ছাত্র জীবনে মোবাইল ফোনের অপকারিতা

সুপ্রিয় পাঠকগণ ছাত্রজীবনে মোবাইল ফোনের অপকারিতা বিষয় লিখতে বসলাম। আজকের আর্টিকেলে আরো আলোচনা করা হবে মোবাইল ফোনের আবিষ্কারক কে। মোবাইল ফোনের ক্ষতিকারক দিকগুলি। মোবাইল ফোনের ক্ষতিকর দিক থেকে বাঁচার উপায়।
মোবাইল ফোন ব্যবহারের ভালো দিকগুলো। এছাড়াও মোবাইল ফোন সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য। এগুলো বিষয় জানতে আমাদের সাথে থাকুন।

ভূমিকা

সুপ্রিয় পাঠকগন  মোবাইল ফোন আমাদের জন্য অত্যাবশকীয় যন্ত্র। সাধারণত মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমরা সকল প্রকার যোগাযোগ রক্ষা করি। এছাড়াও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সকল প্রকার ব্যবসার আপডেট খবর সংগ্রহ করি। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করার মধ্য দিয়ে ফিনান্সিং এর কাজ করা হয়।


এছাড়াও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ করে বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। তাই আসুন মোবাইল ফোন খারাপ কাজে ব্যবহার না করে ভালো কাজে ব্যবহার করি। আজকের বিষয় ছাত্র জীবনে মোবাইল ফোনের উপকারিতা।

মোবাইল ফোনের আবিষ্কারক কে

সুপ্রিয় পাঠকগণ হয়তো আপনারা জানতে চাচ্ছেন মোবাইল ফোনের মত এত ভালো বস্তু কে আবিষ্কার করেছেন। আসুন জেনে নিই মোবাইল ফোনের আবিষ্কারকের সম্পর্কে। অতীতের যোগাযোগ করার মত কোন মোবাইল ফোন ছিল না।

১৯৭৩ সালে আমেরিকার নিউওয়ার্ক শহরের ইঞ্জিনিয়ার মার্কিন কুপার প্রথম মোবাইল ফোন তৈরি করেন। তাই মার্কিন কুপার কে মোবাইল ফোনের জনক বলা হয়। ১৯৭৩ সালের এপ্রিল মাসে নিউ ওয়ার্কের হিলটন হোটেলে প্রথমবার মোবাইল ফোনের মডেল উপস্থাপন করা হয়।

 প্রথম মোবাইল ফোনটি ১০ ইঞ্চি লম্বা, 2 ইঞ্চি চওড়া ও ৫ ইঞ্চি পুরুত্ব। এ মোবাইল ফোনের ওজন ছিল এক কেজিরও বেশি। মাত্র ২০ মিনিট কথা বললে মোবাইলের ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে যেত। তবে মোবাইল ফোনের বাজারজাত করতে আরো দশ বছর সময় লেগে যায়।

 অর্থাৎ ১৯৮৩ সালে প্রথমবারের মতো বাজারে মোবাইল আসে। সে সময় মোবাইলের দাম ছিল চার হাজার ডলার। আস্তে আস্তে মোবাইল এর উন্নতি লাভ করতে করতে বর্তমান এই অবস্থায় পৌঁছেছে। বর্তমানে পৃথিবীর ৮৭ ভাগ এর বেশি লোক মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। অর্থাৎ ৫১১ কোটিরও বেশি মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন।

মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলো

আজকের বিষয় ছাত্র জীবনে মোবাইল ফোনের অপকারিতা। মোবাইল ফোন ব্যবহারে প্রচুর শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি হয়। মোবাইল ফোন ব্যবহারের মাধ্যমে ক্ষতিকর দিকগুলো আলোচনা করা হলো।

চোখের ক্ষতিঃ মোবাইল ফোন ব্যবহারের করার ফলে চোখের ক্ষতি হয়। মোবাইল ফোন দেখার সময় মোবাইলের আলোক রশ্মি থেকে তেজস্ক্রিয়া চোখের উপর পড়ার কারণে চোখের বিভিন্ন রকম সমস্যা হয়। যেমন চোখে কম দেখা চোখ ঝাপসা হয়ে যাওয়া অথবা চোখের বিভিন্ন অঙ্গানু প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে।

হাতের সমস্যাঃ দীর্ঘক্ষণ মোবাইল ফোন ব্যবহার করার ফলে হাতের আঙ্গুল ব্যথা ঝিনঝিন অথবা অবস ভাব হয়ে যেতে পারে। দীর্ঘ মেয়াদি মোবাইল ব্যবহার করার কারণে হাতের কব্জিতে প্রদাহ জনিত সমস্যা হতে পারে।

ঘাড় ও মেরুদন্ডের সমস্যাঃ মোবাইল ফোন ব্যবহার করার সময় ঘাড় নিচে রাখতে হয়। বেশিরভাগ সময় ঘাড় ও মেরুদন্ড হেলে পড়ার জন্য বাঁকা হয়ে থাকে। দীর্ঘমেয়াদি মোবাইল ব্যবহারের ফলে ঘাড় ও মেরুদন্ড ব্যাথা হতে পারে। এছাড়াও পেশির টান মেরুদন্ডের বক্রতা ইত্যাদি হতে পারে।

ঘুমের ব্যঘাতঃ বেশি পরিমাণ মোবাইল দেখার ফলে মোবাইল দেখা নেশায় পরিণত হয়। অত্যধিক মোবাইলে আসক্ত হওয়ার ফলে রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ মোবাইল দেখায় ঘুমের পরিমাণ কমে যায়। যার কারণে শরীরে ক্লান্তি মেজাজ খিটখিটে ও বিরক্তি মনোভাব তৈরি হয়।

শারীরিক ব্যায়াম করার আগ্রহ কমেঃ মোবাইল ফোন ব্যবহারের ফলে রাতে ঘুম কম হওয়ার জন্য সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারা যায় না। যার কারণে সকালেরে ব্যায়ামগুলো ভালোভাবে করা যায় না। সকালে ব্যায়াম না করার কারণে স্থূলতা পেশি সমস্যা হতে পারে।

শ্রবণ শক্তি কমে যাওয়াঃ মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় কানে হেডফোন ব্যবহার করার কারণে কাণে প্রচুর শব্দ উৎপন্ন হয়। যার কারণে শ্রবণশক্তি কমে যায়। এছাড়া গবেষণায় জানা যায় ১০০ ডিজিবল শব্দ বা তার চেয়ে বেশি শব্দ ১৫ মিনিট কানে এয়ারফোনের মাধ্যমে হলে শ্রবণ শক্তি প্রচুর কমে যায়।

 হেডফোন ব্যবহারের ফলে রাস্তা পারাপারের সময় গাড়ির হর্ন বা অন্যান্য শব্দ শোনা যায় না। যার কারণে প্রচুর দুর্ঘটনা ঘটে এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

মনোযোগের অভাবঃ অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারে করার ফলে কোন কাজে মনোযোগ দিয়ে কাজ করা যায় না। সর্বদা মানসিক উৎকণ্ঠা লেগে থাকে।

ব্যক্তিগত সম্পর্কের অবনতিঃ অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করার ফলে পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন লোকের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়। লোকজনের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করার মত যে সময় থাকে সেটা মোবাইলের মাধ্যমে শেষ হয়ে যায়। যার কারনে ব্যক্তিগত সম্পর্কের অবনতি হয়।

আসক্তিঃ অতিরিক্ত মোবাইল দেখার ফলে মোবাইলের প্রতি আসক্ত তৈরি হয়। যার কারণে বাস্তব জীবন ও সামাজিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

সামাজিক যোগাযোগের ঘাটতিঃ মোবাইল এর প্রতি আসক্তি হওয়ার কারণে সামাজিক বিভিন্ন কাজে অংশগ্রহণের পরিমাণ কমে যায়। এছাড়াও মোবাইল নিয়ে ঘরে বেশি পড়ে থাকার কারণে সামাজিক যোগাযোগ গুলো নষ্ট হয়ে যায়।

ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনঃ মোবাইলের বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের যাবতীয় তথ্য আদান-প্রদান করার কারণে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়াও খারাপ ভিডিও দেখে শেয়ার করার মাধ্যমে সবার কাছে নিজস্ব ভালো গুণাবলী নষ্ট হয়ে যায়।

অপরাধে অপরাধ বুদ্ধিঃ মোবাইলের ভিডিওসহ বিভিন্ন বস্তু দেখার ফলে মানসিক দিক দিয়ে অনেক পরিবর্তন ঘটে। যার কারনে মোবাইলে অন্যায় কাজ করার প্রবণতা বৃদ্ধি হয়। মোবাইলের মাধ্যমে চুরি ডাকাতি সহ বিভিন্ন হত্যাকান্ডের ঘটনাও ঘটে।

অনলাইন হয়রানিঃ মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইন হয়রানি খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। মোবাইলের মাধ্যমে চুরি ডাকাত ছিনতাই রহ ঘুরতেছে। এছাড়াও মোবাইলের মাধ্যমে বিভিন্ন নারী ও পুরুষ পরকীয়ারের মাধ্যমে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।


বিশেষ করে নারী ও শিশুরা মোবাইলের মাধ্যমে অনেক প্রতারিত হচ্ছে। এইজন্য মোবাইলের ক্ষতিকর দিক থেকে আমাদেরকে সরিয়ে সরে আসতে হবে। অতিরিক্ত মোবাইল দেখা বন্ধ করে শুধু কাজের জন্য মোবাইল ব্যবহার করতে হবে।

ছাত্র জীবনে মোবাইল ফোনের অপকারিতা

ছাত্রজীবনে মোবাইলের অপব্যবহারের কারণে অনেক ক্ষতি হয়। ছাত্র জীবনে মোবাইল ফোনের অপকারিতা ও অপব্যবহারের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ছাত্র জীবনে মোবাইল ফোনের অপকারিতার দিকগুলো আলোচনা করা হলো।

পড়াশোনার ক্ষতি হয়ঃ ছাত্র অবস্থায় মোবাইলের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ার কারণে লেখাপড়ার অনেক ক্ষতি হয়। ছাত্র জীবনটি হল অনেক কম বয়সী জীবন। এ জীবনে মোবাইল পাওয়ার জন্য ফেসবুক ইউটিউব গেম ইত্যাদির দিকে ছাত্র-ছাত্রীরা ঝুকে পড়ে। যার কারণে পড়াশুনার অনেক ক্ষতি হয়।

চোখের সমস্যা হয়ঃ মোবাইলের দিকে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে থাকার কারণে মোবাইলের আলোক রশ্মি চোখে পড়ে। যার কারণে মোবাইলের আলোক রশ্মি তেজস্ক্রিয়া দৃষ্টির শক্তিকে ক্ষতি করে। যার কারনে মাইগ্রেনের মতো সমস্যা হয়।

মস্তিষ্কের ক্ষতি করেঃ সুইচ গবেষকরা ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সের কিশোর কিশোরী গণের উপর কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা পরিচালনা করেন। পরীক্ষায় দেখা যায় মোবাইলের ক্ষতিকর রেডিয়েশন মস্তিষ্কের বিকাশে কে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

 দিনদিন মোবাইলের উপর আসক্ত হয়ে মোবাইল ব্যবহার করার জন্য ব্রেন টিউমার থেকে শুরু করে মস্তিষ্কের ক্যানসার ও নার্ভের ক্ষতি হয়।

কানে কম শোনাঃ ছাত্র-ছাত্রীরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করার সময় ইয়ারফোন ব্যবহার করে। দীর্ঘদিন এয়ারফোন ব্যবহার করার জন্য শ্রবণ শক্তি কমে যায়। বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যায় ১০০ ডেসিবেল বা তার চাইতে বেশি শব্দ ইয়ারফোনের মাধ্যমে ১৫ মিনিট ধরে শুনলে স্থায়ীভাবে কানের সমস্যা হয়।

 এছাড়া শ্রবণশক্তি কমে যায়। এছাড়াও ছাত্র-ছাত্রীরা কানে ইয়ারফোন দিয়ে মোবাইল ব্যবহার করা অবস্থায় রাস্তা পারাপারের সময় প্রচুর দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

ঘুমের ব্যাঘাতঃ ছাত্র-ছাত্রীরা ঘরে নিরিবিলি বাবা-মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে মোবাইল দেখার জন্য ঘুমের ব্যাঘাত হয়। মোবাইলে আসক্ত হয়ে যাওয়ার পরে গভীর রাত পর্যন্ত মোবাইলের বিভিন্ন ভিডিও দেখার কারণে ঘুমের ক্ষতি হয়। ছাত্র-ছাত্রীদের মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য প্রচুর ঘুমের প্রয়োজন।

যৌন ক্ষমতা কমে যাওয়াঃ কিশোর কিশোরীরা রাতে বিভিন্ন রকম খারাপ ভিডিও দেখার ফলে মানসিক বিপর্যয় ঘটে। এভাবে আস্তে আস্তে দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল দেখার ফলে যৌন ক্ষমতা কমে যায়।

পুষ্টির অভাবঃ ছাত্র-ছাত্রী কিশোর-কিশোরীরা পর্যাপ্ত মোবাইল এর ব্যবহারের কারণে মোবাইলের প্রতি আসক্ত হয়।। যার কারণে খাবারে মন বসে না। কোন কিছু খেতে লাগলেনা, রুচি ভালো থাকে না। যার কারণে খেতে পারে না। আর না খাওয়ার জন্য অপুষ্টিতে ভোগে।

পর্ণ দেখার আসক্তিঃ মোবাইল ফোনে বিভিন্ন ইউটিউবে সারা পর্ন দেখা যায়। কিশোর কিশোরীরা এ সকল পর্ন দেখায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। যার কারনে তারা মানসিক চাপ ও উদ্বেগে ভুগে।

যার কারণে কিশোর কিশোরী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে মোবাইল ফোন দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এছাড়াও প্রয়োজন বোধের যদি দিতে হয় তাহলে সার্বক্ষণিক ছাত্র-ছাত্রীদের উপর নজর রাখতে হবে।

মোবাইল ফোনের ক্ষতিকর দিক থেকে বাঁচার উপায়

আজকের বিষয় ছাত্র জীবনে মোবাইল ফোনের অপকারিতা। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমাদের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি মোবাইল ফোনের ক্ষতিকর দিক থেকে সরে আসা প্রয়োজন। মোবাইলের ক্ষতিকর দিক থেকে বাঁচার উপায়।

*মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় নির্ধারণ করতে হবে।

*মোবাইলের মাধ্যমে ভুয়া খবর ও অপপ্রচার হতে সাবধান হতে হবে।

*মোবাইল ফোন ব্যবহার করার সময় মানসিক স্বাস্থ্যর দিকে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। অতিরিক্ত ঘুমবার সময় নষ্ট করে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না।

*শিশুদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

*কখনো একটানা মোবাইলে বেশি কথা বলা যাবে না এছাড়াও মোবাইলে ভিডিও বা অন্যান্য খবর খুব বেশিক্ষণ শোনা যাবে না।

*মোবাইলে খবর শুনতে হলে ৬০ ডিসিবল এরকম শব্দ দিয়ে মোবাইল শুনতে হবে।

*মোবাইল চার্জ দেওয়া অবস্থায় কথা বলা যাবে না।

*গবেষণায় দেখা গেছে মোবাইলের তেজস্ক্রিয়তার কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে, এছাড়াও লোহিত রক্তকণা গুলো আলাদা হয়ে যেতে পারে

*যার কারনে রক্তস্বল্পতা হতে পারে।

*নারীদের গর্ভে শিশু থাকা অবস্থায় মোবাইল ফোন ব্যবহার কমানো প্রয়োজন।

*মোবাইল সবসময়ই শিশুদের নাগালের বাইরে রাখা উচিত।

*রাতে ঘুমানোর এক ঘন্টা আগে মোবাইল ফোন বন্ধ করা প্রয়োজন। তাহলে অনিদ্রা দূর হয়ে ভাল ঘুম হবে।

মোবাইল ফোন ব্যবহারের ভালো দিকগুলো

মোবাইল একটি অত্যাধুনিক যন্ত্র যার সাহায্যে যোগাযোগ রক্ষা করা যায়। এছাড়াও মোবাইল এর মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির ঘটানো যায়। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিভিন্ন তথ্য আদান প্রদানের জন্য মোবাইল ব্যবহার করা হয়। ছাত্র জীবনে মোবাইল ফোনের অপকারিতা। মোবাইল ফোনের ভালো দিকগুলো আলোচনা করা হলো।


অডিও ভিডিও কলের মাধ্যমে যোগাযোগঃ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ঘরে বসে থেকে অডিও ও ভিডিও কলের মাধ্যমে সারা বিশ্ব যোগাযোগ রক্ষা করা যায়। শুধু কথা বলার নয় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা যায়।

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ক্যালেন্ডার ও ঘড়িঃ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সাধারণত বিভিন্ন ডেট অথবা কবে কি হবে এ সকল ক্যালেন্ডার এর মাধ্যমে জানা যায়। মোবাইল ফোন থাকলে ঘড়ির প্রয়োজন হয় না। কারণ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সময় ও দিন, বার ইত্যাদি জানা যায়।

মোবাইল এলার্মঃ মোবাইল ফোনে এলার্ম দেওয়ার মাধ্যমে সকালের ঘুম থেকে ওঠা যায়। অথবা সেহরি খাওয়ার সময় ওঠা অথবা ইফতার এগুলো কাজেও এলার্ম ব্যবহার করা হয়।

ক্যামেরাঃ মোবাইল ফোন থাকলে নতুন করে কোন ক্যামেরার প্রয়োজন হয় না। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমাদের দৈনন্দিন বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ছবিগুলো আপলোড করা যায়। এছাড়াও বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও তৈরি করে ফেসবুক অথবা ইউটিউবে ব্যবহার করা যায়।

ইন্টারনেট ব্যবহারঃ ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের সকল নিউজ পেপার পড়া যায়। ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন চ্যানেলের খবর সহ বিভিন্ন খবর পাওয়া যায়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন খবর আপডেট পাওয়া যায়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমঃ মোবাইলের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায়। এই ক্ষেত্রে হোয়াটস অ্যাপ জুম মেসেঞ্জার ইত্যাদির মাধ্যমে বিভিন্ন সভা ও সমাবেশে বক্তব্য রাখা ও বক্তব্য শোনা যায়। এছাড়াও টুইটার ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক এর মাধ্যমে যাবতীয় যোগাযোগ রক্ষা করা যায়।

বিভিন্ন অ্যাপঃ বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষার্থী শিক্ষক ব্যবসায়ী প্রকৌশলী বিভিন্ন কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন। কোন শিক্ষা বা স্বাস্থ্যমূলক অথবা গেম ইত্যাদি অ্যাপ এর মাধ্যমে বিভিন্ন খোঁজখবর ও বিভিন্ন কাজে যোগ দেওয়া যায়। এছাড়াও অ্যাপের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে যাতায়াতের টিকিট কাটাযায়। 

ক্যালকুলেটরঃ মোবাইল থাকলে আর বাড়িতে ক্যালকুলেটরের প্রয়োজন হয় না। বাড়ির সবাই মোবাইলের মাধ্যমে যাবতীয় হিসাব নিকাশ করতে পারেন।

 ইমেইলঃ ইমেইল এর মাধ্যমে বিভিন্ন খবর আদান প্রদান করা সম্ভব হয়। তাছাড়াও পেশাগত ও বিভিন্ন অফিসিয়াল তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ইমে্ইল ব্যবহার করা হয়। সাধারণত প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন অফিস থেকে নিম্ন অফিসে বিভিন্ন তথ্য ইমেইল এর মাধ্যমে পাঠানো হয়।

শিক্ষাক্ষেত্রঃ শিক্ষাক্ষেত্রে মোবাইলের গুরুত্ব অপরিসীম। শিক্ষার যেকোনো খবর আপডেট ও বিভিন্ন আবিষ্কার আপডেট সহ শিক্ষার যাবতীয় তথ্য গোটা বিশ্ব থেকে সংগ্রহ করা যায়। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা মোবাইলে আপলোড দেওয়ার মাধ্যমে সকল তথ্য পাওয়া যায়।

লেখক এর মন্তব্য

সুপ্রিয় পাঠকগন ছাত্র জীবনে মোবাইল ফোনের অপকারিতা বিষয় লেখা হয়েছে।আজকের আর্টিকেলে আরো আছে মোবাইল ফোনের আবিষ্কারক কে। মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলো। মোবাইল ফোনের ক্ষতিকর দিক থেকে বাঁচার উপায়। 

মোবাইল ফোন ব্যবহারের ভালো দিকগুলো। এগুলো বিষয় বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী জানার জন্য আমাদের এই আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন আশা করি ভালো লাগবে এবং উপকৃত হবেন। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url