ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া উপায়
সুপ্রিয় পাঠক বৃন্দ ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া উপায় বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শুরু করলাম। আজকের আর্টিকেলে আরো লেখা হবে গায়ের গন্ধ দূর করার ঘরোয়া উপায়। আপনার বাথরুমকে দুর্গন্ধ মুক্ত রাখুন সহজ সাতটি উপায়।
এগুলো বিষয়ে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যার কারণে এগুলো বিষয় জানতে আজকের আর্টিকেলের সঙ্গে থাকুন।
ভূমিকা
আজকের আর্টিকেল ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া উপায়। ব্যবসা গরমের সময় অধিকাংশ মানুষের গায়ে পর্যাপ্ত ঘাম হয়। শরীরের পর্যাপ্ত ঘাম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘামের সঙ্গে পর্যাপ্ত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধে। ঘামের সঙ্গে ব্যাকটেরিয়া বাসা বাধার কারণে গায়ের পর্যাপ্ত গন্ধ হয়। যার কারণে পরস্পর মিশা অত্যন্ত কষ্টকর হয়।
আর ও পড়ুনঃ রাসেল ভাইপার সাপের উপদ্রপ থেকে বাচার উপায়
এছাড়াও পর্যাপ্ত গায়ের ঘাম হলে শরীর অত্যন্ত দুর্বল হয়। যার কারণে অত্যাধিক ঘাম দূর করে গায়ের গন্ধ থেকে বাঁচার প্রয়োজন। সাধারণত কিছু ঘরোয়া টোটকা ব্যবহারের মাধ্যমে ঘামের পরিমাণ কমিয়ে আনা সম্ভব। এছাড়া গায়ের গন্ধ দূর করা প্রয়োজন। গায়ে পর্যাপ্ত গন্ধ হলে বন্ধু সমাজে মিশা অত্যন্ত কষ্টকর হয়। গায়ের গন্ধ দূর করার ব্যাপারে জানতে আজকের আর্টিকেলের সঙ্গে থাকুন।
গায়ের গন্ধ দূর করার ঘরোয়া উপায়
অনেকের গায়ের অত্যন্ত গন্ধ থাকে যার লোক সমাজে ওঠাবসা কষ্টকর হয়। করে গরমের সময় গায়ের গন্ধ আরো প্রকট হয়। বিশেষ করে বাতাসের আদ্রতা বেশি থাকলে শরীর ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে এসে ব্যাকটেরিয়া শরীরকে গন্ধ করে। কিছু টোটকা ব্যবহারের মাধ্যমে গায়ের গন্ধ দূর করা সম্ভব। গায়ের গন্ধ দূর করার ঘরোয়া উপায় আলোচনা করা হলো।
নিয়মিত গোসল করতে হবেঃ নিয়মিত গোসলের মাধ্যমে গায়ের গন্ধ দূর করা সম্ভব। গায়ে ঘাম জমলে সেখানে ব্যাকটেরিয়া আক্রান্ত করে এবং আস্তে আস্তে ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। গায়ের সংস্পর্শে ব্যাকটেরিয়া থাকার জন্য শরীর দুর্গন্ধ করে।
যার কারণে শরীর থেকে ব্যাকটেরিয়া দূর করে পরিচ্ছন্নতা অর্জনের জন্য গোসল করার প্রয়োজন। এছাড়াও গোসল করার সময় বিভিন্ন অ্যান্টিসেপটিক সাবান ব্যবহার করা যেতে পারে।
লেবু ব্যবহারের মাধ্যমেঃ লেবু প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। লেবুতে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি এবং এন্টি মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন। যার কারনে শরীরের ব্যাকটেরিয়া দূর করতে লেবু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ক্ষেত্রে লেবু কেটে নে বগলের ব্যবহার করতে পারেন। লেবু বগলে ব্যবহারের ফলে ব্যাকটেরিয়া জমতে পারে না এবং পাশাপাশি গায়ের গন্ধ হয় না।
মেথি পানি খাওয়ার মাধ্যমেঃ শরীর থেকে টক্সিন বাহির করলে গায়ের গন্ধ অনেকটা কমে যায়। এক্ষেত্রে মেথি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সন্ধ্যায় এক গ্লাস পানিতে কিছু মেথি ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে খালি পেটে মেথি মিসানো পানি নিয়মিত খাওয়া প্রয়োজন। মেথি ভিজানো পানি খাওয়ার ফলে শরীর থেকে টক্সিন দূর হয়।
এছাড়া মেথিতে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যার কারণে শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া গুলো ধ্বংস হয়। এইজন্য নিয়মিত মেথি পানি খাওয়ার ফলে শরীরের গন্ধ দূর হয়।
নিম পাতার পেস্ট ব্যবহারঃ নিম পাতার পেস্টে বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা রয়েছে। নিম পাতায় অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল, এন্টি ব্যাকটেরিয়াল, ও এন্টিসেপটিক, বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যার কারনে নিম পাতা ব্যবহার করার ফলে গায়ের গন্ধ দূর হয়।
নিয়ম হল গোসলের আগে নিম পাতার পেস্ট বগল ও শরীরে ভালো করে ব্যবহার করতে হবে এবং ১৫ মিনিট পরে গোসল করে ধুয়ে ফেলতে হবে। এভাবে ব্যবহারের ফলে গায়ের গন্ধ দূর হবে।
ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া উপায়
অনেকের অত্যাধিক বেশি গা ঘামে ও অনেকের গা কম ঘামে। বিশেষ করে গা অথবা বগল ঘামার কারণে এক ধরনের গন্ধ তৈরি হয়। এই গন্ধের জন্য নিজেকে অনেক কষ্ট হয়। কিছু টোটকা ব্যবহারের ফলে শরীর ও বগলের ঘামের গন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া উপায় আলোচনা করা হলো।
বগল পরিষ্কার রাখাঃ বগলে এপোক্রাইন গ্লান্ড অনেক বেশি থাকে যার ফলে বগল বেশি খামে। যার কারনে নিয়মিত এন্টি ব্যাকটেরিয়াল সাবান দিয়ে বগল ও শরীর পরিষ্কার করতে হবে। বগলের লোম সর্বদা পরিষ্কার রাখতে হবে।
বগল পরিস্কার ও বগলের লোম পরিষ্কার রাখলে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণের পরিমাণ কমে যায় যার ফলে ঘামের দুর্গন্ধ হয় না। এছাড়া গোসলের সময় অ্যান্টিসেপটিক সাবান ব্যবহার করা যেতে পারে।
গরম পানি দিয়ে গোসল করাঃ প্রতিদিন কমপক্ষে একবার গরম পানিতে গোসল করা প্রয়োজন। গরম পানি দিয়ে গোসল করার ফলে শরীরে ব্যাকটেরিয়া জমতে পারে না যার কারণে গায়ের গন্ধ হয় না। গরমের সময় গা ঘামার কারণে ঘামের সঙ্গে যে ব্যাকটেরিয়া থাকে দিনে দুই-তিনবার গোসলের মাধ্যমে সেই ব্যাকটেরিয়া দূর করা সম্ভব।
ন্যাচারাল ফাইবারযুক্ত কাপড় পরিধানঃ সাধারণত সুতি বা সিল্ক জাতীয় কাপড় পরিধান করা প্রয়োজন। সুতি ও সিল্ক জাতীয় কাপড় পরিধানের কারণে শরীরের ত্বক শ্বাস প্রশ্বাস গ্রহণ করতে পারে। শরীর থেকে ঘাম তাড়াতাড়ি বাস্পায়িত হওয়ার কারণে ঘামের সঙ্গে ব্যাকটেরিয়া শরীরে থাকতে পারে না।
পায়ের ঘামের ট্রিটমেন্ট করাঃ অনেক সময় দেখা যায় জুতা থেকে পা খুললে বিশ্রী এক ধরনের গন্ধ তৈরি হয়। পায়ের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য প্রতিদিন একবার হলেও গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলা প্রয়োজন। এছাড়া পায়ে উল ও ম্যানমেড ফাইবার সংমিশ্রণে তৈরি মোজা পরিধান করা প্রয়োজন।
লেবু ও মধু ব্যবহারঃ লেবুর সঙ্গে মধু ব্যবহারের মাধ্যমে শরীরের ঘাম ও ঘামের গন্ধ প্রতিরোধ করা যায়। এক্ষেত্রে নিয়ম হলো একটি বাটিতে হালকা গরম পানি নিয়ে দুই টেবিল চামচ মধু আর তিন টেবিল চামচ লেবুর রস নিয়ে মিশ্রণ তৈরি করতে হবে।
এরপরে শরীরে যে যে স্থানে ঘামে সেগুলো স্থানে এই মিশ্রণ ব্যবহার করতে হবে। এরপরের শুকনা তোয়ালে দিয়ে শরীর মুছলে ঘামের দুর্গন্ধ দূর হয়ে যাবে। এছাড়া লেবু ঘামের পরিমাণ কমিয়ে আনে।
নিমের পাতা ব্যবহারঃ নিমের পাতার ব্যবহার করার ফলে শরীরের ঘামের গন্ধ দূর করা যায়। এক্ষেত্রে নিয়ম হলো একটি পাত্রে ফুটন্ত গরম পানিতে কিছু নিমের পাতা দিতে হবে। নিমের পাতাসহ ২০ মিনিট পানি ফুটিয়ে নিতে হবে। এরপরে পানি কুসুম কুসুম গরম হলে তোয়ালে দিয়ে উক্ত পানি সমস্ত শরীরে মুছে দিতে হবে। এভাবে নিম পাতা ব্যবহার করলে গায়ে ঘামের গন্ধ দূর হয়ে যাবে।
ভিনেগার ব্যবহারের ফলেঃ ভিনেগার ব্যবহারের ফলে গায়ের ঘাম কমে যায় এবং ঘামের গন্ধ দূর হয়ে যায়। এক্ষেত্রে নিয়ম হলো রাতে ঘুমানোর সময় ভিনেগার দুই বগলে ভালো করে মুছে দিতে হবে এবং যে জায়গায় ঘাম বেশি হয় সেই জায়গায় ভিনেগার দিয়ে মুছে দিলে ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
টি ট্রি অয়েল ব্যবহারঃ টি ট্রি ওয়েল ব্যবহারের মাধ্যমে গায়ে ঘামের দুর্গন্ধ দূর হয়। এক্ষেত্রে নিয়ম হল একটি স্প্রে বোতলে কিছু পানি নিয়ে সেখানে তিন থেকে চার ফোটা টি ট্রি ওয়েল মিশ্রিত করতে হবে। এরপরে গোসলের আগে ঘামের জায়গাগুলোতে স্প্রে করতে হবে। ২০ মিনিট রেখে গোসল করলে গায়ে ঘামের গন্ধ দূর হয়।
শসা খাওয়ার মাধ্যমেঃ শসাতে পানির পরিমাণ বেশি থাকে যা গায়ে ঘামের গন্ধ দূর করে। এজন্য নিয়মিত প্রতিদিন শসা খাওয়া যেতে পারে। প্রতিদিন শসা খাওয়ার মাধ্যমে গায়ের ঘামের গন্ধ দূর হয়।
সালফিউরিক জাতীয় খাবার খাওয়াঃ সালফিউরিক জাতীয় খাবার খাওয়ার মাধ্যমে গায়ে ঘামের গন্ধ দূর করা যায়। সালফিউরিক জাতীয় খাবারের মধ্যে রয়েছে ব্রকলি বাঁধাকপি ফুলকপি। এগুলো সবজিতে পর্যাপ্ত মিনারেল ও সালফার রয়েছে যা গায়ের ধামের গন্ধ দূর করে।
আপনার বাথরুমকে দুর্গন্ধমুক্ত রাখুন সহজ ৭টি উপায়ে
বাথরুমকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা দরকার যার কারণে বাথরুমে পর্যাপ্ত দুর্গন্ধ না থাকে। কথায় আছে একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব তার বাথরুম দেখলেই বোঝা যায়। এছাড়া বাথরুম ভালোভাবে সাজালে অনেক ভালো লাগে। তবে সবচাইতে দরকারি হল বাথরুম দুর্গন্ধ মুক্ত রাখা। বাথরুম পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখলেও বাথরুম থেকে দুর্গন্ধ যেতে চায় না মনে হয়।
আর ও পড়ুনঃ মেয়েদের হরমোনের সমস্যা দূর করার ১০টি উপায়
যার কারণে কিছু ঘরোয়া টোটকা ব্যবহারের মাধ্যমে বাথরুমের গন্ধ দূর করা যায়। বাথরুম দুর্গন্ধ মুক্ত রাখার ঘরোয়া টোটকা গুলো আলোচনা করা হলো।
বাথরুমের জানালা খোলা রাখতে হবেঃ সব সময় বাথরুমের জানালা খোলা রাখতে হবে। বাথরুমের জানালা খুলে রাখার মধ্যে বাথরুমের ও বাহিরের বাতাস যাতায়াত করতে পারে। বাথরুমে পর্যাপ্ত বাতাস প্রবেশ করলে বাথরুমের দুর্গন্ধ কমে যায়।
বাথরুমে ফ্রেশনার ব্যবহারঃ সাধারণত ঘরে ফ্রেশনার ব্যবহারের মাধ্যমে ঘরের গন্ধ দূর করা হয়। অনুরূপভাবে বাথরুমে নিয়মিত ফ্রেশনার ব্যবহার করা প্রয়োজন। বাথরুমের দুর্গন্ধ হলেই সঙ্গে সঙ্গে হালকা ফ্রেশনার স্প্রে করে দেওয়া প্রয়োজন। ফ্রেশনার স্প্রে করে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাথরুমের দুর্গন্ধ দূর হয়ে যাবে।
ব্রেকিং পাউডার ব্যবহারঃ বাথরুম ও বাথরুমের কমোড পরিষ্কার ও দুর্গন্ধ মুক্ত রাখার জন্য ব্রেকিং পাউডার ব্যবহার করা যেতে পারে। বাথরুমে ও কমোডে বেকিং পাউডার ব্যবহারের ফলে বাথরুম ও কোমরের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
এক্ষেত্রে নিয়ম হল বাথরুম বেকিং পাড়ার ছিটিয়ে রেখে এক ঘন্টা পরে ফ্রাস করে ফেলতে হবে। তাহলে কমোড নতুনের মত উজ্জ্বল এবং দাগ দূর হবে সাথে সাথে বাথরুমের দুর্গন্ধ দূর হয়ে যাবে।
ভিনেগার ব্যবহারঃ অনেকে বাথরুমে সিগারেট খান যার কারণে বাথরুম অত্যন্ত দুর্গন্ধ হয়। এছাড়া বাথরুমের জানালা বন্ধ করলেও অনেক ক্ষেত্রে বাথরুম অত্যন্ত দুর্গন্ধ হয়। এক্ষেত্রে একটি তোয়ালেতে ভিনেগার মিশিয়ে উক্ত তোয়ালে বাথরুমের ভিতরে রাখা যেতে পারে। এভাবে ভিনেগার মিশ্রিত তোয়ালে রাখার মাধ্যমে বাথরুমের দুর্গন্ধ দূর হয়।
বাথরুম শুকনো রাখাঃ বাথরুম সবসময় শুকনো রাখার চেষ্টা করতে হবে। বাথরুম ভিজা এবং স্যাতসেতে থাকলে অত্যন্ত বেশি দুর্গন্ধ হয়। বাথরুম ভিজে থাকলে জানালা খুলে দেওয়ার মাধ্যমে বাথরুম খুব তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়। বাথরুম শুকনো রাখলে বাথরুমের গন্ধ কমে যায়।
বাথরুমে ভিজা তোয়ালে না রাখাঃ বাথরুমের ভিজা তোয়ালে রাখলে তোয়ালের গন্ধের কারণে বাথরুমে দুর্গন্ধ হয়। যার কারণে বাথরুমে ভিজা তোয়ালে রাখা যাবে না। এছাড়া বাথরুমে ভিজা তোয়ালে রাখলে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে।
মোমবাতি রাখাঃ বাথরুমের দুর্গন্ধ দূর করতে সুগন্ধিযুক্ত মোমবাতি রাখা। এছাড়া বাথরুমে মোমবাতি রাখলে বাথরুমের সৌন্দর্য বৃদ্ধি হয়। বাথরুমে সৌন্দর্যমন্ডিত মোমবাতি রাখার ফলে বাথরুমের দুর্গন্ধ দূর হয়।
শরীরের দুর্গন্ধ হওয়ার কারণ
আমাদের শরীরে সোডিয়াম ও ক্লোরাইড এর মত কিছু উপাদান থাকে। সাধারণত বিভিন্ন গ্রন্থির কারণে গা ঘামে। যার কারণে লক্ষ রাখতে হবে কোন গ্রন্থির কারণে আমাদের গা ঘেমেছে। সাধারণত আমাদের গ্রামের গন্ধ সৃষ্টিকারী দুই ধরনের ঘর্ম গ্রন্থি রয়েছে। গ্রন্থি দুটি হল এক্রিন ও অ্যাপোক্রিন। এক্রিন গ্রন্থি থেকে ঘাম হলে এই ঘাম দেখতে পানির মতো এবং দুর্গন্ধহীন হয়।
আর ও পড়ুনঃ ওজন ও সুগার লেভেল কমাতে বাজারে এল মৌনজারো
এই ঘাম হওয়ার কারণে শরীর ঠান্ডা থাকে। অপরদিকে আমাদের শরীর অ্যাপোক্রিন নামক গ্রন্থি থেকে ঘাম উৎপন্ন হলে সেই ঘামে পর্যাপ্ত গন্ধ হয়। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ গনেরা বলেন শরীরের যেখানে যেগুলো স্থানে লোম বেশি থাকে সেখানে অ্যাপোক্রিন গ্রন্থির দ্বারা ঘাম তৈরি হয়। এই গানগুলো তুলনামূলক ঘন হয়।
অ্যাপোক্রিন গ্রন্থির দ্বারা ঘাম হলে উক্ত ঘামের সংস্পর্শে ব্যাকটেরিয়া আসার কারণে প্রোটিন ও ফ্যাটি এসিড গুলো সংশ্লেষণের কারণে ঘামের দুর্গন্ধ হয়। এছাড়াও কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস, ও লিভার ফেইলর, জাতীয় রোগের কারণে শরীরের দুর্গন্ধ তৈরি হয়।
লেখকের মন্তব্য
সুপ্রিয় পাঠক বৃন্দ ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া উপায় বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা হল। অনেকেরই শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘাম হয়। পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘাম হওয়ার ফলে শরীর থেকে লবণ পানি বাহির হয়ে যায়। যার কারণে শরীর অত্যন্ত দুর্বল হয়। এছাড়া শরীর ঘামার ফলে সেখানে ব্যাকটেরিয়া বাসা বাধে।
যার কারণে শরীর অত্যন্ত বেশি ঘাম কমিয়ে আনার চেষ্টা করতে হবে। আজকের আর্টিকেলে শরীরের দুর্গন্ধ ও ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি আজকের আর্টিকেল আপনাদের ভালো লাগবে এবং উপকৃত হবেন। কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url