গরমে ত্বকের শুষ্কতা দূর করার উপায়
প্রিয় পাঠক আজকের কনটেন্টের বিষয় গরমে ত্বকের শুষ্কতা দূর করার উপায়। আপনারা হয়তো অনেকেই রূপচর্চা করতে পছন্দ করেন। কিন্তু রূপচর্চার প্রক্রিয়াটা আপনাদের জানা নাই। তাহলে আমাদের এই ওয়েবসাইটটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখুন।
গরমের সময় হাত ও পায়ের শুষ্কতা হয়ে শরীরের চামড়া ভাজ হয়ে যায়। এগুলো বিভিন্ন ভিটামিনের অভাবে অভাব প্রাকৃতিকভাবে দূর করার উপায় গুলো জানুন।
ভূমিকা
প্রিয় পাঠক আজকের কনটেন্টের বিষয় গরমে ত্বকের শুষ্কতা দূর করার উপায়। আমরা ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্য বহু রকম ক্রিম অথবা আরো অনেক উপাদান ব্যবহার করি। অনেকে আবার পার্লারের এসেও ত্বকের চিকিৎসা করাতারপরেও ত্বকের সমস্যা দূর হয় না। অথচ এগুলো সমস্যা দূর করার জন্য প্রাকৃতিক অনেক উপাদান আছে।
আর ও পড়ুনঃ জেনে নিন রূপচর্চায় তুলসী পাতার উপকারিতা
উপাদানের মাধ্যমে আমরা খুব তাড়াতাড়ি ত্বকের যাবতীয় সমস্যা দূর করতে পারি। গরমে ত্বকের শুষ্কতা দূর করার উপায় গুলো জেনে নিই। জানার পরে সে অনুযায়ী ত্বকের চিকিৎসা করলেই ত্বকগুলো নরম সফট ও উজ্জ্বল হবে। আসুন তকগুলো নরম সফট করার উপায় গুলো জেনে।
কোন ভিটামিনের অভাবে ত্বক শুষ্ক হয়
প্রিয় পাঠক আজকের কনটেন্টের বিষয় গরমে ত্বকের শুষ্কতা দূর করার উপায়। আমাদের খাবারের তালিকায় এমন কিছু খাবার খাওয়া প্রয়োজন যে খাবারের কারণে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান গুলো পরিপূর্ণ পাওয়া যায়। সাধারণত ভিটামিন জাতীয় খাবারের অভাব হলে শরীরের শুষ্ক
ত্বক সহ অন্যান্য সমস্যা সৃষ্টি হয়। যার কারনে আমাদের খাবারের তালিকায় ভিটামিন মিনারেল স থাকা প্রয়োজন। আসুন জেনে নিই কোন ভিটামিনের অভাবে ত্বক শুষ্ক হয়।
ভিটামিন ইঃ ভিটামিন,ই এর অভাবে ত্বক শুষ্ক এবং নিস্তেজ হয়। ভিটামিন,ই এমন একটি আন্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বকে রেডিক্যাল ও অক্সিডেটিভ স্টেসের কারণ সৃষ্ট ক্ষতি থেকে কোষকে রক্ষা করে। ভিটামিন ই ত্বকের গভীরে পৌছে ত্বকের কোষের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।
মৃত কোষগুলো অপসারণ করে নতুন কোষ তৈরি করে। ভিটামিন ই এর অভাবে ত্বক শুষ্ক হয় এবং ত্বকে জ্বালাপোড়াও করতে পারে। ত্বকে আর্দ্রতা কমে এবং ত্বক বিবর্ণ হয়। প্রায় নিয়মিত ভিটামিন এ জাতীয় খাবার খেলে এগুলো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
ভিটামিন ডিঃ ভিটামিন ডি ত্বকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও ত্বকের কোষ বৃদ্ধি করে। ত্বকের ক্ষতিকারক জীবাণু দূর করে। ভিটামিন ডি এর অভাবে একজিমা সোরিয়াসিস হতে পারে।
ভিটামিন সিঃ ভিটামিন সি এমন একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের ত্বককে সুস্থ সুগঠিত ও রক্ষা করে। ত্বকের সংস্পর্শে আসা বিভিন্ন জীবাণুকে ভিটামিন সি প্রতিরোধ করে। ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদনের জন্য ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
ভিটামিন বিঃ শরীরে ব্রণ ফুসকুড়ি শুষ্ক ত্বক ঠোঁট ফাটা ও বলিরেখা সমস্যা ভিটামিন বি এর অভাবে হয়। ভিটামিন বি এর অভাবে ত্বক লালচে অথবা ত্বকে জ্বালা পোড়া হতে পারে। ভিটামিন বি তে এন্টি ইনফ্লামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ত্বকে একজিমা দাঁদ ব্রণ ও টক শুষ্ক ত্বকের জ্বালাপোড়া সহ ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। এজন্য আমাদের নিয়মিত ভিটামিন বি জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন।
ভিটামিন এঃ ভিটামিন এ ত্বকের প্রদাহ দূর করে ত্বকের নতুন কোষ তৈরি করে এবং ত্বক মেরামতে সহায়তা করে। সূর্যের পরিত্যক্ত ভিটামিন এ না থাকলে শুষ্ক হতে পারে। ত্বক সুস্থ রাখতে নিয়মিত ভিটামিন এ জাতীয় খাবার খাওয়া দরকার। আমরা যদি নিয়মিত এগুলো ভিটামিন জাতীয় খাবার খায় তাহলে তোকে এ সমস্যাগুলো থাকবে না।
গরমে ত্বকের শুষ্কতা দূর করার উপায়
প্রিয় পাঠক আজকের বিষয় গরমে ত্বকের শুষ্কতা দূর করার উপায়।গরমের তাপদাহে ত্বক অনেক সুস্ক হয়ে যায়। প্রচুর মানুষ গ্রীষ্মের তাপদাহে ত্বকের সমস্যায় ভোগেন। এজন্য এমন কিছু প্রক্রিয়া আছে যেগুলো পালন করলে ত্বকের এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আসুন জেনে নিই এ সমাধান গুলো।
আর ও পড়ুনঃ সকালে সিদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতা
ফেসওয়াশ ব্যবহারঃ কিছু ফেসওয়াশ ও ক্লিনজারে রাসায়নিক উপাদান থাকে যা ত্বকের আর্দ্রতাকে ধরে রেখে ত্বকের শুষ্কতা দূর করে দূর করে। এজন্য কিছু ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন যাদের ময়েশ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্য আছে।
গরম পানি ব্যবহারঃ অনেক সময় গরম পানি ব্যবহারের ফলে ত্বকের ময়লা দূর হয়ে যায় ত্বক আদ্র থাকে। তবে গরম পানি ব্যবহারে যাদের ত্বক শুষ্ক হয় তাদের ঠান্ডা পানি ব্যবহার করাই ভালো।।
ত্বক ঢেকে রাখাঃ ওকে সান স্ক্রিন ব্যবহার ওর ত্ব ক ঢেকে দেখলে আদ্রতা বাহিরে যেতে পারে না। ত্বক নরম হয়। মোটা কাপড় দিয়ে সূর্যের আলো থেকে ত্বককে ঝেপে রাখুন।
পর্যাপ্ত পানি পান করুনঃ ত্বকের শুষ্ক কুত্তা এড়াতে পর্যাপ্ত পানি পান করা দরকার। পর্যাপ্ত পানি পান করলে শরীর দেহ হাইড্রেড থাকে। ত্বক নরম হয়।
খাদ্যের যত্ন নিনঃ এমন কিছু খাবার খাওয়া শুরু করুন যাতে দেহ হাইড্রেট থাকে। যেমন মিষ্টি আলু শসা নারকেলের পানি শুকনো ফল চর্বিযুক্ত মাছ আপনার খাদ্য তালিকায় যোগ করুন।
হিউমিডিফার ব্যবহারঃ বাসায় এয়ারকন্ডিশনের থাকার কারণে তো শুষ্ক হয়ে যায়। যার কারনে বাসায় হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন আদ্রতা বজায় থাকবে থাকার জায়গা শুষ্ক হবে না।
হাত পায়ের চামড়া টানটান করার উপায়
সাধারণত ত্বক সূর্যের আলোকরশ্মি অথবা বিভিন্ন ময়লা অথবা বার্ধক্যজনিত কারণে ভাজ হয়ে পড়ে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের ইলাস্টি ন কমে যায় এবং ত্বকের কোমলতা কমে যায় । পরিচর্যার কারণে হাত পায়ের চামড়ার টানটান হয়।
তেল ব্যবহারঃ হাত পায়ের ত্বকে তেল মাখলে ত্বকে কোমলতা ধরে রাখে। কাঠবাদামের তেল ত্বকে মাখলে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। এভোকাডো তেল ত্বকের কলাজেন বাড়ায়।
হাত এবং পায়ে ত্বক ভালো করে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে। পর্যাপ্ত তেল নিয়ে ভালোভাবে মালিশ করে নিতে হবে সারারাত তেল মাখা অবস্থায় রেখে সকালে কুসুম কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
কলা ব্যবহারের মাধ্যমেঃ যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফর্নিয়ার করা গবেষণা থেকে জানা যায় কলাতে পটাশিয়াম ভিটামিন ও প্রাকৃতিক তেল আছে। কলা ত্বকের বলিরেখা কমিয়ে ত্বকে টানটান করতে সহায়তা করে।
প্রথমে ত্বক ভালো করে পরিষ্কার করে একটি কলার চারভাগে একভাগ নিয়ে পেস্ট করতে হবে। কলার পেস্ট হাত ও পায়ের ত্বকে ভালো করে লাগাতে হবে। ২০ থেকে ২৫ মিনিট পর কুসুম কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। তাহলে ত্বক আদ্র ও মসৃণ থাকবে।
শসা ব্যবহারের মাধ্যমেঃ সসাতে আছে ইলাস্টিন যা ত্বক আদ্র ও কোমল রাখে। শসার খোসা ছাড়িয়ে ব্লেন্ড করতে হবে। অতঃপর সেখান থেকে রস নিতে হবে। শসার রস তুলা দিয়ে হাত ও পায়ের ত্বকে লাগিয়ে দিতে হবে। ২০ থেকে ২৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলতে হবে।
এলোভেরা ব্যবহারঃ অ্যালোভেরা জেল ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়িয়ে টান টান করে। এছাড়া ত্বকের কোলাজেন বৃদ্ধি করে। অ্যালোভেরার রস হাত ও পায়ের ত্বকে সুন্দর করে ব্যবহার করতে হবে। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলতে হবে। ত্বক নরম হবে এবং ত্বক থেকে বয়সের ছাপ দূর হয়ে যাবে ত্বক টানটান হবে।
ক্যাফেইন ব্যবহারঃ কফিতে থাকা ক্যাফেইন ত্বকের অক্সিডেটিভ চাপ কমায়। কফির বীজ পানির সহযোগে পেস্ট করে নিতে হবে। হাত ও পায়ের ত্বকে ভালো করে লাগাতে হবে। কিছুক্ষণ পরে কুসুম কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
মধু ব্যবহারঃ ত্বক দূষণমুক্ত করতে এবং ত্বকের ভাজ দূর করতে মধু ব্যবহার করা হয়। একটি পাত্রে মধু নিতে হবে সেখানে কিছু পানি যোগ করতে হবে। অতঃপর হাত ও পায়ের ত্বকে মিশ্রণটি ভালো করে মাখতে হবে। ১৫-২০ মিনিট পরে কুসুম কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। এগুলো কাজ করলে হাত পায়ের ত্বক কমল মসৃন হবে। ত্বক টানটান হবে। ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে পাবে।
হাতের তালুর রুক্ষতা দূর করার উপায়
প্রিয় পাঠক আজকের কনটেন্টের বিষয় গরমে ত্বকের শুষ্কতা দূর করার উপায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাতের তালু রুক্ষ হয়ে যায়। কিছু নিয়ম মানলে এ রুক্ষতা দূর হয়ে আবার নরম হাতের তালু হয়ে যায়। হাতের তালুর রুক্ষতা দূর করার উপায়গুলি আলোচনা করা হলো।
আর ও পড়ুনঃ কাচা আম খাওয়ার অপকারিতার বিবরন
ময়েশ্চারাইজারঃ হাতের তালুর যত্নে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা অত্যন্ত প্রয়োজন। মশ্চারাইজার ব্যবহারের ফলে হাতের তালু নরম ও সফট হয়। ময়েশ্চারাইজারে থাকা নিউট্রিয়েন্ট হাতের তালুতে নরম বানাতে সহায়তা করে। হাতের তালুর যত্নে পছন্দমত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের জন্য গুরুত্ব দিতে হবে।
গরম পানিতে ডুবিয়ে রাখাঃ কুসুম কুসুম গরম পানিতে হাত কবজি পর্যন্ত ডুবিয়ে রাখতে হবে রাখতে হবে। দেখবেন হাত অত্যধিক শফট হয়ে গেছে।
পদ্ধতিঃ প্রথমে হালকা গরম পানি একটি পাত্রে নিতে হবে। সেখান থেকে কিছু গরম পানি পান করা যেতে পারে। এরপরে পাত্রে ১০ থেকে ১৫ মিনিট গরম পানিতে হাত ডুবিয়ে রাখতে হবে। এছাড়া গরম পানিতে অরেঞ্জ এসেনশিয়াল ওয়েল বা ল্যাভেন্ডার এসেন্সিয়াল অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। এভাবে কয়েকদিন ব্যবহার করলে হাতের তালুর রুক্ষতা দূর হয়ে হাতের তালু সফট এবং নরম হবে।
পাতি লেবু ব্যবহার করাঃ হাতের তালুর যত্নে পাতি লেবু অত্যন্ত কার্যকর। পাতি লেবু ব্যবহারের ফলে হাত উজ্জ্বল, মসৃণ, এবং হাতের তালুর রুক্ষতা দূর হয়। দুই চামচ পাতি লেবু রস দুই চামচ মধু এক চামচ বেকিং সোডা ভালোভাবে মিশ্রিত করতে হবে।
এরপরে হাতের তালু সহ হাতের ত্বকে ব্যবহার করুন। মিশ্রনটি শুকিয়ে যাওয়ার পরে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। হাতের তালুর রুক্ষতা দূর হয়ে নরম ও তুলতুলে হয়ে যাবে।
এক্স ফোলিয়েট করুনঃ হাতের তালুতে চামড়া মরে থাকলে হাতের তালু খসখসে ও অমসৃণ হয়। যার কারণে হাতে মরা চামড়া থাকলে এক্স ফোলিয়েট করতে হবে। প্রথমে হাত গরম পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। এরপরে পছন্দের যেকোনো একটি স্ক্রাব ব্যবহার করে এক্সফোলিয়েট করতে হবে। এছাড়া বাড়িতে এ ধরনের স্ক্রাব ব্যবহার করা যেতে পারে।
এক্ষেত্রে উপকরণ হলো চার চামচ মসুরের ডালের গুড়া ও পরিমাণ মতো দুধ। চার চামচ মসুরের ডালের গুড়া, দুধ মিশ্রিত করে পেস্ট করতে হবে। এরপরে এই পেস্ট হাতে ভালো করে স্ক্রাবিং করতে হবে। এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে হাতের মরা চামড়া দূর হবে এবং হাতের তালু নরম ও উজ্জ্বল হবে।
দই ও বেসন ব্যবহারঃ দই ও বেসন একসঙ্গে ব্যবহারের মাধ্যমে হাতের তালুর রুক্ষতা দূর হয়ে হাত নরম ও সফট হয়। বেসন একদিকে যেমন হাতের রুক্ষকতা দূর করে, অপরদিকে দই রুক্ষতা দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একত্রে নিয়ম হল ৪ চামচ বেসন ও ২ চামচ দই নিতে হবে। চার চামচ বেসন ও দুই চামচ দই নিয়ে একসঙ্গে পেস্ট করতে হবে।
এই পেস্ট হাতের তালু ও হাতের অন্যান্য জায়গায় ভালো করে ব্যবহার করতে হবে। ব্যবহারের ১০ থেকে ১৫ মিনিট পরে হালকা কুসুম কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এ প্রক্রিয়া প্রতিদিন দিনে দুইবার করতে হবে। এভাবে ব্যবহার করলে দুই সপ্তাহের মধ্যেই হাতের তালুর রুক্ষতা দূর হয়ে হাত নরম ও উজ্জ্বল হবে।
চিনি ও অলিভ অয়েল ব্যবহারঃ চিনি ব্যবহারের ফলে হাতের তালুর রুক্ষতা দূর হয়ে হাতকে এক্সফোলিয়েট করতে পারে। অলিভ অয়েল ত্বককে মসৃণ ও নরম করে। অলিভ অয়েল এন্টি অক্সিজেন সমৃদ্ধ হওয়ায় ত্বককে উজ্জ্বল ও মসৃন করে। একত্রে প্রয়োজন দুই চামচ চিনি এবং দুই চামচ অলিভ অয়েল। চিনি ও অলিভ অয়েল একসঙ্গে মিশ্রিত করে পেস্ট তৈরি করতে হবে।
এই পেস্ট হাতের তালুতে ও হাতের বিভিন্ন জায়গায় ভালো করে ম্যাসাজ করুন। মেসাজ করার পরে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে কুসুম কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই প্রক্রিয়াটি সপ্তাহের তিনদিন করা যেতে পারে। এই প্রক্রিয়াটি ব্যবহার করলে হাতের তালু রুক্ষতা দূর হয়ে হাত নরম ও সফট হবে।
নারিকেলের তেলঃ একটু নারিকেল তেল নিয়ে হালকা গরম করুন। অতঃপর হাতে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। ১০-১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। আশা করা যায় এগুলো কাজ করলে আপনার তালুর রুক্ষতা দূর হয়ে যাবে। হাতের ত্বকের ভাজ নষ্ট হয়ে যাবে। ত্বক টান টান হবে। ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে।
মিল্ক থেরাপি ব্যবহারঃ পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন ল্যাকটোজ ও নিউট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ দুধ। মিল্ক থেরাপি ব্যবহার করার ফলে হাতের তালু রুক্ষতা দূর হয় এবং হাত নরম ও সফট হয়। একটি পাত্রে কিছু দুধ নিয়ে দুই হাত ১০ থেকে ১৫ মিনিট ডুবিয়ে রাখতে হবে। এভাবে দিনের দুই থেকে তিনবার করা যেতে পারে। কয়েকদিন মিনিট থেরাপি ব্যবহার করলেই হাতের তালুর রক্ষতা দূর হয়ে যাবে।
মালাই বা ক্রিম ব্যবহারঃ রান্নাবান্নার কাজ করার পরে ধুলে হাতের রুক্ষতা তৈরি হয়। হাতের এই রুক্ষতা দূর করতে মালাই বা ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। ক্রিমে পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকে যা হাতকে নরম ও সফট করে। এক্ষেত্রে নিয়ম হলো চার চামচ মালাই ও এক চামচ বাদাম তেল নিতে হবে। মালাই ও বাদাম তেল একসঙ্গে মিশ্রিত করে পেস্ট করে নিতে হবে।
এই পেস্ট হাতের তালুতে ও সমস্ত হাতে ভালো করে ম্যাসাজ করতে হবে। ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে। এই প্রক্রিয়াটি দিনে দুই থেকে তিনবার করা যেতে পারে। এক থেকে দুই সপ্তাহ এভাবে ব্যবহার করলে হাতের তালুর রুক্ষতা দূর হয়ে হাত নরম ও সফট হবে।
লেখক এর মন্তব্য
প্রিয় পাঠক আজকের কনটেন্টের বিষয় গরমে ত্বকের শুষ্কতা দূর করার উপায়। এছাড়া ত্বকের যত্নে বিভিন্ন টিপস দেওয়া আছে। গরমের সময় ত্বকের রুক্ষতা ও শুষ্কতা হলে আস্তে আস্তে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যার কারণে ত্বক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। এইজন্য ত্বকের যত্নের ব্যাপারে যাবতীয় বিষয় ভালো করে জানা প্রয়োজন।
এগুলো বিষয় জানতে আপনারা এই কনটেন্ট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়বেন। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে এবং উপকৃত হবেন। কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আপনাদের ভালো লাগলে এবং উপকার হলে নিজেকে সার্থক মনে করব। আজকের আর্টিকেল লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করুন।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url