ব্রি উদ্ভাবিত অধিক প্রোটিন সমৃদ্ধ দুটি ধানের জাত অনুমোদন

প্রিয় পাঠকগণ ব্রি উদ্ভাবিত অধিক প্রোটিন সমৃদ্ধ দুটি ধানের জাত অনুমোদন বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শুরু করলাম। আরো লেখা হবে ব্রি উদ্ভাবিত ধানের জাত সমূহ। আমন ধানের হাইব্রিড জাত সমুহ।
আমন ধানের জাত 87। এগুলো বিষয় জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। এগুলো বিষয় জানতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

ভূমিকা

আজকের আর্টিকেল ব্রি উদ্ভাবিত অধিক প্রোটিন সমৃদ্ধ দুটি ধানের জাত অনুমোদন। বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। ১৯৭০ সালের পহেলা অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট নামে প্রথমে যাত্রা শুরু হয়।
স্বাধীনতার পরে এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়। নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর বিজ্ঞানীগণ নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের ধান উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন জাত উদ্ভাবনের চেষ্টা করে যাচ্ছে।

ব্রি উদ্ভাবিত ধানের জাত সমূহ

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য ধান এর জাত ও মান উন্নয়ন কাজে সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ভালো ফলনের জন্য বিভিন্ন রকম ধান উদ্ভাবন করেছেন।

আজকের আর্টিকেল ব্রি উদ্ভাবিত অধিক প্রোটিন সমৃদ্ধ দুটি ধানের জাত অনুমোদন। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর উদ্ভাবিত ধানের জাতসমূহ আলোচনা করা হলো।

*বি আর-১ চান্দিনা বোরো/আউশ হেক্টরে ৪.0-৫.৫ টন।
*বি আর-২ মালা বোরো/আউশ হেক্টরে ৪.0-৫.0 টন।
*বি আর-৩ বিপ্লব বোরো/আউশ/আমন হেক্টরে ৪.0থেকে৬.৫ টন/।
*বি আর-৪ ব্রিশাইল আমন হেক্টরে ৫.0 টন।
*বি আর-৫ দোলাভোগ আমন হেক্টরে ৩.0 টন।
*বি আর-৬ বোরো/আউশ হেক্টরে ৩.৫-৪.৫ টন।
*বি আর-৭ ব্রি-বালাম বোরো/আউশ হেক্টরে ৩.৫-৪.৫ টন।
*বি আর-৮ আশা বোরো/আউশ হেক্টরে ৫.0-৬.0 টন।
*বি আর-৯ সুফলা বোরো/আউশ হেক্টরে ৫.0-৬.0 টন।
*বি আর-১০ প্রগতি আমন হেক্টরে ৫.৫ টন।
*বি আর-১১ মুক্তা আমন হেক্টরে ৫.৫ টন।
*বি আর-১২ ময়না আমন হেক্টরে ৪.৫-৫.৫ টন।
*বি আর-১৪ গাজী বোরো/আউশ হেক্টরে ৫.0-৬.0 টন।
*বি আর-১৫ মোহিনী বোরো/আউশ হেক্টরে ৫.0-৫.৫ টন।
*বি আর-১৬ শাহী বালাম বোরো/আউশ হেক্টরে ৫-৬টন।
*বি আর-১৭ হাসি বোরো হেক্টরে ৬.0 টন।
*বি আর-১৮ শাহজালাল বোরো হেক্টরে ৬.0 টন।
*বি আর-১৯ মঙ্গল বোরো হেক্টরে ৬.0 টন।
*বি আর-২০ নিজামী আউশ হেক্টরে ৩.৫ টন।
*বিআর-২১ নিয়ামত আউশ হেক্টরে ৩.0 টন।
*বিআর-২২ কিরণ আমন হেক্টরে ৫.0 টন।
*বি আর-২৩ দিশারী আমন হেক্টরে ৫.৫ টন।
*বি আর-২৪ রহমত আউশ হেক্টরে ৩.৫ টন।
*বি আর-২৫ নয়াপাজাম আমন হেক্টরে ৪.৫ টন।
*বি আর-২৬ শ্রাবণী আউশ হেক্টরে ৪.0 টন।
*ব্রি ধান-২৭ আউশ হেক্টরে ৪.0 টন।
*ব্রি ধান-২৮ বোরো হেক্টরে ৬.0 টন।
*ব্রি ধান-২৯ বোরো হেক্টরে ৭.৫ টন।
*ব্রি ধান-৩০ আমন হেক্টরে ৫.0 টন।
*ব্রি ধান-৩১ আমন হেক্টরে ৫.0 টন।
*ব্রি ধান-৩২ আমন হেক্টরে ৫.0 টন।
*ব্রি ধান-৩৩ আমন হেক্টরে ৪.৫ টন।
*ব্রি ধান-৩৪ আমন হেক্টরে ৫.0 টন।
*ব্রি ধান-৩৫ বোরো হেক্টরে ৫.0 টন।
*ব্রি ধান-৩৬ বোরো হেক্টরে ৫.0 টন।
*ব্রি ধান-৩৭ আমন হেক্টরে ৩.৫ টন।
*ব্রি ধান-৩৮ আমন হেক্টরে ৩.৫ টন।
*ব্রি ধান-৩৯ আমন হেক্টরে ৪.৫ টন।
*ব্রি ধান-৪০ আমন হেক্টরে ৪.৫ টন।
*ব্রি ধান-৪১ আমন হেক্টরে ৪.৫ টন।
*ব্রি ধান-৪২ আউশ হেক্টরে ৩.৫ টন।
*ব্রি ধান-৪৩ আউশ ৩.৫ টন।
*ব্রি ধান-৪৪ আমন হেক্টরে ৫.৫ টন।
*ব্রি ধান-৪৫ বোরো হেক্টরে ৬.৫ টন।
*ব্রি ধান-৪৬ আমন হেক্টরে ৫.0 টন।
*ব্রি ধান-৪৭ বোরো হেক্টরে ৬.0 টন।
*ব্রি ধান-৪৮ আউশ হেক্টরে ৫.৫ টন।
*ব্রি ধান-৪৯ আমন হেক্টরে ৫.৫ টন।
*ব্রি ধান-৫০ (বাংলামতি) বোরো হেক্টরে ৬.0 টন।
*ব্রি ধান-৫১ রোপা আমন হেক্টরে ৪.৫ টন।
*ব্রি ধান-৫২ রোপা আমন হেক্টরে ৫.0 টন।
*ব্রি ধান-৫৩ রোপা আমন হেক্টরে ৪.৫ টন।
*ব্রি ধান-৫৪ রোপা আমন হেক্টরে ৪.৫ টন।
*ব্রি ধান-৫৫ বোরো হেক্টরে ৭.০ টন, আউশ হেক্টরে ৫.০ টন।
*ব্রি ধান-৫৬ রোপা আমন হেক্টরে ৫.০ টন।
*ব্রি ধান-৫৭ রোপা আমন হেক্টরে ৪.৫ টন।
*ব্রি ধান-৫৮ বোরো হেক্টরে ৭.২ টন।
*ব্রি ধান-৫৯ বোরো হেক্টরে ৭.১ টন।
*ব্রি ধান-৬০ বোরো হেক্টরে ৭.৩ টন।
*ব্রি ধান-৬১ বোরো হেক্টরে ৬.৩ টন।
*ব্রি ধান-৬২ রোপা আমন হেক্টরে ৩.৫ টন।
*ব্রি ধান-৬৩ বোরো হেক্টরে ৭.০ টন।
*ব্রি ধান-৬৪ বোরো হেক্টরে ৬.৫ টন।
*ব্রি ধান-৬৫ আউশ হেক্টরে ৩.৫ টন।
*ব্রি ধান-৬৬ রোপা আমন হেক্টরে ৪.৫ টন।
*ব্রি ধান-৬৭ বোরো হেক্টরে ৬.০ টন।
*ব্রি ধান-৬৮ বোরো হেক্টরে ৭.৩ টন।
*ব্রি ধান-৬৯ বোরো হেক্টরে ৭.৩ টন।
*ব্রি ধান-৭০ রোপা আমন হেক্টরে ৪.৮ টন।
*ব্রি ধান-৭১ রোপা আমন হেক্টরে ৬.০ টন।
*ব্রি ধান-৭২ রোপা আমন হেক্টরে ৫.৭ টন।
*ব্রি ধান-৭৩ রোপা আমন হেক্টরে ৪.৫ টন।
*ব্রি ধান-৭৪ বোরো হেক্টরে ৭.১ টন।

ব্রি উদ্ভাবিত অধিক প্রোটিন সমৃদ্ধ দুটি ধানের জাত অনুমোদন

গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর বিজ্ঞানীগণ প্রচেষ্টার মাধ্যমে উচ্চ প্রোটিন যুক্ত দুটি নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন করেছেন। ধানের জাত দুটির নাম যথাক্রমে ব্রি ধান ১০৭ ও ব্রি ধান ১০৮। ধান দুটি উচ্চ ফলনশীল চাউল চিকন এবং ভাগ ঝরঝরে হবে। জাতীয় বীজ বোর্ড ধান দুটির অনুমোদন দিয়েছে।
৯ই জানুয়ারি ২০২৪ সালে জাতীয় বীজ বোর্ডের ১১১ তম সভায় নতুন এই দুইটি ধানের জাতের অনুমোদন দেওয়া হয়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব মহোদয় ওয়াহিদা আক্তারের সভাপতিত্বে সভাই বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর মহাপরিচালক মোঃ শাহজাহান কবিরসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর বিজ্ঞানীরা জানান ব্রি ধান ১০৭ নতুন উদ্ভাবিত জাতটি প্রিমিয়াম কোয়ালিটি সম্পন্ন উফসি বালাম জাতের বোরো ধান। এ জাতের ধান ২০১৫ সালে কৃষকের মাঠ থেকে সংগ্রহ করে বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়।

এই ধান ব্রি গাজীপুরের গবেষণা মাঠে তিন বছর সফল পরীক্ষার পর ২০১৯ সালে আঞ্চলিক কার্যালয় গুলোর মাঠে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। ২০২০ সালে বাংলাদেশের বিভিন্ন কৃষি অঞ্চলে কৃষকের মাঠে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। ২০২২ সালে বিজ প্রত্যয়ন এজেন্সি কর্তৃক প্রস্তাবিত জাতের ফলন পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফল পাওয়া যায়।

পরবর্তীতে ব্রি উদ্ভাবিত অধিক প্রোটিন সমৃদ্ধ দুটি ধানের জাত অনুমোদন দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর বিজ্ঞানীগণেরা বলেন ১০৭ এর পূর্ণ বয়স্ক গাছের উচ্চতা ১০৩ সেন্টিমিটার। গড জীবনকাল ১৪৩ দিন। এর দিক পাতা প্রশস্ত খাড়া ও লম্বা এবং পাতার রং সবুজ। প্রতি হেক্টরে গড় ফলন ৮.১৯ মেট্রিক টন।

তবে অনুকূল পরিবেশ এবং ভালো যত্ন পেলে ৯.৫৭ মেট্রিক টন পর্যন্ত ফলন দিতে সক্ষম। এই ধানের চাউলে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি। এই ধানের চাউলে এমাইলেজ এবং প্রোটিনের পরিমাণ যথাক্রমে ২৯.০১ ভাগ ও ১০.০২ ভাগ। এই ধান চাষে দেশের মানুষ ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করবে বলে বিজ্ঞানীগণ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ব্রি ধান ১০৮ জাতটি বোরো মৌসুমে সারাদেশে চাষের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর বিজ্ঞানীগণেরা এ ধানের গবেষণা ২০১২ সাল থেকে শুরু করেন। পরবর্তীতে গাজীপুর ও ব্রির আঞ্চলিক মাঠে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে ৯ই জানুয়ারি ২০২৪ সালে ১১১ তম সভায় সারাদেশে চাষাবাদের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়।

ব্রি ধান ১০৮ পূর্ণবয়স্ক গাছের উচ্চতা ১০২ সেন্টিমিটার। এর ডিক পাতা খাড়া ও গাড়ো সবুজ। এই ধানের জীবনকাল ১৪৯ থেকে ১৫১ দিন। এই ধানের চাউল জিরা ধানের মত এবং বাজারে ভালো মূল্য পাওয়ার আশায় এ ধান উদ্ভাবন করা হয়েছে। এ জাতের ধানের ফলন ৮.৭ মেট্রিক টন। এ ধানের প্রোটিনের পরিমাণ ৮.৮ ভাগ।

উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ এস এম আসাদুজ্জামান এর নেতৃত্বে ব্রি ধান ১০৮ জাত টি উদ্ভাবন করা হয়েছে। তিনি বলেন এ ধানে দেখতে জিরা ধান এর মত এবং এই ধানের চালের ভাত খেতে সুস্বাদু। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন এ ধানের চাষাবাদে কৃষকগণ লাভবান হবেন।

আমন ধানের হাইব্রিড জাত

আজকের আর্টিকেল ব্রি উদ্ভাবিত অধিক প্রোটিন সমৃদ্ধ দুটি ধানের জাত অনুমোদন। নতুন আমন ধানের হাইব্রিড জাত হলো ওই ২০৭ যা স্বাভাবিক ফসলের চাইতে একমাস আগে ফসল তোলা যাবে। উইন২০৭ জাতের ধান পি আমনের সময় দ্রুত ফলনশীল এবং জনপ্রিয় জাত।

বিএডিসি হাইব্রিড ধান উইন ২০৭ যাত্রী কৃষক গনফসল করলে অন্যান্য যাতে তুলনায় একমাস আগেই ঘরে তুলতে পারবেন যা বন্যার হাত থেকে রক্ষা হবে। দেশে ধান চাষের মধ্যে ৪০ ভাগ চাষ হয় আমন জাতের ধান। আমন ধানের উৎপাদিত অধিকাংশ ধান কি সময় লাগে ১৪০ থেকে ১৪৫ দিন।

বিএডিসি হাইব্রিড ধান ২ ঐ ২৬০ যাত্রী কৃষকেরা ফসল ফলালে আমন ধান তাড়াতাড়ি কেটে উক্ত জমিতে তেল জাতীয় ফসল উৎপন্ন করতে পারবেন। এছাড়াও এই ধান উৎপাদনে ক্ষার শেষও অন্যান্য পরিচর্যা কম করতে হয়। আর কারনে এ ধান উৎপাদনে খরচ অন্যান্য তুলনা একটু কম।

উইন অল হাইটেক সিড কোম্পানি উদ্ভাবিত জার্সি নিয়ে চার বছরের বেশি সময় ধরে মাঠে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন। এধান বপনের ১০৫ থেকে ১৬০ দিনের মধ্যে পরিপক্ক হতে পারে। কোন দিকে অন্যান্য আমন ধান ১৪০ থেকে ১৪৫ দিন সময় লাগে।

এ জাতের ধানের ফলন হেক্টর প্রতি ৭ থেকে ৭.৫ টন। এছাড়াও কৃষকগণ প্রতি বিঘায় ফলন পাবেন ২৫ থেকে ২৮ মন। এখানে অন্যান্য ধানের ফলন বিঘায় বিষ পনেরো নিচে। আশা করা যায় আগামী মৌসুমে কৃষকগণ এগুলোর ধানের বিজ পেয়ে যাবেন।

আমন ধানের জাত ব্রি ৮৭

ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ব্রি ৮৭ জাতের ধান চিকন চাউল ও ফলন অনেক বেশি। বিশেষ করে যশোর এলাকায় ব্রি ৮৭ জাতের ধানের চাষ করে কৃষক গন প্রচুর লাভবান হয়েছেন। যার কারণে স্বর্ণা ধানের চাষ ছেড়ে দিয়ে ব্রি ৮৭ জাতের ধানের চাষ শুরু করেছেন।
কৃষকগণেরা জানান ব্রি ৮৭ জাতের চিকন ধান প্রতি ৩৩ শতাংশ জমিতে ২৭ থেকে ৩০ মন পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। এ ধানের জীবনকাল ১২৭ দিন। স্বর্ণাধানের ১৫ দিন আগে এ ধান কাটা হয়। এছাড়াও এ ধানের বাজার দর তুলনামূলক ভালো। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায় কৃষি অফিসের পরামর্শক্রমে ১১ টি ইউনিয়নের ৩০ জন চাষী ব্রি ৮৭ ধান চাষ করেন।

৩০ জন ধান চাষী ব্রি ৮৭ জাতের ধান চাষ করে লাভবান হন। এই কারণে তাদের মাঝে এই ধান চাষের আগ্রহ বেড়ে গেছে। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে বিভিন্ন অঞ্চলে ব্রি ৮৭ জাতের ধান চাষীদের কাছে সরবরাহ করা হয়।

লেখক এর মন্তব্য

সুপ্রিয় পাঠকগণ ব্রি উদ্ভাবিত অধিক প্রোটিন সমৃদ্ধ দুটি ধানের জাত অনুমোদন বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন রকম উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত ব্যাপারে আজকের আর্টিকেলে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। এগুলো ব্যাপারে জানা আমাদের প্রয়োজন।

আজকের আর্টিকেলটি গুগল সহ বিভিন্ন গ্রন্থ থেকে সংগ্রহ করে লেখা হয়েছে। ধানের উৎপাদিত জাত সম্পর্কে জানতে আজকের আর্টিকেল ভিজিট করুন। আশা করি ভালো লাগবে এবং উপকৃত হবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url