শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়
সুপ্রিয় পাঠক বন্ধুগণ শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায় বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শুরু করলাম। আজকের আর্টিকেলে শ্বেতী রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলো আলোচনা করা হয়েছে।
শ্বেতী রোগের সম্পর্কে বিস্তারিত আমাদের জানা প্রয়োজন। শ্বেতী রোগ সম্পর্কে জানতে আজকের আর্টিকেলের সঙ্গে থাকুন।
ভূমিকা
আজকের আর্টিকেল শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়। সাধারণত শারীরিক ও সামাজিক পারিপার্শ্বিকতার কারণে শরীরে পর্যাপ্ত মেলানিন উৎপন্ন হতে পারে না। শরীরের যে যে জায়গায় মেলানিন উৎপন্ন হয় না সেই জায়গাগুলোতে ত্বকের স্বাভাবিক রং থাকে না। এজন্য স্বাভাবিক রং এর পরিবর্তে সাদা রং তৈরি হয়।
আর ও পড়ুনঃ শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার
যার কারণে ত্বক গঠনে যেগুলো খাদ্য উপাদান প্রয়োজন সেগুলো ভালো করে খেতে হবে। এছাড়াও নিয়মিত সূর্যালোক কাজে লাগিয়ে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি সংগ্রহ করতে হবে। শ্বেতী রোগ হওয়ার পূর্বেই প্রয়োজনীয় এন্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এ, ভিটামিন ই, ও ভিটামিন বি ১২, ইত্যাদি ভিটামিন জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন। শ্বেতী রোগ ব্যাপারে জানতে আজকের আর্টিকেলের সঙ্গে থাকুন।
শ্বেতী রোগের প্রাথমিক লক্ষণ
আজকের আর্টিকেল শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়। হঠাৎ করে আমাদের মধ্যে কিছু লোক দেখা যায় যাদের হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ সাদা হয়ে গেছে। এভাবে সাদা হয়ে যাওয়া প্রক্রিয়াটি শ্বেতী রোগ বা ভিটিলিগো রোগ বলা হয়। এ রোগটি সাধারণত পুরুষ ও মহিলা উভয়ের হতে পারে। শ্বেতী রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলো আলোচনা করা হলো।
*শ্বেতী রোগ হলে প্রাথমিকভাবে মুখ, বাহু, হাত, শরীরে খোলা জায়গা, যৌনাঙ্গের চারপাশে, এবং নিতম্বসহ, শরীরের বিভিন্ন জায়গায়, ত্বকে, বিক্ষিপ্তভাবে ছোট ছোট দাগ দেখা দিতে পারে।
*এছাড়াও শ্বেতী রোগ হলে দুই চোখের মাঝখানে, ভ্রুতে, দাড়ি গজানোর জায়গায়, মাথার চামড়ায়, সাদা দাগ হতে পারে।
*দাড়ি ও মাথার চুল ফেকাসে হয়।
*নাকের ত্বকে, ও মুখের রং এর প্রলেপ উঠে যেতে পারে।
*শরীরের অনেক জায়গায় একসাথে সাদা সাদা দাগ দেখা যায় এবং সে দাগগুলো একসঙ্গে বাড়তে থাকে।
*অনেক ক্ষেত্রে এই রোগ একটি মুখ ও হাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
*এ রোগে অনেক সময় চুলকানি ও ব্যাথা হয়।
শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়
আমাদের মধ্যে অনেকেই শ্বেতী বা ভিটিলিগো রোগে ভোগেন। তবে ১০০ জন লোকের মধ্যে ৩০ জন লোক বংশগতভাবে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। বাকি ৭০ ভাগ লোকের ইমিউন ডিজিজের কারণে হয়ে থাকে। শ্বেতী রোগ প্রাণঘাতি অথবা ছোঁয়াচে নয়।
আর ও পড়ুনঃ দেশের বাজারে বিওয়াইডি গাড়ির দাম কত
সাধারণত শরীরে মেলানিনের ভারসাম্য নষ্ট হলে শ্বেতী রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে এই রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসার মাধ্যমে সারিয়ে তোলা যায়। শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায় আলোচনা করা হলো।
পেঁপের মাধ্যমেঃ পেঁপে সেতী রোগের জন্য কার্যকরী ফল। এক্ষেত্রে কাঁচা অথবা পাকা পেঁপে নিয়মিত খেলে শরীরে হারিয়ে যাওয়া মেলানিন কোষগুলোকে পুননির্মাণ করে। যার কারনে শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়া এক টুকরা পেঁপে নিয়ে শরীরের যে জায়গায় শ্বেতী রোগ হয়েছে সেখানে ভালোভাবে ঘুষতে হবে।
ঘুষা হয়ে গেলে রোগের জায়গা শুকিয়ে যাওয়ার পর ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে। এ প্রক্রিয়ায় কিছুদিন পেপের টুকরা ব্যবহার করলে শ্বেতী রোগ থেকে নিরাময় হয়।
লাল মাটি ব্যবহারঃ লাল মাটি ব্যবহারের মাধ্যমে শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। লাল মাটিতে তামা থাকে যার শরীরের মেলানিন গঠনে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। এছাড়া এক টেবিল চামচ আদার রসের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ লাল মাটি মিশ্রিত করে পেস্ট করে নিতে হবে। লাল মাটির পেস্ট শরীরের যেখানে শ্বেতী রোগ হয়েছে সেখানে ভালো করে ব্যবহার করতে হবে।
এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করলে আস্তে আস্তে শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। বিশেষ করে আদার রস ব্যবহারে শ্বেতী রোগের জায়গায় রক্ত সরবরাহ বৃদ্ধি হয়।
তামার পাত্রে খাওয়া দাওয়া ও পানি পান করাঃ নিয়মিত তামার পাত্রে খাওয়া-দাওয়া ও পানি পান করা প্রয়োজন। তামার পাত্রে খাওয়া-দাওয়া ও পানি পান করার ফলে শরীরের মেলানিন উৎপন্ন বৃদ্ধি হয় ও ভারসাম্য রক্ষা করে। যার কারণে শ্বেতী রোগ নিরাময়ে নিয়মিত তামার পাত্রে পানি পান করা প্রয়োজন।
তুলসী পাতার ব্যবহারঃ তুলসী পাতাতে এন্টিভাইরাল ও অ্যান্টি এজিং বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যার কারণে তুলসীর পাতা লেবুর রসের সঙ্গে ব্যবহারের ফলে শরীরের মেলানের উৎপন্ন বৃদ্ধি হয়। তুলসির পাতা পেস্ট করে লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট করতে হবে।
এই পেস্ট শরীরের শ্বেতী জায়গায় ভালো করে ব্যবহার করতে হবে। নিয়মিত তুলসী পাতা ও লেবুর রস পেস্ট করে ব্যবহার করার মাধ্যমে শ্বেতী রোগ হতে আস্তে আস্তে মুক্তি পাওয়া যায়।
আখরোট খাওয়ার মাধ্যমেঃ আখরোট খাওয়ার ফলে শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। এছাড়াও নিয়মিত আখরোট খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়। প্রতিদিন কমপক্ষে পাঁচটি করে আখরোট খেলে শরীরের মেলানের উৎপন্ন বৃদ্ধি হয় এবং ভারসাম্য রক্ষা হয়। শ্বেতী রোগ নিরাময়ের প্রতিদিন কমপক্ষে ৫ থেকে ৬টি করে আখরোট খাওয়া প্রয়োজন।
এলোভেরা ব্যবহারের মাধ্যমেঃ অ্যালোভেরাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এছাড়া এলোভেরাতে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ১২, ভিটামিন সি, ফলিক অ্যাসিড ,ক্যালসিয়াম, তামা, ক্রোমিয়াম ও জিংক, থাকে। যার কারণে এলোভেরা শরীরের ত্বক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শরীরের যে জায়গায় শ্বেতী রোগ হয়েছে সেখানে অ্যালোভেরা জেল নিয়মিত ব্যবহার করতে হবে। অ্যালোভেরা জেল ব্যবহারের মাধ্যমে আস্তে আস্তে শ্বেতী রোগ নিরাময় হয়।
হলুদ ব্যবহারের মাধ্যমেঃ হলুদের এন্টিবায়োটিক উপাদান রয়েছে। এছাড়াও নিয়মিত হলুদ ব্যবহারের ফলে ত্বক পুনর্গঠনের সহায়তা করে। শ্বেতী রোগ নিরাময়ে হলুদের ব্যবহার রয়েছে। এক্ষেত্রে সরিষার তেলের সঙ্গে হলুদের গোঁড়া মিশিয়ে আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে ২০ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে।
২০ থেকে ৩০ মিনিট পরে আক্রান্ত জায়গা ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি দিনে দুই থেকে তিনবার দিতে হবে। এভাবে হলুদ ব্যবহারের মাধ্যমে শ্বেতী রোগ থেকে নিরাময় হয়।
এছাড়া আমেরিকান সেন্টার অফ রিজনারেটিভ হেলথ সরাসরি নিজস্ব তত্ত্বাবধানে শ্বেতী রোগের চিকিৎসা করে। এখানে বাংলাদেশী ও যুক্তরাষ্ট্রের ডাক্তারগণ যৌথভাবে চিকিৎসা করেন। এছাড়া এখানে সর্বোচ্চ মানের বিশ্বস্ততার মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়।
সাধারণত খাদ্য অভ্যাস, লাইফ স্টাইল, ন্যাচারাল মেডিসিন, ও প্রয়োজনীয় থেরাপির, মাধ্যমে এই সেন্টারে চিকিৎসা করানো হয়। এই চিকিৎসা সেন্টারে এপয়েন্টমেন্ট দিয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থা করা যায়।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট জন্যঃ
ইউএস ক্লিনিক: +১ ৭১৩-২৩৪-১০১৪
বাংলাদেশ চেম্বার: +৮৮০২২২২২৪৫৫৮০, +৮৮০ ২২২২৪৮৫৩১, ০১৭৫৩৪৬১৮৫৭
ঠিকানাঃ রাজ্জাক ভিলা, বাড়িঃ ৮/এ/কেএ, ৫ম তলা, রোড নংঃ ১৩ (নতুন), ধানমন্ডি
শ্বেতী রোগের খাবার
আজকের আর্টিকেল শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়। প্রতিবছর ২৫শে জুন বিশ্ব শ্বেতী রোগ দিবস অর্থাৎ ভিটিলিগো দিবস হিসেবে পালিত হয়। শ্বেতী রোগ বিস্তার লাভ করে শরীরের মেলানিন এর ভারসাম্য না থাকার কারণে। যার কারণে শ্বেতী রোগের ক্ষেত্রে খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ত্বকের গঠনে যে যে খাবার প্রয়োজন সেগুলো বেশি করে খেতে হয়।
আর ও পড়ুনঃ থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিকারের ঘরোয়া উপায়
এছাড়াও কিছু খাবার আছে যেগুলো খাওয়ার ফলে শ্বেতী রোগ বৃদ্ধি হয়। এজন্য যেগুলো খাবার খেলে শ্বেতী রোগ বৃদ্ধি হয় সেগুলো খাবার এড়িয়ে চলা প্রয়োজন।
যেগুলো খাবার শ্বেতী রোগীদের খাওয়া প্রয়োজনঃ সাধারণত এন্টি অক্সিজেন সমৃদ্ধ খাবার এ রোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া আর ভিটামিন এ ভিটামিন বি টুয়েলভ ভিটামিন সি জিংক সেলেনিয়াম ভিটামিনযুক্ত খাবার খেলে এরোগ নিরাময় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এইজন্য ফলের মধ্যে কলা আপেল পেয়ারা পাকা আম অ্যাপ্রিকট ফিগস অ্যাভোকোডা তরমুজ ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া সবজির মধ্যে মাশরুম মুলো গাজর বিট করলা গ্রীনবিনস পালং শাক আলু ফুলকপি, রেড চিলি ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে।
শ্বেতী রোগীদের যে যে খাবার খাওয়া যাবে নাঃ শ্বেতী রোগী কিছু কিছু খাবার থেকে খুব সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। বিশেষ করে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোন ক্রমে মধ্যপান করা যাবে না। ধূমপান করা যাবে না।
এছাড়া ব্লুবেরি জাতীয় ফল, দই, মাছ, সিফুড, আঙ্গুর, আচার, কমলালেবু, বেগুন, বেদানা, পেয়ারা, কাঁচা টমেটো, কাঁচা রসুন, কফি, চকলেট দিয়ে তৈরি খাবার, ও তেতুল, জাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। বিশেষ করে শ্বেতী রোগীদের শরীরের ব্যথা ও চুলকায়। এই কারণে চুলকানি বেড়ে যায় এমন ধরনের সব খাবার থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।
কারো জন্য শ্বেতী কোনো অভিশাপ নয়
শ্বেতী রোগ এক ধরনের চর্ম রোগ। এটি কোন অভিশাপ নয়। সাধারণত সামাজিক ও মানসিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে এ রোগ তৈরি হয়। এই জন্য এই রোগীদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন কারণ নাই। ছেলে ও মেয়ে উভয়ের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সাধারণত শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সাদা রং হওয়া এ রোগের প্রধান লক্ষণ।
শরীরে মেলানিন উৎপন্ন কমে গেলে অথবা ভারসাম্য রক্ষা না হলে এর রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই রোগ যেকোনো বয়সে হতে পারে তবে ১০ থেকে ৩০ বছর বয়সে এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়। তোকে সাধারণত আক্রান্ত স্থানে মেলানো সাইট থাকে না যার ফলে মেলানিন উৎপন্ন হয় না। যার কারণে ত্বক সাদা আকার দেখা দেয়।
সাধারণত ২৫ ভাগ এর রোগ নিজের থেকেই ভালো হয়ে যায়। এছাড়া ভালো চিকিৎসা গ্রহণ ও নির্দিষ্ট খাবার খাওয়ার মাধ্যমে আক্রান্তের পরিমাণ কমে যায়। বিশেষ করে ত্বকের জন্য উপকারী খাবার এবং যেগুলো খাবার খাওয়ার মাধ্যমে মেলানিন উৎপন্ন হয় সেগুলো খাবার খাওয়া প্রয়োজন। এছাড়া ট্র্যাক্রোলিমাস, পাইমেক্রোলিমাস স্টেরয়েড ক্রিম দিয়ে এ রোগের চিকিৎসা করা হয়।
এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের থেরাপির মাধ্যমেও এ রোগের চিকিৎসা করা হয়। এছাড়াও বর্তমানে বায়োলজিক ওষুধ যেমন রাক্সোলিটিনিব ক্রিম ব্যবহারের মাধ্যমে ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও প্রয়োজন বোধের সাইকোথেরাপি দেওয়া লাগতে পারে।
শ্বেতী রোগ হলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন কারন নাই। একটু ধৈর্য ধরে চিকিৎসার মাধ্যমে স্মৃতি রোগ হতে মুক্তি পাওয়া যায়। যার কারণে চিকিৎসার ব্যাপারে যত্নবান হওয়া প্রয়োজন।
লেখক এর মন্তব্য
সুপ্রিয় পাঠক বৃন্দ শ্বেতী রোগ থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায় বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা হল। প্রকৃতপক্ষে শ্বেতী রোগ হলে উক্ত লোকে লোক মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে। এছাড়া শ্বেতী রোগ হওয়ার কারণে শরীরের সৌন্দর্য কমে যায়। যার কারণে শ্বেতী রোগ হওয়ার পূর্বেই শরীরের পুরোপুরি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। আজকের আর্টিকেলে শ্বেতী রোগ ব্যাপারে যাবতীয় তথ্য আলোচনা করা হয়েছে।
আজকের আর্টিকেল গুগল সহ বিভিন্ন সামরিক থেকে তথ্য সংগ্রহ করে লেখা হইছে। যার কারণে শ্বেতী রোগ ব্যাপারে জানতে আজকের আর্টিকেল বিস্তারিত পড়া প্রয়োজন। আশা করি আজকের আর্টিকেল আপনাদের ভালো লাগবে এবং উপকৃত হবেন। কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্টে জানাবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url