কোন ভিটামিনের অভাবে ভালবাসা রোগ হয়
সুপ্রিয় পাঠক বন্ধুগণ কোন ভিটামিনের অভাবে ভালবাসা রোগ হয় এ বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা শুরু করলাম। বিষয়টি অনেক কৌতুহল মনে হলেও বাস্তবে ভালোবাসার রোগ থেকে আমাদের মুক্তি পাওয়া প্রয়োজন।
আশা করি আজকের আর্টিকেলের বিষয় থেকে আপনারা অনেক ভাল কিছু জানতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে আজকের আর্টিকেল ভিজিট করুন।
ভূমিকা
আজকের আর্টিকেল কোন ভিটামিনের অভাবে ভালবাসা রোগ হয় । ভিটামিন ও খনিজ পদার্থগুলো আমাদের দেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আমাদের দেহের চাহিদা মত সকল উপাদান গ্রহণ করতে পারলে বিভিন্ন রোগ জীবাণু আমাদের দেহে বাসা বাঁধতে পারে না। এছাড়া ভিটামিন ও বিভিন্ন খাদ্য উপাদানের অভাবে শরীরে বিভিন্ন রকম ভাবে রোগাক্রান্ত হয়।
আরও পড়ুনঃ দেশের উন্নয়নে যুব সমাজের ভূমিকা
বিশেষ করে ভালবাসার রোগ অর্থাৎ মানসিক ডিপ্রেশান, চুল হঠাৎ করে পেকে যাওয়া, এগুলো বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের অভাবে হয়ে থাকে। এছাড়া শরীর দুর্বলতা, ওজন বেড়ে যাওয়া বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের কারণে হয়ে থাকে। যার কারণে আমাদের খাবারের তালিকায় যেন সকল উপাদান থাকে এ বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে।
কোন ভিটামিনের অভাবে চুল পেকে যায়
আজকের আর্টিকেল কোন ভিটামিনের অভাবে ভালবাসা রোগ হয়। আমাদের বাহিরের সৌন্দর্যের মধ্যে চুল গুরুত্বপূর্ণ সৌন্দর্য বহন করে। তাই অল্প বয়সে চুল পাকলে দেখতে অনেক খারাপ লাগে। বিভিন্ন কারণে অল্প বয়সে চুল পেকে যেতে পারে। প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাবে, জিনগত কারণে, হরমোনের তারতম্য কারণে, ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে, অল্প বয়সে চুল পাকতে পারে।
কোনো ভিটামিনের অভাবে চুল পাকলে সেগুলো ভিটামিন এর অভাব দূর করার পরিপ্রেক্ষিতে চুল পাকা বন্ধ হয়। এছাড়াও চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে রক্ত পরীক্ষা করার পরে জেনে নেয়া দরকার শরীরে কোন ভিটামিনের অভাব রয়েছে। কোন ভিটামিনের কারণে চুল পাকে তা আলোচনা করা হলো।
ভিটামিন ডি এর অভাবেঃ ভিটামিন ডি চুলের সুস্বাস্থ্য রক্ষা করার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও ভিটামিন ডি হাড়ের স্বাস্থ্য ধরে রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন ডি এর অভাব হলে খুব অল্প বয়সে চুল সাদা হয়ে পেকে যায়।
এইজন্য ভিটামিন ডি জাতীয় খাবার ডায়েটে রাখার ফলে চুলের পুষ্টি ধরে রাখা সম্ভব হয়। ভিটামিন ডি এর অভাব পূরণ করার জন্য ডিম, মাশরুম, মাছ, দুধ, ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া সূর্যালোক থেকে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।
ভিটামিন বি ১২ এর অভাবেঃ ভিটামিন বি১২ চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য এবং চুল কালো রাখার জন্য ভিটামিন বি১২ অত্যন্ত প্রয়োজন। ভিটামিন বি১২ এর অভাবে অল্প বয়সে চুল পেকে যায়। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ভিটামিন বি১২ এর অভাব আছে কিনা তা জেনে নেওয়া প্রয়োজন।
ভিটামিন বি১২ এর অভাব থাকলে ভিটামিন বি১২ জাতীয় খাবার খাওয়ার মাধ্যমে এর চাহিদা পূরণ করা যায়। ভিটামিন বি১২ জাতীয় খাবার মাংস, ডিম, দুধ, পনির, ও মাছে পর্যাপ্ত ভিটামিন বি১২ পাওয়া যায়।
ভিটামিন বি৯ বা ফোলেট এর অভাবেঃ ভিটামিন বি৯ চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় ভূমিকা পালন করে। যার কারণে চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় ভিটামিন বি৯ এর অভাব দূর করা প্রয়োজন। ভিটামিন বি৯ এর অভাবে অল্প বয়সে চুল পেকে যায়। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ভিটামিন বি৯ এর অভাব নির্ণয় করা যায়।
ভিটামিন বি৯ এর অভাব থাকলে ভিটামিন বি৯ জাতীয় খাবার যেমন বিন, সবুজ শাকসবজি, মটরশুটি, সাইপ্রাস, জাতীয় ফলে পর্যাপ্ত ভিটামিন বি৯ পাওয়া যায়।
ভিটামিন বি৫ এর অভাবেঃ ভিটামিন বি৫ চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া ভিটামিন বি৫ চুল কাল রাখতে সহায়তা করে। ভিটামিন বি৫ এর অভাবে অল্প বয়সে চুল পেকে যায়। ভিটামিন বি৫ এর অভাব দূর করার জন্য নিম্নলিখিত খাবার খাওয়া প্রয়োজন।
সবুজ শাকসবজি, মাশরুম, ইয়োগার্ট, ডিম, বিন, মাছ ও মাংসে পর্যাপ্ত ভিটামিন বি ৫ পাওয়া যায়। এগুলো খাবার খাওয়ার মাধ্যমে চুলের অকাল পরিপক্কতা দূর করা যায়।
কোন ভিটামিনের অভাবে ভালবাসা রোগ হয়
প্রিয় পাঠক বৃন্দ ভালোবাসার রোগ এ বিষয়ে বললে অনেক রসিকতা বলে মনে হবে। আসলে এটা রসিকতা নয় ভালবাসা রোগ প্রকৃতপক্ষে রোগ। কোন সময় কারো প্রেমে পড়ে গেলে তারপরে সে মানসিক যন্ত্রণা তৈরি হয় সেগুলোই ভালোবাসার রোগ নামে পরিচিত। ঐতিহাসিক ভাবে বলা যায় যে ভালোবাসার রোগ এক ধরনের মানসিক যন্ত্রণা যা বিভিন্ন ধরনের সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।
আরও পড়ুনঃ পুরুষদের জন্য খেজুরের উপকারিতার বিবরন
বিশিষ্ট চিকিৎসাবীদ ইবনে সিনা এই মানসিক যন্ত্রণার প্রথম লক্ষণ হিসেবে বিষণ্ণতাকে দায়ী করেছেন। ভালোবাসা একটি মানসিক রোগ। কিছু ভিটামিন ও খনিজ উপাদান এর অভাবে এই রোগ কে আরো বৃদ্ধি করে। কোন ভিটামিনের অভাবে ভালবাসা রোগ হয় তা আলোচনা করা হলো।
ভিটামিন ডি এর অভাবেঃ ভিটামিন ডি মস্তিষ্কের কোষগুলোকে স্বাস্থ্যকর রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া সেরোটোনিনের উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে সহায়তা করে। ভিটামিন ডি এর অভাব হলে মস্তিষ্কের কোষ গুলো শুষ্ক হয়। যার কারণে মেজাজ ভারসাম্য হীন হয়ে পড়ে।
মেজাজ ভালো রাখতে এবং পর্যাপ্ত শেরোটোনিন উৎপাদন করতে ভিটামিন ডি এর প্রয়োজন হয়। পর্যাপ্ত শিরটোনিন উৎপাদন হলে ঘুমের পরিমাণ বাড়ে এবং মেজাজ ভালো হয়। সাধারণত ভিটামিন ডি এর অভাব পূরণ করতে ডিম, মাশরুম, মাছ, দুধ, ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে।
ভিটামিন বি১২ এর অভাবেঃ ভিটামিন বি১২ স্নায়ু কোষের উৎপাদন ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও ভিটামিন বি১২ রক্ত সল্পতা দূর করতে সহায়তা করে। ভিটামিন বি১২ শারীরিক দুর্বলতা ও ক্লান্তি দূর করে। এছাড়া ভিটামিন বি১২ নিউরোট্রান্সমিটার মেজাজ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
এজন্য ভালোবাসা রোগ নিয়ন্ত্রণে ভিটামিন বি১২ জাতীয় খাবার যেমন মাংস, ডিম, দুধ, পনির ও মাছ, খাওয়া প্রয়োজন।
ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এর অভাবেঃ ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের কোষের ঝিল্লি গুলো বৃদ্ধি করে ফলে মেজাজ ও জ্ঞানের কার্যকারিতা বৃদ্ধি হয়। ওমেগা৩ ফ্যাটি এসিড এর অভাবে মানসিক চাপ বৃদ্ধি হয়। ভালোবাসার রোগের জন্য এগুলো ভিটামিনের ব্যাপারে যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। এরপরেও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
কোন পুষ্টি উপাদানের অভাবে ওজন বেড়ে যায়
আজকের আর্টিকেল কোন ভিটামিনের অভাবে ভালবাসা রোগ হয়। প্রিয় পাঠক বৃন্দ বেশি খেলে ওজন বাড়ে এটা আমরা সবাই জানি। তবে শুধু বেশি খেলে ওজন করে তা নয় বরং পাশাপাশি কিছু উপাদান আছে যার অভাবে ওজন বেড়ে যায়। এগুলো পুষ্টি উপাদানের ঘাটতিতে আমাদের জীবনের বিভিন্ন রকম ঝুঁকিও তৈরি হয়।
এজন্য আমাদের খাদ্য তালিকায় প্রতিদিনে সকল প্রকার প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করা প্রয়োজন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার মোঃ মতিউর রহমান জানান কোন কোন পুষ্টি উপাদানের অভাবে মানুষের ওজন বাড়তে পারে। যে যে পুষ্টি উপাদানে এর অভাবে ওজন বাড়ে তা আলোচনা করা হলো।
আয়রন এর অভাবেঃ শরীরের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত আয়রনের প্রয়োজন। সাধারণত শরীরে ক্লান্তি ও দুর্বলতা আরনের অভাবে হয়ে থাকে। এছাড়াও দুর্বলতার কারণে শরীরচর্চা ব্যাঘাত ঘটতে পারে। আয়রনের অভাবে আস্তে আস্তে ওজন বেড়ে যায়। যার কারণে আমাদেরকে নিয়মিত আয়রন জাতীয় খাবার খাওয়ার মাধ্যমে আয়রনের ঘাটতি দূর করা সম্ভব।
আয়রন জাতীয় খাবার মাংস, কলিজা, ডিম, মসুর ডাল, কচু শাক, গাঢ় সবুজ শাকসবজি, তরমুজ, খেজুর, ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে।
আয়োডিন জাতীয় খাবার এর অভাবেঃ সাধারণত আয় একদিন এর অভাবে ওজন বেড়ে যেতে পারে। আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা কমে যায়। থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকতা কমে যাওয়ার ফলে ওজন বেড়ে যায়। এইজন্য খাবার লবণে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করা প্রয়োজন।
ভিটামিন বি এর অভাবেঃ সাধারণত ভিটামিন বি কমপ্লেক্স শরীরে বিপাক ক্রিয়া বৃদ্ধি করে। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এর ব্যবহারের মাধ্যমে শরীরের মেটাবলিজম এর নিয়ন্ত্রণ থাকে। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এর অভাবে শরীরের মেটালবলিজম ক্ষমতা কমে যায় যার কারণে শরীরে ফ্যাটের পরিমাণ বেড়ে যায়। তখন তর তর করে ওজন বেড়ে যায়।
ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এর অভাব দূর করতে মাংস, দুধ, ডিম, পনির, মাছ, সবুজ শাকসবজি, মটরশুটি, সাইপ্রাস জাতীয় ফল, মাশরুম, ইয়োগার্ট, ইত্যাদি পর্যাপ্ত খাওয়া যেতে পারে।
ম্যাগনেসিয়াম এর অভাবেঃ শরীরে বিপাক ক্রিয়া বৃদ্ধি করতে ম্যাগনেসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যার কারণে শরীরে প্রয়োজনীয় ম্যাগনেসিয়াম থাকা প্রয়োজন। ম্যাগনেসিয়াম এর অভাব হলে বিপাকক্রিয়া কমে যায় এবং ওজন বেড়ে যায়। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ম্যাগনেসিয়াম এর অভাব আছে কিনা তা জানা যায়।
ম্যাগনেসিয়ামের অভাব থাকলে সবুজ শাকসবজি মটরশুটি সিম শস্য দানা ও বাদাম ইত্যাদি খাওয়া যায়। ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় খাবার খাওয়ার মাধ্যমে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করলে শরীরের বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ থাকে।
আমিষ জাতীয় খাবারের অভাবেঃ খাবারের তালিকায় আমিষ জাতীয় খাবার রাখা দরকার। জাতীয় খাবারের অভাবে বারবার খুদা লাগে যার কারণে বেশি খেতে হয়। এছাড়া বিভিন্ন রকম ভাজাপোড়া খাবার থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। আমিষের চাহিদা পূরণ না করলে শরীরের ওজন বেড়ে যায়। তবে প্রয়োজনের বেশি আমিষ জাতীয় খাবার না খাওয়া ভালো।
কোন ভিটামিনের অভাবে শরীর দুর্বল হয়
আজকের আর্টিকেল কোন ভিটামিনের অভাবে ভালবাসা রোগ হয়। আমাদের শরীর মাঝে মাঝে অত্যন্ত দুর্বল হয়। শারীরিক দুর্বলতা বৃদ্ধি হয় কোন ভিটামিনের অভাবে তা আমাদের জেনে নেওয়া প্রয়োজন। বিভিন্ন রকম ভিটামিনের মধ্যে ভিটামিন বি১২ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন। আমাদের শারীরিক বিভিন্ন কাজে ভিটামিন বি১২ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে।
আরও পড়ুনঃ দারুচিনি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
ভিটামিন বি১২ এর অভাবের কারণে রক্তস্বল্পতা বৃদ্ধি হয়। রক্তস্বল্পতা আমাদের শরীরকে অত্যন্ত দুর্বল করে। এছাড়াও রক্তস্বল্পতা আমাদের রোগ প্রতিরোধ সিস্টেম বাধা প্রদান করে যার কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। দ্বিতীয় কারণ খাদ্যে অপর্যাপ্ততা। ভিটামিন বি১২ এর অভাব থাকলে খাদ্য থেকে প্রয়োজনীয় উপাদান শরীর গ্রহণ করতে পারে না।
যার কারনে ভিটামিন বি১২ এর অভাব থাকলে শরীর অবসাদ ক্লান্তি বিরক্তি বিভ্রান্তি বিষন্নতা মনোযোগের অভাব ভুলে যাওয়ার প্রবণতা, মানসিক চাপ, হতাশা, ইত্যাদি সমস্যা বৃদ্ধি হয়। ভিটামিন বি১২ এর অভাবে স্নায়ুতন্ত্র সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। মস্তিষ্কের নার্ভ সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। যার কারণে মানুষ আস্তে আস্তে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং নেতিয়ে যায়।
ভিটামিন বি১২ এর অভাব দূর করতে সাধারণত মাছ মাংস দুধ ডিম দই পনির সবুজ শাকসবজি রঙ্গিন সবজি ফলমূল বাদাম রুটি, পাস্তা নুডুলস সয়াবিন ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। সাধারণত মানুষের শরীরে ভিটামিন বি১২ প্রয়োজন হয় নিম্নরূপ।
*৪- ৮ বছর ১.২ মাইক্রগ্রাম।
*৯-১৩বছর ১.৮ মাইক্রগ্রাম।
*১৪ -১৮ বছর ২.৪ মাইক্রগ্রাম।
*প্রাপ্তবয়স্ক ২.৪ মাইক্রগ্রাম।
*অন্তঃসত্তা হলে ২.৬ মাইক্রগ্রাম।
*বুকের দুধ খাওয়ানো নারীদের ২.৮মাইক্রগ্রাম।
প্রয়োজনীয় ভিটামিন বি টুয়েলভ গ্রহণ করতে পারলে শারীরিক দুর্বলতা দূর হয়। যার কারণে বিভিন্ন কাজে মনোযোগ দেওয়া যায়।
লেখক এর মন্তব্য
সুপ্রিয় পাঠক বৃন্দ কোন ভিটামিনের অভাবে ভালবাসা রোগ হয় এ বিষয়ে আজকের আর্টিকেল লেখা হল। আজকের আর্টিকেলে আরো আলোচনা করা হয়েছে কোন ভিটামিনের অভাবে চুল পেকে যায়, কোন পুষ্টি উপাদানের অভাবে ওজন বেড়ে যায়, কোন ভিটামিনের অভাবে শরীর দুর্বল হয়। আজকের আর্টিকেলের বিষয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
আজকের আর্টিকেল গুগলসহ বিভিন্ন সাময়িকী থেকে সংগ্রহ করে লেখা হয়েছে। আশা করি আজকের আর্টিকেল থেকে অনেক তথ্য জানতে পারবেন। আজকের আর্টিকেল ব্যাপারে জানতে বিস্তারিত ভাবে পড়ুন। আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে। কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url