটি দিয়ে বস্তা ভরাট করতে হবে। বস্তা এমনভাবে ভরাট করতে হবে যেন মাটি থেকে বস্তা ২ থেকে ৩ ইঞ্চি ফাঁকা থাকে।

বেডে বস্তা স্থাপন পদ্ধতিঃ মোটামুটি তিন মিটার প্রশ্ন বেড তৈরি করতে হবে। বেডে দুই সাইডে নালা করে বেডে মাটি দিতে হবে যেন পানি না জমে। এরপরে প্রতি বেডে দুই লাইন করে বস্তা সাজাতে হবে। বস্তা সাজানোর সময় দুটি বস্তা পরে ৮থেকে ১০ ইঞ্চি ফাঁকা রাখতে হবে।

বীজ শোধন করতে হবেঃ বস্তায় আধার বীজ রোপনের পূর্বে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম ম্যানকোজেব ও কার্বক্সিন গ্রুপের ওষুধ মিশাতে হবে। মিশ্রিত পানিতে আদার বীজ এক ঘন্টা ডুবিয়ে এরপরে তুলে নিয়ে রোদে শুকাতে হবে। আবার ব্রিজ এক ঘণ্টা শুকিয়ে নিয়ে বস্তায় রোপন করতে হবে।

বীজ রোপন পদ্ধতিঃ প্রথম বীজ অঙ্কুর বাহির করে নিয়ে বস্তায় রোপন করতে হবে। প্রতি বস্তায় দুই থেকে তিনটি আদার কন্দ দুইটি থেকে তিন ইঞ্চি গভীরে রোপন করতে হবে। বীজ রোপনের পরে মাটি দিয়ে বিজ ঢেকে দিতে হবে।

বস্তায় বীজ পরিচর্যাঃ বস্তায় আদা চাষ করলে অতিরিক্ত পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। বস্তায় আগাছা দেখা দিলে নিড়ানির মাধ্যমে আগাছা দূর করতে হবে। এছাড়া সার প্রয়োগের সময় আদার মাটি আলগা করে স্যার প্রয়োগ করতে হবে।

বৃষ্টির না হয় তাহলে হালকা হবে ঝাজড়ি দিয়ে পানি দিতে হবে। অতিরিক্ত পানি দিলে আজাব পচে যাবে। এছাড়াও মাঝে মাঝে ছত্রাক নাশক ব্যবহার করতে হবে যাতে আদাতে ছত্রাকে আক্রান্ত না করে।

ফসল সংগ্রহঃ জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে বস্তা থেকে আদা সংগ্রহ করা যেতে পারে। আদা সংগ্রহের সময় পরিপক্ক হলে পরবর্তী বীজ রাখতে সমস্যা হয় না। ভালো ফলন হলে প্রতি বস্তায় দুই থেকে তিন কেজি পর্যন্ত আদার ফলন হতে পারে।

আদা সংরক্ষণ পদ্ধতিঃ আদা বিভিন্ন ভাবে সংগ্রহ করা যায়। তবে ভালো পদ্ধতি হলো ছায়াযুক্ত স্থানে মাটি গর্ত করে সেখানে এক ইঞ্চি পরিমাণ বালু দিতে হবে। এরপরে গর্তে আদা রাখার পরে এক ইঞ্চি পরিমাণ বালু দিয়ে আদা ঢেকে দিতে হবে। এভাবে আদা রাখলে আদা শুকিয়ে যায় না এবং ওজন কমে না।

আদা বীজ কোথায় পাবো

আজকের আর্টিকেল বস্তায় আধা চাষের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা সম্ভব। আদা চাষ করতে ভালো বীজের প্রয়োজন। ভালো বীজ হলে আদার ফলন অনেক বেশি হয়। স্থানীয় বাজারগুলোতে দেশি ও হাইব্রিড জাতীয় আদার বিষ পাওয়া যায়। দেশি বীজের চাইতে হাইব্রিড বীজগুলো বপন করলে ফলন বেশি পাওয়া যায়।

সাধারণত স্থানীয় বাজার অথবা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে সংগ্রহ করা যেতে পারে। আমরা সাধারণত দুইভাবে আদায়ের সংগ্রহ করতে পারি।

অনলাইনের মাধ্যমেঃ বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে আদার বীজ সংগ্রহ করা যেতে পারে। বিভিন্ন কৃষি সরঞ্জামাদি ও বীজের জন্য নির্ভরযোগ্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে। এগুলো ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই সাধারণত আদার বীজ সংগ্রহ করা যায়।

স্থানীয় কৃষকদের মাধ্যমেঃ আমাদের দেশে যেগুলো জায়গায় আদা চাষ করা হয় সেই সকল কৃষকদের কাছ থেকে ভালো মানের বীজ সংগ্রহ করা যেতে পারে। কৃষকদের কাছ থেকে আদার বীর সংগ্রহ করতে হলে দেশের যেগুলো প্রান্তে আদার চাষ করা হয় সেখানে যেয়ে বীজ সংগ্রহ করতে হবে।

এছাড়াও বাজার থেকে ভালো করে বেঁচে আদার বীজ সংগ্রহ করে রোপন করা যেতে পারে। আদার রোপন করতে হলে ভালো আধার বীজ সংগ্রহ করে রোপন করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

লেখকের মন্তব্য

সুপ্রিয় পাঠক বৃন্দ বস্তায় আদা চাষের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করা সম্ভব বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শেষ করলাম। আদ্যা অত্যন্ত উপকারী মসলা ও ঔষধি পণ্য। আদাতের পর্যাপ্ত এন্টি ইনফ্লামেটরি ও এন্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে। যার কারনে আদা চাষে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে বস্তায় আদা চাষ অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

আজকের আর্টিকেলে বস্তায় আদা চাষের ব্যাপারে যাবতীয় তথ্য আলোচনা করা হলো। আজকের আর্টিকেলে গুগল সহ বিভিন্ন সাময়িকী থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে এবং উপকৃত হবেন। কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url