রাসেল ভাইপার সাপের উপদ্রপ থেকে বাচার উপায়

সুপ্রিয় পাঠকগণ রাসেল ভাইপার সাপের উপদ্রব থেকে বাঁচার উপায় বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শুরু করলাম। আজকে আরো লেখা হবে রাসেল ভাইপার কামড়ালে কি হয়। রাসেল ভাইপার সাপের কামড়ের চিকিৎসা। রাসেল ভাইপার সাপ কোন দেশের।
রাসেল ভাইপার কোন জেলায় পাওয়া গেছে। রাসেল ভাইপার সাপের ব্যাপারে সবাই আতঙ্কিত। প্রকৃত পক্ষে আতঙ্কিত না হয়ে রাসেল ভাইপারের উপদ্রব থেকে বাঁচার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

ভূমিকা

আজকের বিষয় রাসেল ভাইপার সাপের উপদ্রব থেকে বাঁচার উপায়। রাসেল ভাইপার বা চন্দ্রবোড়া বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলা আদিনিবাস। এই সাপকে বরেন্দ্র অঞ্চলের সাপ বলা হয়। রাসেল ভাইপার সাপ অত্যন্ত বিষধর যার কাছে কোন মানুষকে পেলে দংশন করে। এই সাপ সাধারণত বিভিন্ন আবর্জনার সঙ্গে লুকিয়ে থাকে।
এছাড়াও রাসেল ভাইপার সাপের দংশনে বহুলক মারা গেছেন এবং বহু লোক পুঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। এগুলো সাপ সাধারণত ইঁদুরসহ পোকামাকড় খাওয়ার জন্য ঝোপ-ঝাড় অথবা বিভিন্ন ফসলি জমিতে অবস্থান করে। ফসল গুলো কাটার সময় রাসেল ভাইপারের আক্রান্তে বহু লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাসেল ভাইপার সম্পর্কে জানতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

রাসেল ভাইপার কামড়ালে কি হয়

প্রিয় পাঠক বৃন্দ রাসেল ভাইপার সম্পর্কে আমাদের জানা প্রয়োজন। আজকের বিষয় রাসেল ভাইপার উপদ্রব থেকে বাঁচার উপায়। রাসেল ভাইপার সাপের আতঙ্কে বাংলাদেশের মানুষ আতঙ্কিত। বাংলাদেশের ২৫ থেকে ৩০ টি জেলায় রাসেল ভাইপার সাপ ছড়িয়ে পড়েছে।

এগুলো জেলার লোকেরা সবসময় আতঙ্কে ভুগতেছেন। রাসেল ভাইপার এমন একটি সাপ যেটি মানুষ দেখলে তেড়ে এসে কামড়ায়। এছাড়াও এ সাপটি কচুরিপানা অথবা বিভিন্ন জঙ্গলে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

এটি দেখতে সাধারণত অজগরের মত মনে হয়। অনেক সময় ক্ষেত খামারে এসব সাপ পড়ে থাকে যা দেখে বোঝা যায় না। সাপের কাছে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সে দংশন করে। রাসেল ভাইপার দংশনের ফলে কি হয় সেগুলো জেনে নিন।

*রাসেল ভাইপার দংশন করার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতস্থানে পর্যাপ্ত ব্যথা হয় এবং কিছুক্ষণের মধ্যে সেই জায়গাটির ফুলে যায়।
*রাসেল ভাইপার দংশন এর ফলে বিভিন্ন জায়গা থেকে রক্তক্ষরণ হয় এছাড়াও রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন কমা শুরু হয়।
*রাসেল ভাইপার দংশন এর ফলে কিছু কিছু লোকের বমি হয় ও মুখ ফুলে যায়।
*রাসেল ভাইপার দংশনের পরে তাড়াতাড়ি চিকিৎসা না নিলে ২৫ থেকে ৩৫ ভাগ লোকের কিডনি বিকল হয়।
* রাসেল ভাইপার দংশনের ফলে রক্তের লোহিত রক্তকণিকাগুলো ধ্বংস হয়।
*রাসেল ভাইপার দংশনের ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গানু যেমন ফুসফুস কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
*রাসেল ভাইপার দংশনের ফলে শরীর জ্বালাপোড়া করার সঙ্গে দংশনের স্থান পচে যায়।
*দ্রুত চিকিৎসা ও এন্টিভেনম প্রয়োগ না করতে পারল রোগী মৃত্যু মুখে পতিত হয়।

এজন্য আসুন রাসেল ভাইপার সাপে দংশন করলে খুব দ্রুত নিকটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জেলা সদর হাসপাতাল অথবা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

রাসেল ভাইপার সাপের উপদ্রপ থেকে বাচার উপায়

প্রিয় পাঠকগণ আসুন জেনে নিই রাসেল ভাইপার সাপের উপদ্রব থেকে বাঁচার উপায়।দেশের বিভিন্ন জায়গায় বন্যা হওয়ার ফলে বিষাক্ত রাসেল ভাইপার লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে। যার কারণে নদীর কূলে অথবা বিভিন্ন বিলের পাশে অবস্থিত লোকালয়ের লোকজন রাসেল ভাইপার আতঙ্কে ভুগতেছে।
এছাড়াও বিভিন্ন নদনদীর পাশে কৃষি জমিতে রাসেল ভাইপারের অবস্থান বেড়ে গেছে। সাধারণত ধান ক্ষেতসহ বিভিন্ন ক্ষেতে ইদুর ও পোকামাকড় খাওয়ার জন্য রাসেল ভাইপার এর অবস্থান বেড়ে গেছে। এইজন্য আমাদের চলাফেরা একটু সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

গত এক দশকে রাসেল ভাইপারের দংশনে শিকার হন প্রায় ২৩৫ জন যার মধ্যে মারা যান ৫৯ জন। গত বছর এ সাপের দংশনে পঞ্চাশ জন লোক মারা যায়। প্রিয় পাঠক আসুন জেনে নিই রাসেল ভাইপার সাপের দংশন থেকে বাঁচার উপায়।

*রাসেল ভাইপার যেহেতু লম্বা ঘাস ঝোপঝাড় অথবা কৃষি জমিতে অবস্থান করে সেই জন্য এগুলো জায়গায় চলাফেরা করার জন্য সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
*সবগুলো সাধারণত গর্ত দেখলে সেখানে ঢুকে পড়ে যার কারণে গর্তে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
*রাসেল ভাইপার থাকে এমন সন্দেহজনক জায়গায় চলাফেরার সময় লম্বা হাতাওয়ালা বুট অথবা লম্বা প্যান্ট পরা প্রয়োজন।
*রাতে চলাফেরার সময় অবশ্যই টর্চ লাইট ব্যবহার করা প্রয়োজন।
*বাড়ির চারপাশে আবর্জনা গুলো সরিয়ে পরিষ্কার করে রাখা প্রয়োজন। যেন বাড়ির আশেপাশে সাপ আশ্রয় নিতে না পারে।
*নষ্ট বিভিন্ন গাছ জ্বালানি লাকড়ি অথবা খড় সরানোর সময় সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
*ঘরের কোথাও ধান অথবা অন্যান্য জিনিস স্তূপ আকারে রাখা যাবে না যাতে এগুলোর ভিতর সাপ ঢুকে না থাকতে পারে।
*বাসা বাড়িতে সাপের উপদ্রব থেকে বাঁচার জন্য কার্বলিক এসিড সাপ প্রবেশ করে এমন জায়গায় রেখে দেওয়া।

সাবধানতা অবলম্বনের ফলে রাসেল ভাইপারের উপদ্রব থেকে বাঁচা সম্ভব। এছাড়াও চলাফেরার ব্যাপারে সবাইকে সাবধানতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া প্রয়োজন। আসুন সাবধানতা অবলম্বন করে রাসেল ভাইপারের উপদ্রব থেকে বাঁচার চেষ্টা করি।

রাসেল ভাইপার সাপের কামড়ের চিকিৎসা

প্রিয় পাঠক আসুন জেনে নিই রাসেল ভাইপার সাপের কামড়ের চিকিৎসা। আজকের আর্টিকেলের বিষয় রাসেল ভাইপার সাপের উপদ্রব থেকে বাঁচার উপায়। রাসেল ভাইপার সাপ মানুষকে দেখার সঙ্গে সঙ্গে পালিয়ে না যে দংশন করে। যার কারনে এই সাপ অত্যন্ত ভয়ঙ্কর।

আমাদের চলাফেরার সময় রাসেল ভাইপার দংশন করলে সঙ্গে সঙ্গে কিছু কাজ করা প্রয়োজন। যেগুলো কাজ করার মাধ্যমে আমরা রাসেল ভাইপার এর দংশনের পরেও বেঁচে যেতে পারি।

সাপে কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া প্রয়োজন। এছাড়াও রোগীকে সান্ত্বনা দেওয়া প্রয়োজন যে সাপে কামড়ানোর ফলে সঠিক চিকিৎসা করলে কোন ক্ষতি হবে না। সাধারণত রাসেল ভাইপার কামড়ের ফলে আতঙ্কিত ও স্ট্রোক করে বেশি লোক মারা যান। যার কারণে রোগীকে আতঙ্কিত হতে দেওয়া যাবে না সবসময় সান্তনা দিতে হবে।

রাসেল ভাইপারের দংশনের জায়গার সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করে ব্যান্ডিস করে ঢেকে দিতে হবে যেন কোনো রকম ময়লা সেখানে না থাকতে পারে। এছাড়াও হাতে রাসেল ভাইপার দংশন করলে হাতের ঘড়ি, ব্রেসলেট, আংটি ইত্যাদি খুলে ফেলতে হবে।

শরীরের কাপড় গুলো ঢিলেঢালা করতে হবে। সাপে দংশিত ব্যক্তিকে শুয়ে দিতে হবে। তবে সোজা করে শোতে হবে যেন কাত না হয়। এছাড়াও আক্রান্ত ব্যক্তিকে বুক একটু উঁচু করে শোতে হবে যেন হার্ট লেভেলের নিচে থাকে।

সাপের দংশনের জায়গা লক্ষ্য করতে হবে যদি দুইটি দাঁতের দ্বারা ক্ষতচিহ্ন থাকে তাহলে মনে করা হবে বিষাক্ত সাপ। এছাড়া অনেকগুলো দাঁতের দংশন এর চিহ্ন থাকলে সেটি বিষাক্ত সাপ নয়। সাপের দংশনের ফলে বিষাক্ত সাপ হলে উক্ত জায়গা জ্বালা যন্ত্রণা শুরু হবে।

রাসেল ভাইপার দংশন করলে কাটা জায়গাতে মুখ লাগিয়ে রক্ত বাহির করা ঠিক নয়। এছাড়াও কোনরকম কেমিক্যাল দেওয়া যাবে না। উত্তর জায়গা কেটে রক্ত বাহির করার চেষ্টা করে সেটা করা যাবে না। কেটে রক্ত বাহির করার চেষ্টা করলে রক্তের শিরা উপশিরাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

রাসেল ভাইপার দর্শনের সঙ্গে সঙ্গে ওঝার কাছে নিয়ে যাওয়া যাবে না। কোন সময় নষ্ট না করে নিকটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর হাসপাতাল, ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শরণাপন্ন হতে হবে।

এছাড়াও চলাফেরার সময় সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। চলাফেরার কাছে যদি রাসেল ভাইপার থাকে তাহলে লোকজনের অবস্থান বুঝে সেখানে যেয়ে দংশন করে।

রাসেল ভাইপার সাপ কোন দেশের

চন্দ্রবোড়া বা রাসেল ভাইপার সাপের আদি নিবাস রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। এই কারণে রাসেল ভাইপার কে বরেন্দ্র অঞ্চলের সাপ বলা হয়। রাজশাহী নবাবগঞ্জ থেকে নদীর অববাহিকা দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিস্তার লাভ করে।

এছাড়াও ভারত পাকিস্তান শ্রীলংকা ও নেপালে রাসেল ভাইপার সাপের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ক্রমান্বয়ে আস্তে আস্তে রাসেল ভাইপার প্রায় ৩২ টি জেলায় উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এক কথায় বলা যেতে পারে রাসেল ভাইপার বাংলাদেশের বরেন্দ্র এলাকার সাপ।

রাসেল ভাইপার কোন জেলায় পাওয়া গেছে

রাসেল ভাইপার সাপকে এক সময় বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। পুনরায় দেশে রাসেল ভাইপার আবার বৃদ্ধি হওয়া শুরু হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় রাসেল ভাইপার ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণত নদীর তীরবর্তী এলাকায় এই সাপের উপদ্রব অনেক বেশি।
রাসেল ভাইপার সাপগুলো পানিতে সাঁতার কেটে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে পারে। গত ১১ বছরে বাংলাদেশের প্রায় ৩২ টি জেলায় রাসেল ভাইপার ছড়িয়ে পড়েছে। চিকিৎসকদের মতে বর্তমান রাসেল ভাইপার সাপে দংশিত রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও পরিবেশ বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয় রাসেল ভাইপার সাপের ব্যাপারে আতঙ্কিত না হয়ে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। চন্দ্রবোড়া বা রাসেল ভাইপার সাপের রং বাদামি হলুদ অথবা বাদামি হলুদ সংমিশ্রণ। রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় এই সাপের উপস্থিতি অনেক বেশি।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ভেনোম রিসার্চ সেন্টার বলেছে ২০১৩ সাল থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে রাসেল ভাইপার নয়টি জেলায় দেখা যায়। ২০১৮ সালে ১১ টি জেলায় রাসেল ভাইপার দেখা যায়। ২০২৩ সালে ২৩ টি জেলায় রাসেল ভাইপার দেখা যায়।

২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত ৩২ টি জেলায় এই রাসেল ভাইপারের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। বর্তমান প্রায় ৩২ টি জেলায় এই রাসেল ভাইপার দেখা যায়। জেলাগুলো হলোঃ

*রাজশাহী জেলা।
*চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা।
*নীলফামারী জেলা।
*দিনাজপুর জেলা।
*রংপুর জেলা।
*বগুড়া জেলা।
*পাবনা জেলা।
*নাটোর জেলা।
*যশোর জেলা।
*সাতক্ষীরা জেলা।
*খুলনা জেলা।
*বাগেরহাট জেলা।
*চট্টগ্রাম জেলা।
*রাজবাড়ী জেলা।
*ফরিদপুর জেলা।
*মাদারীপুর জেলা।
*শরীয়তপুর জেলা।
*মানিকগঞ্জ জেলা।
*ঢাকা জেলা।
*মুন্সিগঞ্জ জেলা।
*কুষ্টিয়া জেলা।
*চুয়াডাঙ্গা জেলা।
*মেহেরপুর জেলা।
*ঝিনাইদহ জেলা।
*চাঁদপুর জেলা।
*নোয়াখালী জেলা।
*লক্ষীপুর জেলা।
*ভোলা জেলা।
*বরিশাল জেলা।
*পটুয়াখালী জেলা।
*ঝালকাঠি জেলা।
*বরগুনা জেলা।

এছাড়াও আস্তে আস্তে রাসেল ভাইপার সাপের উপস্থিতি জেলা গুলোর সংখ্যা আরো বেড়ে যেতে পারে। এজন্য রাসেল ভাইপার সাপ ব্যাপারে আতঙ্কিত না হয়ে প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

লেখক এর মন্তব্য

রাসেল ভাইপার সাপের উপদ্রব থেকে বাঁচার উপায় বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসেল ভাইপারের আতঙ্কে গোটা দেশ আতঙ্কিত। রাসেল ভাইপার সাধারণত বিভিন্ন আবর্জনার মধ্যে লুকিয়ে থেকে মানুষকে পেলে সঙ্গে সঙ্গে দংশন করে। যার কারণের রাসেল ভাইপার থেকে আত্মরক্ষার উপায় গুলো আমাদের জানা প্রয়োজন।

রাসেল ভাইপার সাপের ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। এ বিষয়ের গুগল সহ বিভিন্ন গ্রন্থ থেকে সংগ্রহ করে আজকের আর্টিকেলে লেখা হয়েছে। এগুলো বিষয়ে জানতে আজকের আর্টিকেল ভিজিট করুন। কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আশা করি উপকৃত হবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url