টেস্ট টিউব বেবি খরচ কত বাংলাদেশে

সুপ্রিয় পাঠক বন্ধুগণ টেস্ট টিউব বেবি খরচ কত বাংলাদেশে বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শুরু করলাম। টেস্টটিউব বেবি প্রক্রিয়ায় সন্তান জন্ম লাভ করানোর জন্য দেশের বাহিরে যাওয়ার প্রয়োজন হতো।
বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি আইভিএফ সেন্টার হয়েছে যেখানে টেস্ট টিউব এর মাধ্যমে সন্তান লাভ করা যায়। এ বিষয়ে যাবতীয় তথ্য জানার জন্য আজকের আর্টিকেলের সঙ্গে থাকুন।

ভূমিকা

আজকের আর্টিকেল টেস্ট টিউব বেবি খরচ কত বাংলাদেশে। টেস্টটিউব বেবি বলতে সাধারণত নারীদের গর্ভের বাহিরে গর্ভধারণ করে সন্তান লাভ করার প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়। এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের সফলতা যা সহজে আইভিএফ বলা হয়। আইভিএফ প্রক্রিয়ায় স্ত্রীদের ডিম্বাণু ও পুরুষদের শুক্রাণু সংগ্রহ করে জরায়ুর বাহিরে নিষিক্ত করা হয়।
এরপরে শুক্রাণু ও ডিম্বাণু নিষিক্ত করে জরায়ুতে স্থাপন করা হয়। সর্বপ্রথম ১৯৭৮ সালে ২৫ শে জুলাই ইংল্যান্ডের গ্রেটার ম্যানচেস্টারের ওল্ডহ্যাম হসপিটালে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ প্যাট্রিক স্টেপটা ও বৈজ্ঞানিক রবার্ট এডওয়ার্ড পৃথিবীতে সর্বপ্রথম আইভিএফ পদ্ধতিতে বাচ্চা জন্মদানে সফলতা অর্জন করেন। এই বাচ্চাটির নাম লুইস জয় ব্রাউন। টেস্টটিউব বেবি সম্পর্কে জানতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

টেস্ট টিউব বেবি কি জায়েজ

আজকের আর্টিকেল টেস্ট টিউব বেবি খরচ কত বাংলাদেশে। সন্তান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এর পক্ষ থেকে বড় নেয়ামত। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সন্তান দান করেন। যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন আবার যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন। আবার যাকে ইচ্ছা পুত্র এবং কন্যা উভয় সন্তান দান করেন। আবার যাকে ইচ্ছা সন্তান দান করা থেকে বিরত থাকেন। 

আল্লাহর সিদ্ধান্ত আমাদেরকে অবশ্যই মানতে হবে। তবে অনেক সময় পুরুষ অথবা মহিলাদের বিভিন্ন ধরনের অসুস্থতার কারণে সন্তান গ্রহণ সম্ভব হয় না। এইজন্য এগুলো চিকিৎসা করার প্রয়োজন। বর্তমানে স্বামী এবং স্ত্রীর শুক্রাণু ও ডিম্বানু নিয়ে টেস্ট টিউবের মাধ্যমে সন্তান উৎপাদন করা হয়। এভাবে সন্তান নেওয়া বৈধ হবে কিনা সেই ব্যাপারে আলোচনা করা হলো। 

এক্ষেত্রে দারুল উলুম করাচির ফতুয়া মতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো মাধ্যমে বাচ্চা উৎপাদন হলে তা বৈধ হবে অন্যথায় বৈধ হবে না। এক্ষেত্রে স্বামীর বীর্য স্ত্রীর ডিম্বাশয় স্থাপন করে সন্তান নেওয়া যায়। এই পদ্ধতিকে মেডিকেলের ভাষায় ইন্ট্রা ইউটেরাইন ইনসেমিনেশন বা ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন বলা হয়। 

এই প্রক্রিয়ায় স্বামীর শুক্রানু স্ত্রীর ডিম্বাশযয়ে স্থাপন করে সন্তান উৎপাদন করলে এই প্রক্রিয়া জায়েজ হবে। অন্যথায় স্বামী অথবা স্ত্রীর শুক্রাণু অথবা ডিম্বানু এর যেকোনো একটি অন্য ব্যক্তির কাছ থেকে গ্রহণ করলে এই প্রক্রিয়া জায়েজ হবে না। তবে এ পদ্ধতি গ্রহণের সময় প্রতিটি ধাপে সতর ও হিজাবের গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। 

এই চিকিৎসা প্রদানের ক্ষেত্রে ছেলেদের ক্ষেত্রে ছেলে ডাক্তার ও মেয়েদের ক্ষেত্রে মেয়ে ডাক্তার প্রয়োজন। অন্যথায় সতর লঙ্ঘন হবে। এজন্য আইভিএফ পদ্ধতি গ্রহণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সচেতন থাকতে হবে।

টেস্ট টিউব বেবি খরচ কত বাংলাদেশে

সন্তানের মুখ দেখার আনন্দ অনেক বেশি। অথচ শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে অনেকেই সন্তান ধারণ করতে পারে না। বন্ধাত্বের সমস্যায় সন্তান না থাকায় বন্ধ্যাত্ব দম্পতি অনেক কষ্ট অনুভব করেন। তবে বন্ধ্যাত্ব রোগীদের জন্য বর্তমানে নতুন কিছু চিকিৎসা ব্যবস্থা হয়েছে। 
নতুন এই চিকিৎসা ব্যাবস্থা টেস্ট টিউব বেবি যার মাধ্যমে বন্ধ্যাত্ব দম্পতিগণ বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় সন্তান গ্রহণ করতে পারেন। টেস্ট টিউব বেবি খরচ কত বাংলাদেশে এই বিষয়ে আলোকপাত করা হলো। এ বিষয়ে পপুলার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গাইনি এন্ড অবস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার জয়শ্রী সাহা মতামত প্রদান করেন। 

বর্তমানে আইভিএফ সম্পর্কে অনেকেই ভালো ধারণা পোষণ করেন। বিশেষ করে যে সকল দম্পত্তিগণ অনেকদিন ধরে প্রেগন্যান্সি ট্রাই করছেন তারা এ বিষয়ে জানার আগ্রহের কারণে অনেক বেশি জানেন। তবে আইভিএফ অনেক কস্টলি এবং এ প্রক্রিয়ায় সফলতার হার অনেক কম। এছাড়াও বাংলাদেশের সব জায়গাতেই এই পদ্ধতি নাই। 

বাংলাদেশে কিছু আইভিএফ সেন্টার রয়েছে যেখানে আইভিএফ পদ্ধতির মাধ্যমে সন্তান গ্রহণ করা যায়। এর পদ্ধতিতে আমাদের দেশ সহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে সফলতার হার শতকরা ৩৫ থেকে ৪০ ভাগ। এছাড়া সকল দম্পতি গন এই চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন না। বর্তমানে সরকারের পক্ষ থেকে সেন্টার চালু করার ব্যাপারে অনেক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। 
যার কারনে বিএসএমএম ইউ, ঢাকা মেডিকেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সহ বিভিন্ন জায়গায় আইভিএফ পদ্ধতি চালু হয়েছে। সরকার তাদেরকে বেশ ভালো ফান্ড দিচ্ছেন। বিআরবি হাসপাতালের গাইনি ও অবস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপ ক ডাক্তার কামরুন নেসা বলেন এখনো পর্যাপ্ত পরিমাণ টেস্টটিউব বেবির ব্যবস্থা করা যায়নি। 

বিশেষ করে খরচ অনেক বেশি হওয়ার জন্য গরিব দম্পতিগণ এর চিকিৎসা ব্যবস্থার আওতায় আসতে পারছে না। বাংলাদেশের টেস্ট টিউব বেবি ব্যবস্থা করার জন্য কার কতটুকু ওষুধ লাগে এবং শরীরের অবস্থা কেমন তার ওপর নির্ভর করে। তবে সাধারণত ২ লাখ থেকে চার লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। 

অনেকের শারীরিক অবস্থা বিভিন্ন হওয়ার কারণে তাদের তিন থেকে চার লাখ টাকা খরচ হতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত এক লাখ টাকা থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা কাছে রাখা প্রয়োজন। এছাড়াও লক্ষ রাখতে হবে এর চিকিৎসা ব্যবস্থায় সবারই টেস্টটিউব বেবির সফলতা হওয়ার ব্যাপারে। যেহেতু বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বে এর সফলতার হার শতকরা ৩৫ থেকে ৪০ ভাগ।

টেস্টটিউব বেবি বলতে কী বোঝায়

আজকের আর্টিকেল টেস্ট টিউব বেবি খরচ কত বাংলাদেশে। অনেক দম্পতি প্রাকৃতিক গর্ভধারণের মাধ্যমে সন্তান জন্ম লাভ করে না। যার কারণে বন্ধাত্ব জীবন বেঁছে নিতে হয়। বন্ধাত্ব জীবন থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আইভিএফ পদ্ধতিতে বাচ্চা গ্রহণ করা যেতে পারে। 
সাধারণত স্ত্রীর ডিমের পরিমাণ কম অথবা স্বামীর শুক্রানুর পরিমাণ কম হলে আইভিএফ পদ্ধতিতে বাচ্চা গ্রহণ করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে লেফাসকো ল্যাপারোস্কপি পদ্ধতির মাধ্যমে স্ত্রীর ডিম্বাশয় থেকে ডিম সংগ্রহ করা হয়। সেই সাথে স্বামীর শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়। শুক্রাণু এবং একটি টেস্ট টিউব বা পেট্রিডিসের মাধ্যমে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু নিষিক্ত করা হয়। 

ডিম্বাণু ও শুক্রাণু নিষিক্ত হয়ে গেলে জরায়ুতে ছোট ক্যাথেটার ঢুকানো হয়। এই ক্যাথেটারে নিষিক্ত ডিম্বানু ও শুক্রাণু স্থাপন করা হয়। স্থানান্তরের দুই সপ্তাহ পরে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে গর্ভধারণ ঠিক আছে কিনা তা জানা যাবে। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ফলাফল পজেটিভ হলে চার সপ্তাহের গর্ভবতী হিসেবে ধরা হবে। 

সর্বপ্রথম ২৫ শে জুলাই ১৯৭৮ সালে ইংল্যান্ডের গ্রেটার ম্যানচেস্টারের ওল্ডহ্যাম হসপিটালে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ প্যাট্রিক স্টেপটা ও বৈজ্ঞানিক রবার্ট এডওয়ার্ড পৃথিবীতে সর্বপ্রথম আইভিএফ পদ্ধতিতে বাচ্চা জন্মদানে সফলতা অর্জন করেন। এই বাচ্চাটির নাম লুইস জয় ব্রাউন। 

২০০১ সালে ৩০ শে মে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পারভীন ফাতেমার তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে ফিরোজা নামে এক প্রসূতি আইভিএফ পদ্ধতিতে তিনটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। যাদের নাম হীরা, মনি, মুক্তা।

প্রথম টেস্ট টিউব বেবি কত দিন বেঁচে ছিল

আজকের আর্টিকেল টেস্ট টিউব বেবি খরচ কত বাংলাদেশে। বিশ্বের প্রথম টেস্টটিউব বেবি হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন লুইস জয় ব্রাউন। ২৫ই জুলাই ১৯৭৮ সালে ইংরেজ মহিলা টেস্টটিউব বেবির মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করেন। তার এই জন্মগ্রহণ বিংশ শতকের উল্লেখযোগ্য চিকিৎসা শাস্ত্রের সফলতা হিসেবে গণ্য করা হয়। 

২০০৪ সালে লুইস জয় ব্রাউন নৈশ ক্লাবের প্রহরী ওয়েসলি মুলিন্ডার কে বিয়ে করেন। বর্তমানে এই দম্পতির প্রাকৃতিক ভাবে গর্ভে ধারণ করে দুটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে। ৮ ই আগস্ট ২০২০ সালে তিনি ৬৪ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে বিশ্বের প্রথম টেস্টটিউব সন্তানের মৃত্যু হয়।

টেস্ট টিউব বেবি কিভাবে হয়

আজকের আর্টিকেল টেস্ট টিউব বেবি খরচ কত বাংলাদেশে। বর্তমান চিকিৎসা প্রযুক্তি অনেক উন্নত শিখরে পৌছে গেছে। বিশেষ করে বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় যাদের সন্তান হয় না তাদের জন্য আইভিএফ পদ্ধতি মাধ্যমে বন্ধাত্ব দম্পতির জন্য সন্তান গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে। এরপরেও কিছু প্রতিকূল পরিবেশ রয়েছে যেমন অত্যন্ত বেশি খরচ এবং সফলতার হার শতকরা ৩৫ থেকে ৪০ ভাগ। 

আইভিএফ পদ্ধতিতে বাচ্চা গ্রহণ কৃত বাচ্চা টেস্ট টিউব বেবি নামে পরিচিত। যে সকল দম্পতি গর্ভধারণের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দিতে পারেনা তাদের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। সাধারণত পুরুষদের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত স্পার্ম না থাকায় গর্ভধারণ পদ্ধতিতে বাচ্চা গ্রহণ করতে পারে না। এছাড়া মহিলাদের পর্যাপ্ত ডিম উৎপাদন হচ্ছে না অথবা অনিয়মিত ডিম্ব স্ফোটন। 

কিছু দম্পতি যাদের বয়স অনেক বেশি হওয়ার কারণে গর্ভধারণের মাধ্যমে সন্তান নিতে পারছেন না তাদের জন্য আইভিএফ পদ্ধতি গ্রহণ করা যেতে পারে। আইভিএফ প্রক্রিয়া বিভিন্ন ধাপের সম্পাদিত হয়।

প্রথম ধাপ ডিম্ব স্ফোটণঃ প্রথম ধাপে মাসিকের মাধ্যমে যেহেতু গর্ভধারণ করা যায় না সেহেতু ইনজেকশনের কমপক্ষে দুই সপ্তাহ ধরে মাসিক প্রতিরোধ করা হয়।ওভারিতে বেশি ডিম উৎপাদনের জন্য ফার্টিলিটি ওষুধ দেওয়া হয়। এই ওষুধ দেওয়ার ফলে ফাটলিত হরমোন স্বাভাবিক এর চাইতে বেশি ডিম উৎপন্ন করতে সহায়তা করে।

দ্বিতীয় ধাপ ডিম সংগ্রহঃ রোগীকে ঘুমিয়ে দিয়ে একটি আল্ট্রা সাউন্ড প্রুভ এর সাথে ফাঁপা শুই ব্যবহার করে ডিম সংগ্রহ করা হয়।পুনরুদ্ধার করে গর্ভের আস্তরণ প্রস্তুত করার জন্য ওষুধ প্রদান করা হয়।

তৃতীয় ধাপ শুক্রানু সংগ্রহঃ তৃতীয় ধাপে পুরুষ সঙ্গীকে শুক্রাণু দিতে বলা হবে। এই শুক্রাণুগুলো ভালো করে ধুয়ে এখান থেকে সবচাইতে বেশি গতিশীল শুক্রাণুগুলো সংগ্রহ করতে হবে। এই শুক্রানু গুলো ডিম নিষিদ্ধ করার জন্য ব্যবহার হয়। কিছু শুক্রাণু হিমায়িত করে পরে ব্যবহার করার জন্য রাখা হয়।

চতুর্থ ধাপ ডিম নিষিক্ত করাঃ সংগ্রহ কৃত ডিমকে নিষিক্ত করার জন্য প্রচলিত প্রজননের জন্য স্পার্ম ইঞ্জেকশন এর মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। ডিম নিষিক্তকরণ নিশ্চিত করার জন্য ডিমগুলি নিয়মিত পরীক্ষা করা হয়।

পঞ্চম ধাপ জরায়ুতে ভ্রুণ স্থাপনঃ ভ্রুণ বিশেষজ্ঞগনেরা ভ্রনেরর বৃদ্ধি ও কার্যকারিতা মূল্যায়ন করে যেগুলো গ্রহণ তিনদিন থেকে পাঁচদিনে স্থানান্তর করা উচিত তা নির্ধারণ করতে হবে। সাধারণত সংগ্রহের তিনদিন পরে স্থানান্তর করা যেতে পারে যখন ভ্রুনটিতে চার থেকে আটটি কোষ থাকবে। সাধারণত জরায়ুতে ছোট ক্যাথেটার ঢুকানো হয় যার মাধ্যমে ভ্রুন স্থাপন করা হবে। 

এই প্রক্রিয়া সফল হলে ইমপ্লান্টেশন ৬ থেকে ১০ দিনের মতো সময় লাগবে। স্থানান্তরের দুই সপ্তাহ পরে গর্ভাবস্থা ঠিক আছে কিনা সেজন্য রক্ত পরীক্ষা করা হয়। রক্ত পরীক্ষায় পজিটিভ হলে রোগী চার সপ্তাহের গর্ভবতী হয়। এই প্রক্রিয়ায় টেস্ট টিউব বেবি সম্পন্ন হয়।

লেখক এর মন্তব্য

সুপ্রিয় পাঠক বন্ধুগণ টেস্ট টিউব বেবি খরচ কত বাংলাদেশে এ বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা হল। যেগুলো দম্পতি বাচ্চা দানে অক্ষম তাদেরকে আইভিএফ পদ্ধতিতে সন্তান লাভ করানো সম্ভব হয়। বন্ধ্যা দম্পতিগণ সন্তান না থাকার জন্য মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। আইভিএফ পদ্ধতির তাদের জন্য উত্তম চিকিৎসা পদ্ধতি।

আইভিএফ চিকিৎসা পদ্ধতির ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার অনেক আগ্রহী। যার কারণে বাংলাদেশে আইভিএফ সেন্টার গুলো সংখ্যা আস্তে আস্তে বাড়তেছে। আজকের আর্টিকেলে আইভিএফ পদ্ধতিতে সন্তান লাভের ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে। ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।




2.40- 3.40- 20- 4- 4.45-10-4.55-5.50





এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url