ওজন ও সুগার লেভেল কমাতে বাজারে এল মৌনজারো
সুপ্রিয় পাঠক বৃন্দ ওজন ও সুগার লেভেল কমাতে বাজারে এল মৌনজারো এ বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শুরু করলাম। মৌনজারো আমেরিকার ইলিলিলি কোম্পানির আবিষ্কৃত ঔষধ যা ওজন ও সুগার লেভেল কমাতে সহায়তা করে।
আমেরিকার ইলিলি কোম্পানির মৌনজারো ওষুধের কার্যকারিতা অনেক বেশি। এই ওষুধ সম্পর্কে জানতে আজকের আর্টিকেলের সঙ্গে থাকুন।
ভূমিকা
আজকের আর্টিকেল ওজন ও সুগার লেভেল কমাতে বাজারে এল মৌনজারো। ওবেসিটি বা স্থূলতা এক ধরনের জটিল অবস্থা যা শরীরে অত্যাধিক মেদ ও ওজন বৃদ্ধি করে। অতিরিক্ত মেদ জমা ও ওজন বৃদ্ধির ফলে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং নানা ধরনের রোগ আক্রমন হওয়া সম্ভাবনা বৃদ্ধি হয়। এমনকি অকাল মৃত্যু হতে পারে।
আর ও পড়ুনঃ বাসায় কুকুর পোষার ১৫টি উপকারিতা
যুক্তরাষ্ট্রের এলি লিলি কোম্পানির ওজন ও রক্তের শর্করা কমানোর জন্য এক ধরনের ইনজেকশন আবিষ্কার করেছেন যার নাম মৌনজারো। তবে সাধারণত আমি সাধারণত আমেরিকায় এই ওষুধ জেপবাউন্ড নামে পরিচিত। বর্তমানে যেভাবে স্থূলতা ও ডায়াবেটিস বাড়তেছে তাতে আমেরিকার ইলি লিলি কোম্পানি মনে করেন মৌনজারো ওষুধের প্রচুর প্রয়োজন।
স্থূলতা কমানোর পরীক্ষামূলক ওষুধে ২৪ শতাংশ ওজন কমেছে
আজকের আর্টিকেল ওজন ও সুগার লেভেল কমাতে বাজারে এল মৌনজারো। ওষুধের মাধ্যমে ওজন কমানো যুক্তরাষ্ট্রে ভালো সফলতা পেয়েছে। বিশেষ করে এলি লিলি কোম্পানি পরীক্ষামূলক একটি ওষুধ বাজারজাত করেছেন যা এক বছর নির্দিষ্ট মাত্রায় নিয়মিত খাওয়ায় প্রায় ২৪ ভাগ ওজন কমেছে। সাধারণত ওজন কমানোর জন্য এই ওষুধটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
এলি লিলি কোম্পানির ওষুধের মধ্যবর্তী পরীক্ষায় ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে। সর্বমোট ৩৩৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক মোটা ও স্বাস্থ্যবান মানুষের উপর পরীক্ষা চালানো হয়। এদের মধ্যে কিছু অংশকে এলি লিলি কোম্পানির ওজন কমানোর ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়েছে। এবং বাকি সংখ্যক লোকদেরকে দেওয়া হয়েছে প্লাসেবো কার্যকরী ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হীন এক ধরনের ট্যাবলেট।
প্রথম অংশকে এলি লিলি কোম্পানির যে ইনজেকশন না দেওয়া হইছে তার নাম রিটাট্রুটাইড। যেগুলো ব্যক্তি ১২ মিলিগ্রাম রোজ এর ইঞ্জেকশন গ্রহণ করেছেন তাদের ওজন গড়ে চব্বিশ সপ্তাহে কমেছে ১৭.৫ভাগ বা সর্বোচ্চ ৪১ পাউন্ড। এছাড়া যে সকল ব্যক্তিগণ ৪৮ সপ্তাহের ডোজ রিটাট্রুটাইড গ্রহণ করেছেন ব্যক্তিদের ওজন কমেছে ২৪.২ ভাগ বা ৫৮ পাউন্ড।
একই সময় একই নিয়মে যারা প্লাসেবো ট্যাবলেট সেবন করেছেন তাদের২.১ ভাগ ওজন কমেছে। গবেষণায় অংশগ্রহণ কারী গবেষকরা বলেন 48 সপ্তাহ পরেও অনেকের ওজন কমতে দেখা গেছে। যার কারণে ধারণা করা হচ্ছে একটি বড় পরিসরে পরীক্ষা চালানো গেলে আরো ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।
এলি লিলি কোম্পানি তৃতীয় ধাপে পরীক্ষা-নিক্ষা গ্রহণের জন্য আরো কিছু রোগী ভর্তি করা শুরু করেছেন। মাইকেল ওয়েইনট্রব নামে এন্ডোক্রাইনোলজিষ্ট একুইট বাথরাই বলেছেন এলি লিলি কোম্পানির রিটাট্রুটাইড এখন পর্যন্ত উদ্ভাবিত মোটা, স্বাস্থ্য ও ওজন কমাতে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ওষুধ।
এছাড়া এলি লিলি কোম্পানির স্বাস্থ্য ও ওজন কমানোর ওষুধ মৌনজারো টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনুমোদন করা হয়েছে। পরীক্ষা ও গবেষণা করে দেখা গেছে এই ওষুধ সেবনের মাধ্যমে প্রায় ২১ ভাগ ওজন কমেছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য ও ওজন কমানোর জন্য নভোনরডিক্সের উইগভি নামের একটি ওষুধ অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
পরীক্ষায় দেখা গেছে এই ওষুধ খাওয়ার মাধ্যমে ১৫ ভাগ ওজন কমে গেছে। এই ওষুধ খাওয়ার মাধ্যমে মানুষের খাওয়ার চাহিদা কমে যায়। ইহা এমন একটি ওষুধ যা এক ধরনের হরমোন জনিত পরিবর্তন নিয়ে আসে। এলি লিলি কোম্পানির রিটাট্রুটাইড ক্ষুধার নিয়ন্ত্রণকারী তিন ধরনের হরমোনের অনুকরণে তৈরি করে।
এই হরমোনের অনুকরণগুলো যথাক্রমে জিএলপি-১, জিআইপি, ও গ্লুকাগোন। এই ওষুধ গ্রহণের ফলে মানুষের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দল পছন্দনীয় খাদ্যের উপর কার্যকর প্রভাব পড়ে। যার কারণে খুব তাড়াতাড়ি ওজন স্বাস্থ্য ও ওজন কমায়।
ওজন ও সুগার লেভেল কমাতে বাজারে এল মৌনজারো
আজকের আর্টিকেল ওজন ও সুগার লেভেল কমাতে বাজারে এল মৌনজারো।বর্তমানে সারা বিশ্বে ওবেসিটি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তেছে। পাশাপাশি বিশ্ববাজারে সবাই অ্যান্টি ওবেসিটি ওষুধ তৈরির ব্যাপারে অনেক ভাবতেছেন। ওজন কমানোর জন্য বহু বছর ধরে ইউরোপ ও আমেরিকার লোকজন বিভিন্ন ধরনের ওষুধের সাহায্য গ্রহণ করতেছেন।
আর ও পড়ুনঃ ব্রেন টিউমারের লক্ষণ গুলো কিকি
বর্তমানে ভারতের বাজারেও এন্টি ওবেসিটি ওষুধ পাওয়া যাবে। মৌনজারো ওষুধ আমেরিকার ইলি লিলি কোম্পানি বাজারে টিরজেপেটাইড নামে বাজারজাত করেছেন। তবে দোকানে মৌনজারো নামে এ ঔষধ পাওয়া যাবে। এই ওষুধটি বৃটেন ও ইউরোপ সহ বিভিন্ন দেশে বাজারজাত করা হয়েছে। এছাড়া আমেরিকাতে মনজারো নামের পাশাপাশি জেপবাউন্ড নামেও পাওয়া যাবে।
তবে বহুদিন থেকে এন্টি ওবেসিটি ওষুধ ভারতীয়রা ব্যবহার করে আসছেন। এছাড়াও দুবাই ইউরোপীয় দেশ থেকে এই ওষুধ আমদানি করা হয়। তবে এই ওষুধের খরচ অনেক বেশি যা সবার জন্য ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। আগে পাঁচ মিলিগ্রাম ইনজেকশন নিয়ে ব্যবহার করে প্রতি মাসে খরচ হতো ১৭ হাজার টাকা।
তবে বর্তমানে ভারতে অনেক কম খরচ পড়বে অর্থাৎ পাঁচ মিলিগ্রাম ইনজেকশন প্রতিমাসে রোগীর খরচ হবে ৪৩৭৫ টাকা। এছাড়া ২.৫ মিলিগ্রাম ওষুধের দাম পড়বে ৩৫০০ টাকা। ইলি লিলি কোম্পানি দামের ব্যাপারে এমনটাই তথ্য প্রদান করেছেন। এই মৌনজারো ওষুধের উদ্দেশ্য দুইটি যার প্রথমটি শরীরের স্বাস্থ্য ও ওজন কমানো এবং দ্বিতীয়টি রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখা।
বর্তমানে ভারতে ওবেসিটি মহামারী আকার ধারণ করেছে এবং প্রতিবছর ১ কোটিরও বেশি মানুষ ওবেসিটি ও ডায়াবেটিসে ভুগতেছেন। এই অবস্থায় ভারতীয়দের জন্য মন জারো ওষুধ অত্যাধিক প্রয়োজন বলে মনে করেন আমেরিকার ইলি লিলি কোম্পানি।
এই ওষুধ শরীরের ওজন কমানো এবং রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ এই দুটি কাজ একসঙ্গে করবে বলে বাজারে ওষুধের চাহিদা অনেক বেশি বলে মনে করছেন ওষুধ প্রস্তুতকারী ইলি লিলি সংস্থা। মনজারো সাধারণত দুটি হরমোন সক্রিয় করার মাধ্যমে চিকিৎসা করে থাকে। একটি হলো, গ্লুকাগন-লাইক পেপটাইড-1বা GLP-1 এবং দ্বিতীয়টি গ্যাস্ট্রিক ইনহ্যাবিটরি পলিপেপটাইড বা GIP।
সাধারণত এই হরমোন গুলো শরীরের রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে এবং সে যাকে কমিয়ে হজম প্রক্রিয়া কমিয়ে দেয়। যার কারণে রোগী খুব তাড়াতাড়ি খোদা পান না এবং খাওয়ার চাহিদা কমে যায়। পরীক্ষা করে দেখা গেছে যদি কোন ব্যক্তি সঠিকভাবে ডায়েট পালন করেন এবং নিয়মিত শরীর চর্চা করেন এবং তার সঙ্গে অ্যান্টি ওবেসিটি ওষুধ গ্রহণ করেন।
তাহলে খুব দ্রুত রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ থাকবে এবং অনেক বেশি স্বাস্থ্যও ওজন কমে যাবে। ৭২ সপ্তাহের একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে মনজারো ওষুধ ব্যবহারের ফলে ঐ সকল লোকদের ২১.৮ কিলোগ্রাম পর্যন্ত ওজন কমানোর সম্ভব হয়েছে। এই ওষুধ ব্যবহারের সময় ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
সাধারণত রক্তের সর্কার মাত্রা এবং ওজন কার কত বেশি এবং কার কি পরিমান ডোজ প্রয়োজন সেটি ডাক্তারগন সিদ্ধান্ত দিবেন। তবে মৌনজারোর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। এই ওষুধ ব্যবহারের ফলে ওজন না কমে কিছু জটিলতা তৈরি হতে পারে। বমি, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, ক্ষুদা বেড়ে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজম, পেটের ব্যথা, ইত্যাদি নানারকম সমস্যা হতে পারে।
এছাড়া যেগুলো ব্যক্তি কিডনির সমস্যা হবেন তাদের মৌনজারো ওষুধ গ্রহণ না করাই ভালো। তবে সর্বদা মৌনজারো ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করা প্রয়োজন।।
ইলন মাস্ক যেভাবে শরীরের ওজন কমালেন
আজকের আর্টিকেল ওজন ও সুগার লেভেল কমাতে বাজারে এল মৌনজারো। সোশ্যাল মিডিয়া টুইটার ও এক্স এর মালিক ধনকুব ইলন মাস্ক এর সম্পদ ও বিভিন্ন আবিষ্কার নিয়ে প্রায় সোশ্যাল মিডিয়ায় শিরোনাম হয়। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, তার ওজন কমানোর বিষয় নিয়ে মিডিয়ায় বিভিন্ন আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
আর ও পড়ুনঃ হিট স্ট্রোক প্রতিরোধের ১০টি উপায়
ভারতীয় গণমাধ্যম পিংক ভিলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে তার নিজের ওজন কমানোর জন্য ব্যক্তিগত কিছু তথ্য শেয়ার করেছেন। সম্প্রীতি ইলন মাস্ক নিজের ওজন কমিয়ে চমক লাগিয়েছেন। তিনি তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের কে বলেছেন আমি যেমন ওজন কমিয়েছি তেমনি যাদের ওজন বেশি সবার ওজন কমানো প্রয়োজন।
ইলন মাস্ক বলেছেন আমি প্রথমে ওজেমপিক নামে ওষুধ খেয়েছি। তবে ওজেমপিক ওষুধ এর পরিবর্তে মৌনজারো নামে ইনজেকশন নেওয়ার পরে আমার ওজন কার্যকর ভাবে কমা শুরু হয়েছে। তবে তিনি সবাইকে পরামর্শ দিয়েছেন মৌনজারো ইঞ্জেকশন নেওয়ার সময় অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেছেন আমি বহু ওষুধ খেয়েছি তবে সবচাইতে বেশি মৌনজারো ইঞ্জেকশন আমার ওজন কমিয়েএছে এবং আমার শরীরকে ভালো রেখেছে। এজন্য সবাইকে তিনি পরামর্শ দিয়েছেন রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ ও ওজন কমানোর জন্য মৌনজারো ইঞ্জেকশন ডাক্তারের পরামর্শক্রমে গ্রহণ করা যেতে পারে।
হঠাৎ ডায়াবেটিস কমে যাওয়ার লক্ষণ
আজকের আর্টিকেল ওজন ও সুগার লেভেল কমাতে বাজারে এল মৌনজারো। হঠাৎ ডায়াবেটিস কমে যাওয়ায় বিভিন্ন রকম জটিলতা তৈরি হয়। এছাড়াও হঠাৎ ডায়াবেটিস কমে যাওয়ার কারণে বিভিন্ন রকম লক্ষণ প্রকাশ পায়। হঠাৎ ডায়াবেটিস কমে যাওয়ার লক্ষণগুলো আলোচনা করা হলো।
ডায়াবেটিস ১ কমে যাওয়ার লক্ষণসমূহঃ
*তীব্র তৃষ্ণা মনে হয় পর্যাপ্ত পানি খাওয়া যাবে।
*অতিরিক্ত প্রস্রাবের প্রবণতা এবং ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া।
*দ্রুত ওজন কমে যাওয়া। ওজন এমনই ভাবে কমে যাওয়া দেখতে রোগা রোগা মনে হয়।
*প্রচন্ড ক্ষুধা বৃদ্ধি হওয়া এবং মাঝে মাঝে খাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি হয়।
*দুর্বল ও ক্লান্তি বোধ এবং চলাফেরা অত্যন্ত কষ্টকর হওয়া।
*অস্বাভাবিক বিরক্তিবোধ। কারো সঙ্গে কথা বলতে ভালো লাগে না।
*ঝাপসা দৃষ্টি সামনে দেখতে মনে হয় আফসছা আবছা অন্ধকার।
*বমি বমি ভাব অথবা বমি হতে পারে।
*পেটে ব্যথা এমনকি পেটের চারদিকে ও পিঠের পেসিতে পর্যাপ্ত ব্যথা হয়।
*বিভিন্ন রকম গন্ধের অনুভূতি জাগ্রত হওয়া।
*চুলকানি ও হাত-পায়ে দাঁদ হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়া।
ডায়াবেটিস ২ কমে যাওয়ার লক্ষণঃ
*ধীর গতিতে ক্ষতস্থান নিরাময় হওয়া এমনকি অনেক সময় ক্ষতস্থান পেকে যাওয়া।
*অতিরিক্ত প্রস্রাবের প্রবণতা এবং ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।
*দ্রুত ওজন কমে যাওয়া এবং দেখতে কঙ্কাল সার হয়ে যাওয়া।
*বিভিন্ন ধরনের গন্ধের উদ্রেগ হওয়া।
*হাত ও পায়ে ঝিনঝিন করা এবং এক জায়গায় বেশিক্ষণ বসে থাকলে হাত ও পা অবেশ হয়ে যেতে পারে।
*মূত্রনালীতে সংক্রমণ হওয়া।
*মেজাজ পরিবর্তন হওয়ায় এবং কারো সঙ্গে কথা বলতে মনে চায় না।
*তীব্র মাথাব্যথা সঙ্গে ঘাড় ব্যথা হতে পারে।
*মাঝে মাঝে মাথা ঘোরা হতে পারে এবং মাথা ঘোরার জন্য পড়ে যেতে হতে পারে।
*বগল ও ঘাড়ের কাছে কালো ছাপ হতে পারে।
রক্তে সুগার কমে যাওয়ার কারন
আজকের আর্টিকেল ওজন ও সুগার লেভেল কমাতে বাজারে এল মৌনজারো। বিভিন্ন কারণের রক্তে শর্করা কমে যেতে পারে। রক রক্তে সুগার কমে গেলে বিভিন্ন রকম জটিলতায় পড়তে হয়। এমনকি রোগীর অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। যার কারণে রক্তের সুগার কমে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সুগার বৃদ্ধি করার বিভিন্ন পদ্ধতি জানা প্রয়োজন। রক্তে সুগার কমে যাওয়ার কারণ আলোচনা করা হলো।
ঔষধ ব্যবহারের কারণেঃ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ও ইনসুলিন ব্যবহার করতে হয়। যেহেতু ইনসুলন অন্যান্য ওষুধ ডায়াবেটিস কমানোর জন্য ব্যবহার করা হয় সেতু এগুলো ওষুধ ও ইনসুলিন নেওয়ার জন্য যেকোনো মুহূর্তে হঠাৎ করে রক্তের সুগার নেমে যেতে পারে।
রক্তের সুগার বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় খাবার এড়িয়ে যাওয়াঃ সাধারণত ডায়াবেটিস হওয়ার জন্য শর্করা জাতীয় বিভিন্ন ফলমূল খাবার এড়িয়ে চলতে হয়। দীর্ঘদিন এগুলো শর্করা জাতীয় খাবার ও ফলমূল এড়িয়ে চলার জন্য হঠাৎ করে রক্তে সুগার কমে যেতে পারে।
বিভিন্ন রকম ব্যায়াম কারণেঃ সালাম তোর ডায়াবেটিস রোগীদের বিভিন্ন প্রকার ব্যায়াম করতে হয়। অতিরিক্ত ব্যায়াম করার কারণে যেকোনো মুহূর্তে রক্তের সুগার নিভে যেতে পারে।
অত্যাধিক অ্যালকোহল সেবনের কারণেঃ অতিরিক্ত অ্যালকোহল খাওয়ার কারণে রক্তের শর্করা কমে যেতে পারে। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে অ্যালকোহল পান করার জন্য শরীরের বিভিন্ন রকম বিরূপ প্রভাব পড়ে। সাথে সাথে অ্যালকোহল খাওয়ার কারণে রক্তের সুগার কমে যেতে পারে।
অসুস্থতা ও সংক্রমণ সমস্যাঃ বিভিন্ন রকম অসুস্থতা অথবা সংক্রমণের কারণে রক্তের শর্করা কমে যেতে পারে। যার কারণে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়ার সময় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
কিডনির সমস্যার কারণেঃ কিডনির অসুস্থতা ও অথবা বিভিন্ন সংক্রমণের কারণে রক্তের শর্করা কমা অথবা বৃদ্ধি হতে পারে। সাধারণত কিডনির ড্যামেজ হলে শর্করা দ্রুত কমে যেতে পারে না।
লেখকের মন্তব্য
সুপ্রিয় পাঠক বৃন্দ ওজন ও সুগার লেভেল কমাতে বাজারে এল মৌনজারো। গোটা বিশ্ব সহ বাংলাদেশে ওবেসিটি নিয়ে উৎকণ্ঠা বেড়ে গেছে। অতিরিক্ত স্বাস্থ্য ওজন বৃদ্ধির কারণে শারীরিক বিভিন্ন রকম সমস্যায় পড়তে হয়। এছাড়া শারীরিকভাবে চলাফেরাই অনেক সমস্যা হয়। শরীরকে সুস্থ রাখতে অতিরিক্ত ওজন কমানো প্রয়োজন।
অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য বিভিন্ন রকম ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ইলি লিলি কোম্পানির ঔষধ মৌনজারো ইনজেকশন এর ব্যবহারের মাধ্যমে আকর্ষণীয় ওজন কমে যাচ্ছে। আশা করি আজকের আর্টিকেল আপনাদের ভালো লাগবে এবং উপকৃত হবেন। কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url