ব্রেন টিউমারের লক্ষণ গুলো কিকি

সুপ্রিয় পাঠক বৃন্দ ব্রেন টিউমারের লক্ষণ গুলো কিকি বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শুরু করলাম। ব্রেন টিউমার একটি মারাত্মক ঘাতক রোগ। সাধারণত ব্রেন টিউমারের প্রধান দুটি প্রকার রয়েছে। ম্যালিগন্যান্ট টিউমার যাহাতে ক্যান্সারের কোষ রয়েছে। অপরটি সৌম্য টিউমার যাহাতে ক্যান্সারের কোষ নাই।
যার কারনে ব্রেন টিউমার হলে খুব তাড়াতাড়ি চিকিৎসা করা প্রয়োজন। আমাদের দেশে ব্রেন টিউমারের উন্নত চিকিৎসা হয়। ব্রেন টিউমার সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জানতে আজকের আর্টিকেল ভিজিট করুন।

ভূমিকা

আজকের আর্টিকেল ব্রেন টিউমারের লক্ষণ গুলো কিকি। ব্রেন টিউমার অত্যন্ত জটিল রোগ। এই রোগের চিকিৎসা অনেক ব্যয়বহুল। ব্রেন টিউমার রোগে আক্রান্ত রোগী পাঁচ বছর বেঁচে থাকার হার ৩৩ ভাগ। সারা বিশ্বে প্রতিবছর প্রায়ই ২.৫ লক্ষ মানুষ প্রাথমিক ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়।
এছাড়াও ক্যান্সার আক্রান্তের পরিমাণ সারা বিশ্বে দুই ভাগেরও কম। সিটি স্ক্যান ও এম আর আই পরীক্ষার মাধ্যমে ব্রেন টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় করা হয়। ব্রেন টিউমার হলে খুব তাড়াতাড়ি চিকিৎসা করা প্রয়োজন। ব্রেন টিউমার সম্পর্কে জানতে আজকের আর্টিকেল ভিজিট করুন।

ব্রেন টিউমারের লক্ষণ গুলো কিকি

ব্রেন টিউমার একটি স্পর্শকাতর এবং কষ্টকর রোগ যা হলে চিকিৎসা খরচ অনেক বেশি হয়। এছাড়াও এগুলো রোগের লক্ষণ অনেক কষ্টকর। নির্দিষ্ট কিছু লক্ষণ আছে যেগুলো প্রকাশ হলে ব্রেন টিউমার হয়েছে বলে মনে করা হয়। ব্রেন টিউমারের লক্ষণ গুলো কিকি আলোচনা করা হলো।

*ব্রেন ট্রিমারের লক্ষণ মাথা ব্যথা ও চোখে ঝাপসা দেখা। সব মাথা ব্যথা ব্রেন ট্রিমার নয়। মাথা ব্যাথার এক শতাংশের ও কম কারণ হয়ে থাকে ব্রেন টিউমার।
*ব্রেন টিউমারের কারণে মাথা ব্যথা হয়, সাধারণভাবে খুব ভোরে শুরু হয়। সাথে খিচুনি হতে পারে। খিচুনি হলে হাত বা পায়ে এবং অন্য কোন স্থান থেকে শুরু হয়ে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। আর এই মাথা ব্যথা কোন কিছুতেই যেতে চায় না।
*সাধারণত মস্তিষ্কের ভিতরে পিটুইটারি গ্ল্যান্ডে টিউমার হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যায় রোগীর। রোগীর সামনের অংশ ভালো দেখতে পেলে দুই পাশের অংশ দেখতে পায় না এবং এক সময় অন্ধ হয়ে যায়।
*ব্রেনের সামনে অংশের ফ্রন্টাল লোবে টিউমার হলে রোগীর স্মৃতিশক্তি কমে আসে। অস্বাভাবিক আচরণ করে এবং দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যায়।
*মটর এরিয়াম টিউমার হলে যে সাইটে টিউমার তার ঠিক উল্টোদিকে প্যারালাইসিস হয়ে যায়।
*মস্তিষ্কের খুলির নিচে প্রকোষ্ঠ টিউমার হলে রোগির হাঁটাচলা করতে গেলে পড়ে যান এবং ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। ঠিকমতো কানে কিছু শোনেন না। স্পষ্ট করে কথা বলতে পারেন না।
*টিউমার যদি বড় হয়ে যায় রোগী হঠাৎ করে মৃত্যুবরণ করতে পারে।

ব্রেন টিউমার থেকে নিরাপদ থাকার উপায়

আজকের আর্টিকেল ব্রেন টিউমারের লক্ষণ গুলো কিকি। শরীরের কোষে অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে বলা হয় টিউমার। মাথার ভেতরে এই টিউমার বৃদ্ধি যখন পায় তখন, মস্তিষ্কের ভিতরে চাপ বেড়ে যায় ও মস্তিষ্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
ব্রেন টিউমারের জন্য সঠিক সময়ে চিকিৎসার প্রয়োজন। ব্রেন টিউমার হওয়ার কারণ এখনো অজানা। তবে কিছু ছোট টিমার আছে যা জীবন গত ত্রুটির ফলে পরিবারের মধ্যে অনেকের ব্রেন টিউমার হওয়ার কারণ লক্ষ্য করা যায়।

কোন কারনে মস্তিষ্কের মধ্যে বিভিন্ন কোষ যদি ক্ষতি হয়ে গেলে সেখান থেকেও কিন্তু হতে পারে ব্রেন টিউমার। এই টিউমারের অনেক রকম প্রকারভেদ রয়েছে। যার মধ্যে কিছু থাকে ম্যালিগন্যান্ট, আবার কিছু থেকে নন ক্যান্সার। ব্রেন টিউমারের লক্ষণ সবার ক্ষেত্রে সমান নয়।

বিশ্বব্যাপী প্রতিনিয়ত প্রায় ৫ শতাধিকের এর বেশি মানুষের ব্রেন টিউমার ধরা পড়ে। সেকেন্ডারি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫ শতাধিকের বেশি হয়ে থাকে। আর এই ব্রেন টিউমার থেকে নিরাপদ থাকার জন্য যথাসম্ভব দ্রুত নিউরো মেডিসিন বা নিউরো সার্জারি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

*ব্রেন টিউমার নির্ণয়
*ব্রেনের সিটিস্ক্যান ও এম আর আই।
*স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা দেখার জন্য এই ইলেকট্রো এনকেফালো গ্রাফি বা ইইজ।
*স্নায়ুতন্ত্রের পরিবহন ক্ষমতা ও নার্ভ কন্ডাকশন টেস্ট এবং ইলেকট্রোমায়ো গ্রাফি সিটি গাইডেড এফএনএসি।
*এমআরআই পদ্ধতি সবথেকে আধুনিক ও ব্রেন্ড টিউমার নির্ণয়ের জন্য উন্নত পরীক্ষা। যেভাবে ব্রেন টিউমারের হাত থেকে নিরাপদ থাকা যাবে।

ক্যান্সার প্রতিরোধে খাবার গ্রহণঃ প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান থেকে প্রচুর পরিমাণে ক্যান্সার বিরোধী উপাদান পাওয়া যায়। আপেল, আঙ্গুর ও ব্রকলি এবং গাজরের মত এই সকল উপকারী খাদ্য উপাদানগুলোকে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখার চেষ্টা করতে হবে।

পর্যাপ্ত ঘুমঃ চোখ এবং মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেওয়ার জন্য প্রতিটি পূর্ণ বয়স্ক মানুষের প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাতে হবে।

মোবাইলের সীমিত ব্যবহারঃ মোবাইল থেকে আলোক রশ্মি ব্রেন টিউমার দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দিয়ে থাকে। এজন্য মোবাইল ফোন অত্যন্ত কম ব্যবহার করতে হবে।

ধূমপান বর্জন করাঃ ধূমপান ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। এছাড়া ব্রেন টিউমারের ঝুঁকি বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে এই বদ অভ্যাসটি। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি মূলক কাজ করা, নিয়মিত শরীর চর্চা করা (গণিত কিংবা ধাঁধা সমাধান), মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করতে হবে।

এর সঙ্গে যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে, উপরের লক্ষণ সমূহ যদি প্রকাশ পেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিজ্ঞানের আধুনিক প্রযুক্তি বিকাশের ফলে উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সহজেই মস্তিষ্কের টিউমার নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সঠিক চিকিৎসার সঠিক সময় নিতে পারলে অনেক রোগীর সুস্থ হয়ে পুরোপুরি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন।

ব্রেন টিউমার কেন হয়

আজকের আর্টিকেল ব্রেন টিউমারের লক্ষণ গুলো কিকি। ব্রেন টিউমার হয় যখন মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কোষগুলো ডিএনএ তে কোন ত্রুটি থাকে। শরীরের বিভিন্ন কোষগুলো ক্রমাগত বিভক্ত হয়ে যায় সে সাথে মরে যায়। পরিবর্তিতে অন্য কোষ সৃষ্টি হয়। অনেক সময় নতুন করে সৃষ্টি হয়ে থাকে তবে দেখা যায় এবং পুরনো কোষগুলো সম্পূর্ণভাবে বিন্যস্ত হয় না।

*মানুষের শরীরে জিন আছে, যার টিউমার হওয়ার প্রক্রিয়াকে প্রতিরোধ করে। তাকে বলে টিউমার সাপ্রেসর জিন। কোন কারণবশতে টিউমার সাপ্রেসর জিন কাজ না করে, তাহলে ব্রেন টিউমার হয়ে থাকে।
*টিউমার সাধারণত আমাদের মানবদেহের যেকোনো জায়গায় হতে পারে। যার কারনে ব্রেনেও টিউমার হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। মস্তিষ্কের টিউমার হওয়ার কারণে জিনের অস্বাভাবিকত্বকে দায়ী করা হয়।
*মস্তিষ্ক বা ব্রেইন টেনটোরিয়াম নামক একটি পর্দা দিয়ে দুটি প্রকোষ্ঠের বিভক্ত। প্রথমটি হচ্ছে ওপরের প্রকোষ্ঠ, দ্বিতীয়টি হচ্ছে নিচের প্রকোষ্ঠ। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, পূর্ণবয়স্ক মানুষের উপরের প্রকোষ্ঠে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ টিউমার হতে পারে।

নিচের টিতে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ হতে পারে। আর শিশুদের ক্ষেত্রে উপরের প্রকোষ্ঠ ৪০ শতাংশ এবং নিচের টাই ৬০ শতাংশ টিউমার হতে পারে।

ব্রেন টিউমার হলে কি মানুষ বাঁচে

ব্রেন বা মস্তিষ্ক শরীরের বিশেষ জায়গা, যা আমাদের শরীর কে নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্য ব্রেনের কোনো সমস্যা হলে আমরা অনেক চিন্তায় ভুগী। ব্রেন নিজেই সমস্যা কে গুরুত্ব সহকারে দেখা শুরু করে। যার একটি বড় সমস্যা ব্রেন টিউমার। এই টিউমারে জীবননাশের কারণ হতে হতে পারে। যার কারণে এই রোগের নাম শুনলে আমরা আতঙ্কে ভূগী।

আসুন জেনে নিই সব ব্রেন টিউমারে কি মৃত্যু হয়। আমাদের দেশে ব্রেইন টিউমারে ভুগছেন এমন ব্যাক্তির সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে দিন দিন। বলা যাচ্ছে, প্রতি বছর পুরো বিশ্বে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হচ্ছে। এই সম্পর্কে সচেতনতা মূলক ব্যবস্থা পালন করা হচ্ছে না। যার জন্য প্রতি বছর ৮ই জুন পালিত হয় বিশ্ব ব্রেন টিউমার দিবস।

এই দিবসটি 2000 ইং সাল থেকে পালন করা হচ্ছে। জার্মান ব্রেন টিউমার ১৯৯৮ সালে গঠিত অ্যাসোসিয়েশন নামের দাতব্য সংস্থার উদ্যোগে দিবসটি পালন করা হয়ে আসছে। অস্বাভাবিক অনিয়ন্ত্রিতভাবে ফিরে যদি মস্তিষ্কে চাকার সৃষ্টি করে, তাকে ব্রেন টিউমার বলে। এই টিউমার মস্তিষ্কে হতে পারে আবার শরীরের অন্য অংশ তৈরি হয়ে মস্তিষ্কে ছড়াতে পারে।

ব্রেন টিউমারে মাথা ব্যথা প্রাথমিক উপসর্গ হিসেবে বলা হয়। শুধু মাথা ব্যথায় ব্রেন টিউমারের প্রাথমিক উপসর্গ নয়। বমি করা, চোখে ঝাপসা দেখা, মুখের স্বাদ চলে যাওয়া, কাঁপুনি দেওয়া, হাতে বা শরীরে একদিক অবস হয়ে যাওয়া।

এছাড়া ভারসাম্য রক্ষা করতে না পারা, চলাচল করতে গিয়ে পড়ে যাওয়া, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিলে তবে এটি ব্রেন টিউমার হিসেবে ধরা হয় হবে। এ ধরনের টিউমার নিরাময় করতে দ্রুত চিকিৎসা সেবা নিতে হবে।অন্নথায় রোগী মারাও যেতে পারে।

ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা

ব্রেন টিউমার অত্যন্ত জটিল রোগ। সঠিক চিকিৎসার ফলে নিরাময় করা যেতে পারে। তবে এই চিকিৎসা অনেক ব্যয়বহুল। আমাদের দেশেও ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা হয়। এছাড়াও বাহিরের দেশের চাইতে আমাদের দেশে এ চিকিৎসার ব্যয় অনেক কম। ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা আলোচনা করা হলো।
সার্জারির মাধ্যমে চিকিৎসাঃ যাদের মিলিগনেন্ট ব্রেন টিউমার হয়েছে তাদের জন্য সর্বোত্তম চিকিৎসা সার্জারি। চিকিৎসকগণ সুস্থ মস্তিষ্কের কিছু ক্ষতি না করে যত সম্ভব ক্যান্সারের কোষ অপসারণ করে নিবেন। তবে রক্তপাত ও সংক্রমণ এই দুইটি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। সার্জারির মাধ্যমে বিনাইন ব্রেন টিউমার ও অপসারণ করা যেতে পারে।

ন্যূনতম আক্রমণাত্মক অস্ত্রপ্রচারঃ ব্রেন টিউমার সার্জারির জন্য নিউরো সার্জনরা ক্যান্সার কোষ অপসারণের জন্য ন্যূনতম আক্রমনাত্মক কৌশল অবলম্বন করতে পারেন। হাসপাতালে কম সময়ে ও দ্রুত আরোগ্যর জন্য এই কৌশল ব্যবহার করা যেতে পারে।

বিকিরণ থেরাপি এর মাধ্যমে চিকিৎসাঃ প্রোটন বিন এর সাহায্যে টিউমার মেরে ফেলার মাধ্যমে এই ধরনের ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা করা হয়। এই থেরাপিটি ব্র্যাকিথেরাপির মাধ্যমেও করা যেতে পারে।

শুধুমাত্র মস্তিষ্কের যেখানে টিউমার আছে সেখানে ডিভাইস স্থাপন করা হয় এবং টিউমারের কোষগুলি মেরে ফেলার জন্য বিকিরণ করা হয়। এই থেরাপির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলো ক্লান্তি স্মৃতিশক্তি হ্রাশ মাথা ব্যাথা এবং মাথার ত্বকে জ্বালাপোড়া করতে পারে।

কেমো থেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসাঃ টিউমারের কোষগুলো লক্ষ্য করে এবং মেরে ফেলার জন্য শরীরে ইনজেকশন বা মৌখিক রূপে ওষুধ নেওয়ার মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। কেমোথেরাপির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া গুলো হল চুল পড়া, বমি বমি ভাব এবং ক্লান্তির মত সমস্যা।

ড্রাগ থেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসাঃ ওষুধের মাধ্যমে কিছু ধরনের মস্তিষ্কের টিউমারের চিকিৎসা করা হয়। টিউমারের কোষগুলিতে উপস্থিত কিছু অস্বাভাবিক সমস্যাগুলো নির্দিষ্ট করে এই ওষুধ দেওয়া হয়। যার মাধ্যমে ক্যান্সারে কোষ মেরে ফেলে।

রেডিও সার্জারির মাধ্যমে চিকিৎসাঃ টিউমারের কোষগুলো মেরে ফেলার জন্য মস্তিষ্কের যেখানে টিউমার থাকে বিকিরণের বিভিন্ন রশি ফোকাস করে। রৈখিক অ্যাক্সিলারেটর এবং গামাছুরির মত বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে মস্তিষ্ক টিউমারের চিকিৎসা করা হয়।

লেখক এর মন্তব্য

ব্রেন টিউমারের লক্ষণ গুলো কিকি বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা হলো। ব্রেন টিউমারের লক্ষণ গুলো জটিল এবং কষ্টকর। ব্রেন টিউমারের লক্ষণ গুলো প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভালো চিকিৎসা করা প্রয়োজন। দেশ এবং বিদেশ উভয়ই জায়গাতেই এ রোগের চিকিৎসা করা যায়।

তবে বিদেশের চাইতে দেশে এই চিকিৎসা খরচ অনেক কম। আমাদের দেশে ব্রেন টিউমারের খুব ভালো চিকিৎসা হয়। ব্রেন টিউমার সম্পর্কে জানতে আজকের আর্টিকেল ভিজিট করুন। কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্টে জানাবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url