পাকস্থলীর ক্যান্সারের প্রাথমিক ১৫টি লক্ষণ

সুপ্রিয় বন্ধুগণ পাকস্থলীর ক্যান্সারের প্রাথমিক ১৫টি লক্ষণ বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শুরু করলাম। পাকস্থলীর ক্যান্সার মরণঘাতী রোগ যা ৬০ ভাগ Helicobacter pylori. নামক ব্যাকটেরিয়ার দ্বারা সংক্রমনের মাধ্যমে হয়ে থাকে।
যার কারণে ভালো চিকিৎসা করা প্রয়োজন। এছাড়া পাকস্থলী ক্যান্সার প্রতিরোধের ব্যাপারে জানতে হবে। পাকস্থলী ক্যান্সার ব্যাপারে জানতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

ভূমিকা

প্রিয় পাঠক আজকের আর্টিকেল পাকস্থলীর ক্যান্সারের প্রাথমিক ১৫টি লক্ষণ। পাকস্থলীর ক্যান্সার সাধারণত গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার নামে পরিচিত। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমনের কারণে পাকস্থলী ক্যান্সারের ৬০ ভাগ লোক আক্রান্ত হয়। ধূমপানের কারণে ৩৩ ভাগ লোকের পাকস্থলী ক্যান্সার হয়। যার কারণে ধূমপান থেকে দূরে থাকা প্রয়োজন।
প্রতিবছরের বাংলাদেশ থেকে প্রায় 91 হাজার ৩ হাজার ৩ শত ৩৯ জন বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার রোগে মারা যায়। ক্যান্সার বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবক্যানের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা ১৩ থেকে ১৫ লাখ। ক্যান্সার সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জানতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

পাকস্থলীর ক্যান্সারের প্রাথমিক ১৫টি লক্ষণ

পাকস্থলী ক্যান্সার একপ্রকার মরণব্যাধি। যার কারণে পাকস্থলী ক্যান্সার প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা দরকার। সাধারণত পেটে টিউমার থেকে পাকস্থলী ক্যান্সার হতে পারে।সাধারণত পাকস্থলী ক্যান্সার হতে দূরে থাকতে স্বাস্থ্যকর খাবার এবং তামাক জাতীয় দ্রব্য থেকে দূরে থাকা প্রয়োজন। পাকস্থলীর ক্যান্সারের প্রাথমিক ১৫টি লক্ষণ আলোচনা করা হলো।

*শারীরিক কোন জটিলতা ছাড়াই হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়া।
*সব সময় বদহজম ও পেটের অস্বস্তিকর অবস্থা তৈরি হওয়া। এক্ষেত্রে গ্যাসের ট্যাবলেট খাওয়ার পরেও কোন উন্নতি হয় না।
*পেটে পর্যাপ্ত ব্যাথা হয় এবং অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়।
*পরিপূর্ণ খাওয়া যায় না অল্প খাওয়াতে খাওয়ার চাহিদা মিটে যায়।
*খাবার গিলতে সমস্যা হয়। সাধারণত পাকস্থলীর ক্যান্সারের কারণে খাবারগুলো পাকস্থলির উপরে থাকে।
*সব সময়ে বমি বমি ভাব হয় এবং হঠাৎ করে বামন হতে পারে।
*রক্তস্বল্পতা তৈরি হয়। এই ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার মাধ্যমে রক্ত উৎপন্ন হয় না। যার কারণে ত্বক ফ্যাকাসে হয়।
*পর্যাপ্ত শারীরিক ক্লান্তি সৃষ্টি হয়। কোন কাজে মন বসে না এবং সামান্য কাজ করতে ক্লান্তিবোধ তৈরি হয়।
*অন্ত্রের বিভিন্ন রকম পরিবর্তন দেখা যায়। বিশেষ করে কোষ্ট কাঠিন্য ডায়রিয়া সবসময় লেগে থাকে।
*পেট ফুলে যায়। এছাড়া পেটের বিভিন্ন অংশ যেমন লিভার বা অন্যান্য জায়গায় তরল জমা হয়।
*ক্ষুধা মন্দা তৈরি হয়। কোন কিছু খেতে ভালো লাগে না। এ জন্য আস্তে আস্তে শরীর দুর্বল হয়।
*সব সময় জন্ডিসের সমস্যা লেগে থাকে এবং জন্ডিসের যাবতীয় লক্ষণ প্রকাশ পায়।
*মাঝে মাঝে রক্ত বমি হয়। পায়খানা হওয়ার সময় মলের সঙ্গে রক্ত বাহির হয় অথবা কালো এক ধরনের মল হয়।
*ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর পর্যাপ্ত জ্বর হয়। পাকস্থলী ক্যান্সারে জায়গা থেকে জ্বর শরীরের অন্যান্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।
*প্রস্রাবের সঙ্গে রক্তপাত এবং মূত্রাশয়ের কার্যক্রমের বিভিন্ন পরিবর্তন দেখা যায়।

পাকস্থলীর ক্যান্সার কেন হয়

পাকস্থলী ক্যান্সারের সঠিক কারণ এখনো জানা সম্ভব হয়নি। তবে সাধারণত কিছু কারণ আছে যেগুলোর কারণে পাকস্থলী ক্যান্সার হয়। আজকের আর্টিকেল পাকস্থলীর ক্যান্সারের প্রাথমিক ১৫টি লক্ষণ। পাকস্থলী ক্যান্সার কেন হয় তা আলোচনা করা হলো।
*সাধারণত পাকস্থলীতে Helicobacter pylori. নামক ব্যাকটেরিয়া সংক্রমনের ফলে প্রদাহ সৃষ্টি হয় যা থেকে পাকস্থলীর ক্যান্সার এর ঝুঁকি বাড়ে।
*পাকস্থলির আস্তরণে দীর্ঘ প্রদাহ হলে দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস্ট্রাইটিস এর কারণে পাকস্থলী ক্যান্সার হতে পারে।
*কয়লার খনি অথবা এ ধরনের জায়গায় কাজ করার ফলে পাকস্থলী ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।
*বয়স ৫৫ বছর পার হলে পাকস্থলী ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।
*লিঙ্গ ভেদে মহিলাদের চাইতে পুরুষদের পাকস্থলী ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি।
*সাধারণত পাকস্থলী ক্যান্সার হয়েছে এমন পরিবারের উত্তরসূরিদের পাকস্থলী ক্যান্সারে ঝুঁকি বেশি।
*জাতিসত্তার দিক দিয়ে বিভিন্ন দেশের মানুষ বিশেষ করে এশিয়ান স্প্যানিশ আফ্রিকান আমেরিকানদের পাকস্থলী ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি।
*ক্ষতিকারক অ্যামোনিয়া এর সংস্পর্শে থাকার কারণে অ্যামোনিয়া লোহিত রক্তকণিকা কমিয়ে দেয় যার ফলে পাকস্থলী ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।
*ধূমপান ও তামাক পান লোকদের পাকস্থলী ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক বেশি।
*ডায়েটে লবণ বেশি খাওয়া আচারযুক্ত খাবার বেশি খাওয়ার কারণে পাকস্থলী ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।

পাকস্থলীর ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায়

সাধারণত কোন রোগের চিকিৎসার আগে উক্ত রোগ প্রতিরোধ করা অত্যন্ত উত্তম পন্থা। প্রতিরোধের মাধ্যমে উক্ত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। আজকের আর্টিকেল পাকস্থলীর ক্যান্সারের প্রাথমিক ১৫টি লক্ষণ। পাকস্থলী ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায় আলোচনা করা হলো।

হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি নির্মূল করাঃ হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি নামক ব্যাকটেরিয়ার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে তা নির্মূল করা প্রয়োজন। এছাড়াও শরীরে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধক নিয়মিত প্রোবায়োটিক খাওয়া প্রয়োজন। নিয়মিত প্রবায়োটিক খাওয়ার মাধ্যমে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয় যা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।

সুষম খাদ্য খাওয়াঃ পাকস্থলী ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সুষম খাবার খাওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে ভিটামিন মিনারেল এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ বিভিন্ন শাক সবজি ও ফলমূল খাওয়া প্রয়োজন। প্রোটিন খাওয়ার সময় চর্বিযুক্ত মাংস এড়িয়ে চলা ভালো।

তামাক জাতীয় সকল দ্রব্য পরিহার করাঃ তামাক জাতীয় সকল দ্রব্য যেমন ধূমপান জর্দা গুল ইত্যাদি পরিহার করা প্রয়োজন। তামাক ও ধূমপায়ীদের থেকে দূরে থাকা প্রয়োজন। তামাক জাতীয় দ্রব্য খাওয়ার মাধ্যমে পাকস্থলী ক্যান্সারের ঝুকিয়ে বেড়ে যায়।

অ্যালকোহল সেবন পরিহার করাঃ অ্যালকোহল জাতীয় নিষা দ্রব্য পান করার মাধ্যমে পাকস্থলী ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যার কারণে অ্যালকোহল জাতীয় যাবতীয় দ্রব্য পান করা থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। অ্যালকোহল পানের কারণে পাকস্থলী ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এছাড়াও অ্যালকোহল পান এর কারণে শরীরের তরলের ভারসাম্য রক্ষা হয় না।

শারীরিক ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখাঃ নিয়মিত কাজকর্ম ও ব্যায়াম করার মাধ্যমে শারীরিক ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন। ওজন বেশি হলে পাকস্থলী ক্যান্সারে ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়াও যাদের ওজন বেশি লাল চর্বিযুক্ত মাংস পরিহার করা প্রয়োজন। সর্বদা পরিশ্রম এবং স্বাস্থ্যকর ডায়েটের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

পাকস্থলীর ক্যান্সার রোগীর খাবার

যেগুলো খাবার সহজে তৈরি করা যায় এবং সহজে হজম হয় এছাড়া পর্যাপ্ত পুষ্টিগুণ রয়েছে সেগুলো খাবার পাকস্থলী ক্যান্সার রোগীদের জন্য উত্তম খাবার। সাধারণত পাকস্থলী ক্যান্সার রোগীদের খাবারগুলো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত খাবার হওয়া প্রয়োজন। পাকস্থলীর ক্যান্সার রোগীদের খাবারের তালিকা আলোচনা করা হলো।
বেরি জাতীয় ফলঃ স্ট্রবেরি ব্লুবেরি জাতীয় ফলে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি ফাইটোকেমিক্যাল এর মত এন্টিঅক্সিডেন্ট বিদ্যমান। পাকস্থলী ক্যান্সার রোগীদের জন্য এই জাতীয় খাবার অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বেরি জাতীয় ফলে যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে তা ক্যান্সারের প্রভাব কমাতে সহায়তা করে। এজন্য বেরি জাতীয় ফল খাওয়া প্রয়োজন।

টমেটো খাওয়াঃ টমেটোতে পর্যাপ্ত লাইকোপিন নামক ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে। ফাইটোকেমিক্যাল একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এইজন্য নিয়মিত টমেটো খাওয়ার মাধ্যমে পাকস্থলী ক্যান্সার এর প্রভাব কমে। যার কারণে টমেটো ও টমেটো জাতীয় খাদ্য নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে।

সবুজ শাকঃ পাকস্থলী ক্যান্সার রোগীদের জন্য সবুজ শাক খাওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সবুজ শাক, পালং শাক ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। সবুজ সাকে পর্যাপ্ত ফাইবার ও ফোলেট রয়েছে যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। এছাড়াও সবুজ সাকে উপস্থিত ফোলেট শরীরের নতুন কোষ তৈরি করে।

নিয়মিত গাজর খাওয়াঃ গাজরে উপস্থিত বেটা ক্যারোটিন ভিটামিন ও ফাইটোকেমিক্যাল ক্যান্সার জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করে। জার্নাল অফ এগ্রিকালচার এন্ড ফুড কেমিস্ট্রি এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে রান্না করা গাজর থেকে কাঁচা গাজরে বেশি অ্য্যান্টিঅক্সিডেন্ট হয়েছে। যার কারণে কাঁচা গাজর খাওয়ার মাধ্যমে পাকস্থলী ক্যান্সার এর প্রভাব কমে। 

দানাশস্য খাওয়াঃ দানা সস্যে পর্যাপ্ত ফাইবার কার্বোহাইড্রেট ফাইটোকেমিক্যালস ভিটামিন ও মিনারেল বিদ্যমান। এই কারণে দানাশস্য পাকস্থলী ক্যান্সারের জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করে। যার কারণে পাকস্থলি ক্যান্সার রোধের নিয়মিত দানাশস্য খাওয়া যেতে পারে।

মাছ ও মাংস খাওয়াঃ শারীরিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য নিয়মিত প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে মুরগির মাংস, মটন, মাছ, ডিম, ইত্যাদি জ্ঞজাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন। তবে প্রক্রিয়াজাত মাংস ও চর্বিযুক্ত লাল মাংস এড়িয়ে চলা ভালো।

ক্রুসিফেরাস জাতীয় সবজি খাওয়াঃ ক্যান্সার রোগীদের জন্য ক্রুসিফেরাস জাতীয় সবজি যেমন ব্রকলি, বাঁধাকপি, ফুল কপির মত সবজি খাওয়া যেতে পারে। এগুলো সবজিতে ভিটামিন সি ও পর্যাপ্ত ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে। যার কারনে পাকস্থলী ক্যান্সার রোগীদের জন্য ক্রুসিফেরাস জাতীয় সবজি খাওয়া প্রয়োজন।

দই খাওয়াঃ টক দই হজমের জন্য অনেক উপকারী প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। টক দইয়ে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট উপাদান সমৃদ্ধ খাবার যা পাকস্থলী ক্যান্সার রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।এছাড়াও টক দই প্রোবাবায়োটিক সমৃদ্ধ। দইয়ের বাড়তি স্বাধ ও পুষ্টির পরিমাণ বাড়ানোর জন্য দইয়ের সঙ্গে দারুচিনি, বেরি জাতীয় ফল বা বাদাম যোগ করা যেতে পারে।

সোয়াঃ সোয়াতে পর্যাপ্ত আইসোফ্ল্যাভোনয়েড ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট রয়েছে যা পাকস্থলী ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করে। পাকস্থলী ক্যান্সার রোগীদের পরিমাণ মতো সোয়া দুধ, টোফু খাওয়া যেতে পারে।

পাকস্থলীর ক্যান্সারের চিকিৎসা

পাকস্থলী ক্যান্সারের চিকিৎসা অনেকটা নির্ভর করে ক্যান্সারের ধরন এর উপর। প্রাথমিক অবস্থা হলে খুব সহজে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলা যায়। আজকের আর্টিকেল পাকস্থলীর ক্যান্সারের প্রাথমিক ১৫টি লক্ষণ। পাকস্থলীর ক্যান্সারের চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

সার্জারির মাধ্যমে চিকিৎসাঃ পাকস্থলী ক্যান্সারের চিকিৎসায় পেটের সমস্ত অংশ অথবা কিছু অংশ অপসারণ করার জন্য সার্জারির মাধ্যমে চিকিৎসা করা।

কেমোথেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসাঃ পাকস্থলী ক্যান্সারের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি এমন এক ধরনের ওষুধ যা ব্যবহার করে ক্যান্সারের কোষকে মেরে ফেলা হয়। সাধারণত পাকস্থলী ক্যান্সারে অস্ত্রপচারের আগে অথবা পরে টিউমার সংকুচিত করতে অথবা অবশিষ্ট ক্যান্সারের কোষগুলোকে মেরে ফেলার জন্য কেমোথেরাপি ব্যবহার করা হয়।

রেডিয়েশন থেরাপিঃ পাকস্থলী ক্যান্সারে ক্যান্সারের কোষ কে মেরে ফেলার জন্য রেডিয়েশন থেরাপি উচ্চশক্তি বিকিরণ ব্যবহার করে চিকিৎসা করা হয়। এই প্রক্রিয়া কেমোথেরাপি অথবা অস্ত্রোপচারের সাথে সংমিশ্রণ করে ব্যবহার করা যেতে পারে।

লেখকের মন্তব্য

সুপ্রিয় পাঠক বৃন্দ পাকস্থলীর ক্যান্সারের প্রাথমিক ১৫টি লক্ষণ বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা হল। পাকস্থলী ক্যান্সার এটি মরণঘাতী রোগ। তবে এই রোগ প্রাথমিকভাবে ধরা পড়লে অনেকটাই নিরাময় সম্ভব। পাকস্থলী ক্যান্সার এর লক্ষণ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সুচিকিৎসা করা প্রয়োজন। সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে পাকস্থলীর ক্যান্সার নিরাময় করা যায়।

পাকস্থলী ক্যান্সার ব্যাপারে আজকের আর্টিকেলে বিস্তারিত লেখা হয়েছে। আজকের আর্টিকেলটি গুগল সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সাময়িকী থেকে সংগ্রহ করে লেখা হয়েছে। পাকস্থলীর ক্যান্সার ব্যাপারে জানতে আজকের আর্টিকেল ভিজিট করুন। কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url